অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, সোমবার, ২৫শে মে ২০২৬ | ১১ই জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩


ঈদযাত্রায় অতিরিক্ত ভাড়া নিলেই ব্যবস্থা: ডিএমপি কমিশনার


বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৫শে মে ২০২৬ বিকাল ০৫:১৪

remove_red_eye

৩৩

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের নির্বিঘ্ন যাতায়াত ও রাজধানীবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিতে ব্যাপক নিরাপত্তা ও বিশেষ ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা গ্রহণ করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। একই সঙ্গে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ পেলেই তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ।

 

সোমবার (২৫ মে) দুপুরে রাজধানীর গাবতলী বাস টার্মিনাল ও গাবতলী পশুর হাট পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করতে রাজধানীজুড়ে বিশেষ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

 
পশুর হাট, বাস টার্মিনাল, ব্যাংক, ঈদের জামাত ও ঈদের ছুটিতে ফাঁকা ঢাকার নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

 

তিনি বলেন, ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের নির্ধারিত প্রতিটি পশুর হাটে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তাবলয় গড়ে তোলা হয়েছে।

প্রতিটি হাটে দৃশ্যমান পুলিশ উপস্থিতির পাশাপাশি সাব-কন্ট্রোল রুম ও ওয়াচ টাওয়ার স্থাপন করা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সহায়তায় প্রতিটি হাটে জাল নোট শনাক্তকারী মেশিন রাখা হয়েছে।

 

মোসলেহ উদ্দিন আহমদ বলেন, জাল নোট চক্র, অজ্ঞান পার্টি ও মলম পার্টির তৎপরতা ঠেকাতে ডিবিসহ সাদা পোশাকের পুলিশের বিশেষ টিম ২৪ ঘণ্টা মোতায়েন রয়েছে। অধিক পরিমাণ নগদ অর্থ পরিবহনের ক্ষেত্রে মানি এসকর্ট সার্ভিস চালু রাখা হয়েছে। নিয়মিত টহলের পাশাপাশি অতিরিক্ত মোবাইল টিম, ফুট পেট্রোল ও চেকপোস্ট কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, পশুর হাটগুলোতে পর্যাপ্ত সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি মনিটরিং করা হচ্ছে। ঢাকার প্রবেশপথ যেমন গাবতলী, উত্তরা ও যাত্রাবাড়ীতে চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। পশুবাহী ট্রাক নির্ধারিত হাট ছাড়া অন্য কোথাও যেন জোরপূর্বক নামানো না হয়, সে বিষয়েও নজরদারি রয়েছে।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, ঈদের আগে লাখো মানুষ ঢাকা ছাড়ছেন। তাদের যাত্রা নিরাপদ ও যানজটমুক্ত রাখতে বাস, লঞ্চ টার্মিনাল ও রেলস্টেশনগুলোতে পুলিশ কন্ট্রোল রুম ও ওয়াচ টাওয়ার স্থাপন করা হয়েছে। সায়েদাবাদ, মহাখালী, গাবতলী বাস টার্মিনাল, সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল ও কমলাপুর রেলস্টেশনে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

তিনি জানান, যাত্রী হয়রানি, অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ও ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহন ঠেকাতে ডিএমপির স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটরা মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করছেন। হাইওয়ে পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় করে ঢাকার প্রবেশ ও বের হওয়ার পথগুলো যানজটমুক্ত রাখার কাজ চলছে।

মহাসড়কে ফিটনেসবিহীন যানবাহন ও যত্রতত্র পার্কিংয়ের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি। পাশাপাশি পশুর হাটের কারণে প্রধান সড়কে যানজট এড়াতে হাটের সীমানার বাইরে রাস্তা বা ফুটপাতে পশু রাখতে না দেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে।

গাড়িতে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের বিষয়ে জানতে চাইলে ডিএমপি কমিশনার বলেন, প্রত্যেক টার্মিনালে আমাদের স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কাজ করছেন। বিআরটিএ ভিজিল্যান্স টিমও মাঠে রয়েছে। কোনো অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তারা ব্যবস্থা নিচ্ছেন। আমাদের নজরে এলেও তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।