অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, বৃহঃস্পতিবার, ৯ই জুলাই ২০২৬ | ২৫শে আষাঢ় ১৪৩৩


ভোলায় কোরবানি ঘিরে লাভের আশায় দিন-রাত পরিশ্রম করছেন খামারিরা


বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৩ই মে ২০২৬ রাত ০৮:২৫

remove_red_eye

১১৯

বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক : প্রাকৃতিক উপায়ে গরু মোটাতাজাকরণে ব্যস্ত সময় পার করছেন ভোলার খামারিরা। কোরবানি ঈদ সামনে রেখে খামারে খামারে এমন ব্যস্ততা চলছে বেশ কয়েকদিন থেকে।
এ সময় খামারিরা গরুর পরিচর্যা ও স্বাস্থ্যগত দিকগুলো গুরুত্ব সহকারে দেখছেন।
জানা গেছে, ভোলার স্থানীয় বাজারের পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন জেলায় ভোলার গরুর ব্যাপক চাহিদা থাকায় এবারও লাভের আশায় দিন-রাত পরিশ্রম করছেন খামারিরা।
তবে সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় গরু প্রবেশ করলে দেশীয় খামারিরা ক্ষতির মুখে পড়তে পারেন-এমন আশঙ্কায় উদ্বিগ্ন অনেক খামারি।
ভোলা সদরের বিভিন্ন গরুর খামার ঘুরে দেখা গেছে, খামারিরা সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত গরুর পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন।
 কেউ ঘাস কাটছেন, কেউ খৈল-কুঁড়া প্রস্তুত করছেন, আবার কেউ বিশুদ্ধ পানি ছিটিয়ে গরুকে গোসল করিয়ে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখছেন। পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি অনেক খামারে অতিরিক্ত শ্রমিকও কাজ করছেন।
এবার খামারিদের দাবি, প্রাকৃতিক পরিবেশে ও দেশীয় খাবার খাইয়ে গরু মোটাতাজাকরণ করায় এসব গরুর মাংস স্বাস্থ্যসম্মত ও নিরাপদ হয়। তাই বাজারে ভালো দাম পাবেন বলে আশা করছেন তারা।
ভোলা সদর উপজেলার ইলিশা এলাকার খামারি রিয়াদ হোসেন ও আকবর বলেন, গত কয়েক বছর ধরেই কোরবানির জন্য স্থানীয় প্রাকৃতিক খাবার খাইয়ে কোনো ধরনের ওষুধ বা ইনজেকশন ছাড়াই গরু প্রস্তুত করছি। এসব গরুর চাহিদা বাজারে সবচেয়ে বেশি।
পরানগঞ্জ এলাকার খামারি শহিদুল ইসলাম বলেন, সরকারি ঋণ নিয়ে এই ব্যবসা করছি। গরুগুলো ঠিকভাবে বিক্রি করতে পারলে লাভের মুখ দেখব ইনশাআল্লাহ।
তবে পশুখাদ্য, ওষুধ ও শ্রমিকের বাড়তি খরচে চাপের মুখে রয়েছেন অনেক খামারি। তাদের আশঙ্কা, ভারতীয় গরু বাজারে প্রবেশ করলে দেশীয় গরুর দাম কমে যেতে পারে।
ভোলা সদরের চর সামাইয়া এলাকার খামারি মকবুল মিয়া বলেন, স্থানীয় গরুগুলো বিক্রি করার সুযোগ থাকলে আমরা লাভবান হব। কিন্তু বাইরে থেকে, বিশেষ করে ভারতীয় গরু প্রবেশ করলে আমাদের লোকসান হবে।
একই ধরনের আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন খামারি মো. রিপন। তিনি বলেন, ‘ব্যাংক ও এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে গরুর ব্যবসা করছি। ভারতীয় গরু ঢুকলে দেশীয় গরুর দাম পড়ে যাবে। তাই সরকার ও প্রশাসনের কাছে দাবি, যেন ভারতীয় গরু বাজারে প্রবেশ করতে না পারে।

এদিকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কেমিক্যাল ব্যবহার করে গরু মোটাতাজাকরণ বা অসুস্থ পশু যাতে হাটে বিক্রি করা না হয়, সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি থাকবে।
এ বিষয়ে ভোলা জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম খান বলেন, জেলায় ৪৯টি স্থায়ী ও ১০৩টি অস্থায়ী পশুর হাট বসবে। 
প্রাণিসম্পদ বিভাগের ২৪টি মোবাইল টিম মাঠে কাজ করবে। কোনো গরু অসুস্থ বা অস্বাভাবিক মনে হলে সঙ্গে সঙ্গে পরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, এবারের ঈদে ভোলায় কোরবানির জন্য গরুর চাহিদা রয়েছে ৮১ হাজার ২০টি। এর বিপরীতে প্রস্তুত রয়েছে প্রায় ১ লাখ ৩ হাজার কোরবানিযোগ্য গরু। ফলে জেলার চাহিদা মিটিয়ে দেশের অন্যান্য জেলাতেও ভোলার গরু সরবরাহ করা সম্ভব হবে বলে আশা সংশ্লিষ্টদের।





বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের ব্যানার-ফেস্টুনে ছিল না প্রধানমন্ত্রীর কোন ছবি

বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের ব্যানার-ফেস্টুনে ছিল না প্রধানমন্ত্রীর কোন ছবি

৯ জুলাই আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে সারাদেশে, বাংলা ব্লকেড কর্মসূচি ঘোষণা

৯ জুলাই আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে সারাদেশে, বাংলা ব্লকেড কর্মসূচি ঘোষণা

মনপুরায় টানা বর্ষণ ও জোয়ারের পানিতে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

মনপুরায় টানা বর্ষণ ও জোয়ারের পানিতে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

ভোলায় সাড়ে ৫ কোটি টাকার নিষিদ্ধ পলিথিন ও কারেন্ট জাল জব্দ

ভোলায় সাড়ে ৫ কোটি টাকার নিষিদ্ধ পলিথিন ও কারেন্ট জাল জব্দ

উত্তাল সাগরে যেতে পারছেনা শতশত ট্রলার কর্মহীন হয়ে পড়েছেন হাজারো জেলে

উত্তাল সাগরে যেতে পারছেনা শতশত ট্রলার কর্মহীন হয়ে পড়েছেন হাজারো জেলে

মনপুরায় প্রকল্প কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দেড় কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

মনপুরায় প্রকল্প কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দেড় কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

ভোলায় শিক্ষা সুরক্ষা প্রকল্পের কর্মপরিকল্পনা ও পর্যালোচনা সভা

ভোলায় শিক্ষা সুরক্ষা প্রকল্পের কর্মপরিকল্পনা ও পর্যালোচনা সভা

রোহিঙ্গা সংকটের শান্তিপূর্ণ ও দ্রুততম সমাধানে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ : প্রধানমন্ত্রী

রোহিঙ্গা সংকটের শান্তিপূর্ণ ও দ্রুততম সমাধানে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ : প্রধানমন্ত্রী

ইতিহাস চর্চাই জাতির আত্মপরিচয় ও ভবিষ্যৎ নির্মাণের ভিত্তি : ডেপুটি স্পিকার

ইতিহাস চর্চাই জাতির আত্মপরিচয় ও ভবিষ্যৎ নির্মাণের ভিত্তি : ডেপুটি স্পিকার

২০৪০ সালে ৩০ শতাংশ নবায়নযোগ্য বিদ্যুতের লক্ষ্য সরকারের : জ্বালানি মন্ত্রী

২০৪০ সালে ৩০ শতাংশ নবায়নযোগ্য বিদ্যুতের লক্ষ্য সরকারের : জ্বালানি মন্ত্রী

আরও...