অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, শুক্রবার, ১০ই জুলাই ২০২৬ | ২৬শে আষাঢ় ১৪৩৩


জীবনে কোনো নির্বাচনে হারেননি খালেদা জিয়া


বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৩০শে ডিসেম্বর ২০২৫ সকাল ১০:২৭

remove_red_eye

১৮৮

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া আজ ভোর ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তার বয়স ছিল ৮০ বছর।

খালেদা জিয়া ১৯৮১ সালে স্বামী সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হত্যাকাণ্ডের পর সৃষ্ট পরিস্থিতি তাকে দৃশ্যপটের বাইরে থেকে রাজনীতির মঞ্চে নিয়ে আসে। নিতান্তই একজন গৃহবধূ ছিলেন খালেদা জিয়া। রাজনীতির চৌকাঠ মাড়াতে হবে কোনোদিন, সে কথা হয়ত কল্পনাতেও ছিল না।

২০১৮ সালের সংসদ নির্বাচনে বেগম খালেদা জিয়াকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ থেকে সরিয়ে দিতে সকল রাস্তাই পাকাপোক্ত করে আওয়ামী লীগ। বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক ইতিহাসে এই প্রথমবারের মতো নির্বাচনের মাঠ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। অবশ্য তিনি কখনও কোনো নির্বাচনে পরাজিত হননি। 

বাংলাদেশে ১৯৯১ সাল থেকে যতগুলো নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে, তার মধ্যে একটি ছাড়া বাকি সবগুলো নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।

২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত ১০ম জাতীয় সংসদ নির্বাচন বয়কট করেছিল বিএনপি।

গত প্রায় তিন দশক ধরে বাংলাদেশের নির্বাচনে বেগম খালেদা জিয়া অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একজন ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত হয়ে উঠেছেন। নির্বাচনে বেগম খালেদা জিয়া কখনোই পরাজিত হননি।

১৯৯১ সাল থেকে শুরু করে ২০০১ সাল পর্যন্ত তিনটি সংসদ নির্বাচনে বেগম খালেদা জিয়া প্রতিবারই পাঁচটি আসনে প্রার্থী হয়েছেন এবং সবগুলো আসনে তিনি জয়লাভ করেছেন।

এর মধ্যে ১৯৯৬ সালের নির্বাচনেও খালেদা জিয়া প্রার্থী ছিলেন। এরপর ২০০৮ সালে খালেদা জিয়া তিনটি আসনে প্রতিন্দ্বন্দ্বিতা করে তিনটিতে জয়ী হন।

২০০৮ সালের নির্বাচনে সবচেয়ে খারাপ ফলাফল করেছিল বিএনপি। সে নির্বাচনে বিএনপি মাত্র ৩০টি আসন পেলেও বেগম খালেদা জিয়ার নির্বাচনে জয়লাভ করতে কোনো অসুবিধা হয়নি।

২০১৮ সালের নির্বাচনেও বেগম খালেদা জিয়া তিনটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চেয়েছিলেন। আসনগুলো হলো— ফেনী ১, বগুড়া ৬ ও বগুড়া ৭। কিন্তু দুর্নীতির মামলায় দণ্ডিত হবার কারণে নির্বাচনে অযোগ্য হয়ে পড়েন তিনি।

বেগম খালেদা জিয়ার অতীত নির্বাচনগুলো পর্যালোচনা দেখা যায়, তিনি বগুড়া, ফেনী, লক্ষ্মীপুর এবং চট্টগ্রামের আসন থেকে বেশি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। এ ছাড়া ১৯৯১ সালে ঢাকার একটি আসন থেকে এবং ২০০১ সালে খুলনার একটি আসন থেকে ভোটে লড়েছেন তিনি।

নির্বাচনের ফলাফল পর্যালোচনা করে দেখা যায়, শুধু জয়লাভ করাই নয়, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের সঙ্গে বেগম খালেদা জিয়ার ভোটের ব্যবধানও ছিল বেশি। 

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনেও তার পক্ষে তিনটি আসন থেকে মনোনয়ন নেওয়া হয়েছিল। তবে অসুস্থতা বিবেচনায় রেখে সেখানে বিকল্প প্রার্থী রাখে বিএনপি।





চরফ্যাশনের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত জলাবদ্ধতায় লাখো মানুষ

চরফ্যাশনের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত জলাবদ্ধতায় লাখো মানুষ

উপকূলের অসহায় মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করলেন মানবিক ইউএনও রুমানা আফরোজ

উপকূলের অসহায় মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করলেন মানবিক ইউএনও রুমানা আফরোজ

শারীরিক শিক্ষা শিক্ষক এসোসিয়েশনের ভোলা জেলা পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন

শারীরিক শিক্ষা শিক্ষক এসোসিয়েশনের ভোলা জেলা পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন

মনপুরায় ১০ গ্রামে অধিকাংশ এলাকায় জলাবদ্ধতায় পানিবন্দি ১৫ হাজার বাসিন্দা

মনপুরায় ১০ গ্রামে অধিকাংশ এলাকায় জলাবদ্ধতায় পানিবন্দি ১৫ হাজার বাসিন্দা

সারা দেশের সাথে নৌযোগাযোগ বন্ধ, বিচ্ছিন্ন মনপুরা

সারা দেশের সাথে নৌযোগাযোগ বন্ধ, বিচ্ছিন্ন মনপুরা

চরফ্যাশনে নিরাপদ প্রসব নিশ্চিতে ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রে জরুরি ওষুধ বিতরণ

চরফ্যাশনে নিরাপদ প্রসব নিশ্চিতে ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রে জরুরি ওষুধ বিতরণ

আসুন ‘সবুজ বসতি’ গড়ে তুলি : প্রধানমন্ত্রী

আসুন ‘সবুজ বসতি’ গড়ে তুলি : প্রধানমন্ত্রী

আগামী সংসদ নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হবে: আইনমন্ত্রী

আগামী সংসদ নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হবে: আইনমন্ত্রী

আধুনিক ও সময়োপযোগী জাতিসংঘ পুলিশ গঠনের আহ্বান বাংলাদেশের

আধুনিক ও সময়োপযোগী জাতিসংঘ পুলিশ গঠনের আহ্বান বাংলাদেশের

স্থানীয় নির্বাচন: চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ ৩১ আগস্ট

স্থানীয় নির্বাচন: চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ ৩১ আগস্ট

আরও...