অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, বুধবার, ২০শে মে ২০২৬ | ৬ই জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩


ঈদকে সামনে রেখে ব্যস্ততা বেড়ে গেছে ভোলার খামারিদের


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৮ই মে ২০২৫ সকাল ০৯:১৮

remove_red_eye

৩২৭

বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক : পবিত্র কোরবানি ঈদকে সামনে রেখে ব্যস্ততা বেড়ে গেছে ভোলার খামারিদের। শেষ সময়ে গরুর পরিচর্যা এবং মোটাতাজাকরণ নিয়ে বেশ ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা। এবার সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে, কাচাঘাস, খৈল, ভুসিসহ দেশীয় খাবার খাইয়ে প্রস্তুত করা হচ্ছে কোরবানিযোগ্য গরু। একদিকে যেমন পশু খাদ্যের দাম বেড়েছে অপর দিকে তেমনি গরুর দামও বেশ ভাল পাচ্ছেন খামারিরা। তবে পার্শবর্তী দেশ থেকে গরু আসলে ক্ষমিত মুখে পড়তে পারেন বলে আশঙ্কা করছেন তারা।
খামারিরা মনে করছেন, ভারতীয় গরুর আমদানি বন্ধ হলে দেশীয় গরুর চাহিদা ও দাম উভয়ই বাড়বে, যা তাদের জন্য লাভজনক হবে।

এদিকে কেমিক্যাল ব্যবহার করে গরু মোটাতাজাকরণ যেন না হয়, তা নিশ্চিত করতে প্রাণিসম্পদ দপ্তর নিয়মিত মনিটরিং করছে।
ভোলা সদরের পশ্চিম ইলিশা, বাপ্তা ও রাজাপুরসহ বিভিন্ন এলাকার খামারে সরেজমিনে দেখা গেছে, কোরবানির বাজারকে ঘিরে খামারিরা গরুর পরিচর্যা ও প্রাকৃতিক খাদ্য— যেমন খৈল, কুটা, খাস ও দানাদার খাদ্য দিয়ে গরু মোটাতাজাকরণে ব্যস্ত সময় পার করছেন। প্রতিবারের মতো এবারও স্থানীয় বাজার ছাড়াও দেশের বিভিন্ন জেলায় গরু বিক্রির আশায় খামারিরা প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
খামারি মনিরুল ইসলাম বলেন, দেশীয় খাবার দিয়েই গরু মোটাতাজা করছি। যদিও এবার পশু খাদ্যের দাম বেশি, তবুও আশা করছি ভালো দাম পাব।
অন্য খামারিরা জানান, পশুর পরিচর্যায় খরচ ও শ্রমিকদের মজুরি বেড়েছে। তবে ভারতীয় গরু আমদানি বন্ধ না হলে তারা ন্যায্য দাম পাওয়া নিয়ে শঙ্কায় আছেন।
জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম খান বলেন, গরুর হাট ও খামারে আমাদের মনিটরিং টিম কাজ করছে। এবারের ঈদেও প্রতিটি পশুর হাটে ভেটেনারি টিম বসানো হবে, যাতে কেউ কেমিক্যাল ব্যবহার বা রোগাক্রান্ত গরু বিক্রি করতে না পারেন।
তিনি বলেন, এ বছর জেলায় কোরবানিযোগ্য গরু প্রস্তুত রয়েছে ১ লাখ ২ হাজার ৭৬৯টি, যেখানে চাহিদা রয়েছে ৯০ হাজার ২৫৩টি গরুর। সরাসরি হাটের পাশাপাশি অনলাইনেও গরু ও ছাগল বিক্রির জন্য উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।