অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, বুধবার, ২০শে মে ২০২৬ | ৬ই জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩


সরবরাহ ভালো থাকলেও শেষ মুহূর্তে ইলিশের বাজার চড়া, ভোক্তাদের ক্ষোভ


বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২রা অক্টোবর ২০২৫ বিকাল ০৪:২৩

remove_red_eye

১৫৭

ইলিশ মাছ ধরা বন্ধ হচ্ছে ৪ অক্টোবর থেকে। সরবরাহ ভালো থাকলেও এরই মধ্যে রাজধানীর বাজারগুলোতে ইলিশের দাম চড়া দেখা গেছে।

ছোট-বড় সব ধরনের ইলিশ মাছ কেজিতে ১০০ থেকে ৩০০ টাকা বেড়েছে।

 

বৃহস্পতিবার (০২ অক্টোবর) রাজধানীর তালতলা ও শেওড়াপাড়া বাজার ঘুরে দেখা গেছে এমন চিত্র।

মাছ ধরা ও বিক্রি বন্ধের ঘোষণায় বাজারে ইলিশের দাম বেড়েছে। দাম বাড়ায় নিম্নবিত্ত মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে ইলিশ।

ভোক্তারা অভিযোগ করে বলেছেন, এবছর ইলিশের বাজার সব সময় চড়া রয়েছে। সিন্ডিকেটের কারণে নিম্নবিত্তের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে ইলিশ। ভরা মৌসুমেও সরবরাহ ভালো থাকলেও দাম কমেনি ইলিশের।

এ ব্যাপারে তালতলা বাজারে বাজার করতে আসা তোফাজ্জল সিকদার  বলেন, গত বছর এই সময় ইলিশের দাম কম ছিল। কিন্তু এবছর বড় মাছ তো চোখেই দেখলাম না। জাটকায় বাজার সয়লাব হলেও দাম ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা কেজির নিচে মিলছে না। আর গরিব মানুষের এক কেজি ইলিশ মাছ কিনে খাওয়ার সামর্থ্য নেই। সরকারের উচিত হবে ইলিশ সিন্ডিকেট ভাঙা, তা না হলে আগামীতে ইলিশ চোখেও দেখবো না।  

এসব বাজারগুলোতে এক কেজি ওজনের ইলিশ কেজিতে ৩০০ টাকা বেড়ে ২৩০০ থেকে ২৪০০ টাকা এবং ৭০০ গ্রামের ইলিশ ২০০০ টাকা, ৫০০ গ্রামের বেশি ওজনের ইলিশ ১৬০০ টাকা এবং ৩০০ গ্রামের ইলিশ ১১০০ টাকা এবং ১৫০ থেকে ২০০ গ্রামের মাছ ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারগুলোতে এক কেজি শিং মাছ (চাষের, আকারভেদে) বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ থেকে ৫৫০ টাকায়, দেশি শিং ১০০০ থেকে ১২০০ টাকা, প্রতি কেজি রুই মাছের দাম বেড়ে (আকারভেদে) ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকায়, দেশি মাগুর মাছ ৮০০ থেকে ১০০০ টাকা, মৃগেল ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকায়, চাষের পাঙ্গাস ২০০ থেকে ২৩৫ টাকায়, চিংড়ি প্রতি কেজি ৮০০ থেকে ১৪০০ টাকায়, বোয়াল মাছ প্রতি কেজি ৬০০ থেকে ৮০০ টাকায়, বড় কাতল ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকায়, পোয়া মাছ ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকায়, পাবদা মাছ ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকায়, তেলাপিয়া ২২০ টাকায়, কৈ মাছ ২২০ থেকে ২৩৫ টাকায়, মলা ৫০০ টাকা, বাতাসি টেংরা ১৩০০ টাকায়, টেংরা মাছ ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, কাচকি মাছ ৫০০ টাকায় এবং পাঁচ মিশালি মাছ ২২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে ৪ থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত সারা দেশে ২২ দিনের বিশেষ অভিযান চালানো হবে। এ সময় ইলিশ আহরণ, পরিবহন, বিপণন ও মজুত নিষিদ্ধ থাকবে।