অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, শুক্রবার, ১০ই জুলাই ২০২৬ | ২৫শে আষাঢ় ১৪৩৩


পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানির জীবনবৃত্তান্ত


বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৭ই এপ্রিল ২০২৬ বিকাল ০৫:৪৩

remove_red_eye

১৭৫

মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি ১৯৬৮ সালের ২ ফেব্রুয়ারি লক্ষ্মীপুর পৌরসভার বাঞ্চানগর গ্রামে সম্ভ্রান্ত চৌধুরী পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা হাজী বশির উল্যাহ চৌধুরী এবং মাতা হোসেনে আরা বেগম।

বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ হিসেবে তিনি রাষ্ট্র পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে জাতীয় পরিমণ্ডলে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। 

পারিবারিক শিক্ষার প্রভাবে তার চরিত্রে দায়িত্ববোধ, মানবিকতা ও নেতৃত্বগুণ সুস্পষ্ট হয়ে ওঠে। 

শিক্ষাজীবনে তিনি অধ্যবসায় ও বহুবিধ সৃজনশীলতার পরিচয় দেন।

১৯৮৫-১৯৮৬ শিক্ষাবর্ষে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত রসায়ন ও রসায়নিক প্রযুক্তিবিদ্যা বিভাগ থেকে অনার্স এবং এম.এস.সি ডিগ্রী লাভ করেন। 

পরবর্তীতে ১৯৯৩ সালে শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি ডিপ্লোমা-ইন এডুকেশন সম্পন্ন করেন। ছাত্রজীবন থেকেই সংগঠক হিসেবে তার দক্ষতা প্রকাশ পায়, যা পরবর্তীকালে রাজনীতিতে তার সাফল্যের ভিত্তি রচনা করে।

তিনি দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি’র রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। দলীয় রাজনীতিতে তিনি নিষ্ঠাবান ও দক্ষ সংগঠক হিসেবে সুপরিচিত। 

মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বর্তমানে বিএনপি’র যুগ্ম-মহাসচিব। 

১৯৮০ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান লক্ষ্মীপুরে মূসার খাল খনন কর্মসূচিতে এলে, সেই কর্মসূচি পালনের মধ্য দিয়ে স্কুল জীবনেই তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হন।

১৯৮৩ সালে তিনি ঢাকা তেজগাঁও কলেজ ছাত্রদলের সদস্য হন। পরবর্তীতে তিনি সরকারী বিজ্ঞান কলেজ ঢাকায় ভর্তি হন এবং সেখানেও ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। 

১৯৮৫ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ হল ছাত্রদলের সদস্য নির্বাচিত হন। 

১৯৮৭ সালে তিনি ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এবং ১৯৮৮ সালে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।

১৯৮৯ সালে তিনি জিয়াউর রহমান হল ছাত্র সংসদের জিএস নির্বাচিত হন।

১৯৯০ সালে তিনি সর্বোচ্চ ভোটে ডাকসু’র সদস্য নির্বাচিত হন এবং তিন বার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেটে ডাকসুর ছাত্র প্রতিনিধি হিসেবে প্রতিনিধিত্ব করেন। 

পরবর্তীতে, ১৯৯২ সালে তিনি ডাকসু’র ভারপ্রাপ্ত ভিপি ও ভারপ্রাপ্ত সাহিত্য সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৩ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহবায়ক ও ১৯৯৩-১৯৯৬ সাল পর্যন্ত যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। 

১৯৯৬-১৯৯৮ সালে তিনি কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। 

১৯৯৯ সালে বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য নির্বাচিত হন। 

২০০৯ সালে তিনি বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। 

২০১৬ সাল থেকে বিএনপি’র কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার সম্পাদকের দায়িত্বের পাশাপাশি তিনি বর্তমানে বিএনপি’র ত্রাণ ও পুনর্বাসন কমিটির সমন্বয়ক, বিএনপি মিডিয়া সেলের সদস্য সচিব ও লক্ষ্মীপুর জেলা বিএনপি’র আহবায়কের দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

বর্তমানে তিনি ২০২৬ সালে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তৃতীয়বারের মতো লক্ষ্মীপুর সদর-৩ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং বিএনপি’র নেতৃত্বাধীন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। 

পূর্বে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের একজন রাজনীতিবিদ এবং লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর উপজেলা) আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন এবং ২০০১ ও ২০০৮ সালের নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। 

তিনি লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর উপজেলা) থেকে ২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ ও ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।

অষ্টম জাতীয় সংসদে তিনি শিক্ষা মন্ত্রণালয় সংসদীয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ছিলেন। 

নবম জাতীয় সংসদে তিনি বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি এবং বিজ্ঞান ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

২০০১-২০০৮ সাল পর্যন্ত তিনি সর্বদলীয় সংসদীয় গ্রুপ (এপিপিজি)’র ভাইস চেয়্যারম্যান নির্বাচিত হন।

২০১০ সালে তিনি এই দলের ভাইস চেয়্যারম্যান হিসেবে নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সভায় প্রতিনিধিত্ব করেন। 

২০১৩ সালে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ (ভারপ্রাপ্ত) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

পারিবারিক জীবনে তিনি পারভীন আক্তার চৌধুরীর সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। এই দম্পতির দুই পুত্র ও এক কন্যা সন্তানের রয়েছে।

রাষ্ট্র সমাজ ও পরিবারের প্রতি দায়িত্বশীল মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি রাজনীতিতে সততা, নিষ্ঠা ও পরিশ্রম ও নৈতিকতার আদর্শ ধারণ করে রাজনীতি, সমাজসেবা ও কর্মজীবনে সমানভাবে অবদান রেখেছেন।





শারীরিক শিক্ষা শিক্ষক এসোসিয়েশনের ভোলা জেলা পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন

শারীরিক শিক্ষা শিক্ষক এসোসিয়েশনের ভোলা জেলা পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন

মনপুরায় ১০ গ্রামে অধিকাংশ এলাকায় জলাবদ্ধতায় পানিবন্দি ১৫ হাজার বাসিন্দা

মনপুরায় ১০ গ্রামে অধিকাংশ এলাকায় জলাবদ্ধতায় পানিবন্দি ১৫ হাজার বাসিন্দা

সারা দেশের সাথে নৌযোগাযোগ বন্ধ, বিচ্ছিন্ন মনপুরা

সারা দেশের সাথে নৌযোগাযোগ বন্ধ, বিচ্ছিন্ন মনপুরা

চরফ্যাশনে নিরাপদ প্রসব নিশ্চিতে ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রে জরুরি ওষুধ বিতরণ

চরফ্যাশনে নিরাপদ প্রসব নিশ্চিতে ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রে জরুরি ওষুধ বিতরণ

আসুন ‘সবুজ বসতি’ গড়ে তুলি : প্রধানমন্ত্রী

আসুন ‘সবুজ বসতি’ গড়ে তুলি : প্রধানমন্ত্রী

আগামী সংসদ নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হবে: আইনমন্ত্রী

আগামী সংসদ নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হবে: আইনমন্ত্রী

আধুনিক ও সময়োপযোগী জাতিসংঘ পুলিশ গঠনের আহ্বান বাংলাদেশের

আধুনিক ও সময়োপযোগী জাতিসংঘ পুলিশ গঠনের আহ্বান বাংলাদেশের

স্থানীয় নির্বাচন: চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ ৩১ আগস্ট

স্থানীয় নির্বাচন: চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ ৩১ আগস্ট

জাতীয় পরিবেশ পদক পেলেন ৩ ব্যক্তি ও ৩ প্রতিষ্ঠান

জাতীয় পরিবেশ পদক পেলেন ৩ ব্যক্তি ও ৩ প্রতিষ্ঠান

বার কাউন্সিলের মতো সাংবাদিক নিবন্ধনের ব্যবস্থা হচ্ছে: তথ্যমন্ত্রী

বার কাউন্সিলের মতো সাংবাদিক নিবন্ধনের ব্যবস্থা হচ্ছে: তথ্যমন্ত্রী

আরও...