বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক
প্রকাশিত: ৫ই জুন ২০২৬ সন্ধ্যা ০৬:৪৪
৫৯
অনিরাপদ ও দূষিত খাদ্য গ্রহণের কারণে বিশ্বজুড়ে প্রতি বছর আনুমানিক ৮৬ কোটি ৬০ লাখ মানুষ বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন এবং প্রায় ১৫ লাখ মানুষের মৃত্যু হচ্ছে, যার বেশিরভাগই শিশু। জাতিসংঘের বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে এই ভয়াবহ তথ্য উঠে এসেছে।
আগামী ৭ জুন বিশ্ব খাদ্য নিরাপত্তা দিবস উপলক্ষে গতকাল বৃহস্পতিবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে ডব্লিউএইচও জানিয়েছে, প্রতি বছর যক্ষা, এইডস এবং ম্যালেরিয়ার মতো রোগে যত মানুষ মারা যায়, সেসবের তুলনায় অনিরাপদ খাদ্য গ্রহণের কারণে মৃত্যুর সংখ্যা কোনো অংশেই কম নয়। দূষিত খাবার ও পানিবাহিত নানা রোগ—যেমন ডায়রিয়া, হেপাটাইটিস এ, টাইফয়েড এবং বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়া (যেমন- সালমোনেলা ও ই-কোলাই) সংক্রমণ এই বিপুল সংখ্যক মৃত্যুর প্রধান কারণ।
প্রতিবেদনে দেখা গেছে, পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুরা দূষিত ও অনিরাপদ খাবার খেয়ে অসুস্থ হওয়ার ক্ষেত্রে বয়স্কদের তুলনায় প্রায় তিন গুণ বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে। বৈশ্বিক জনসংখ্যার মাত্র ৯ শতাংশ এই বয়সের শিশুরা হলেও সামগ্রিক ফুডবর্ন ডিজিজ বা খাদ্যবাহিত রোগে আক্রান্ত হওয়া মোট রোগীর সংখ্যার প্রায় এক-তৃতীয়াংশই হলো এই নিষ্পাপ শিশুরা।
ডব্লিউএইচও-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০০০ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত নিজেদের সব সদস্যরাষ্ট্র অর্থাৎ ১৯৪টি দেশের ওপর জরিপ চালিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। এই জরিপে এসব দেশের খাবারে ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস এবং রাসায়নিক দূষণসহ মোট ৪২টি খাদ্যবাহিত ঝুঁকি ও রোগের কারণে মৃত্যুর হার সবচেয়ে বেশি দেখা গেছে।
জরিপে আরও উঠে এসেছে, ২০২১ সালে খাদ্যজনিত কারণে হওয়া মোট মৃত্যুর ৭৩ শতাংশেরই মূল কারণ ছিল রাসায়নিক দূষণ, যার মধ্যে মূলত অজৈব আর্সেনিক এবং সিসার বিষক্রিয়ার কারণেই ১০ লাখের বেশি মানুষ মারা গেছেন, যা মানবদেহে হৃদরোগ ও ক্যানসারের ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বিশ্বের মোট খাদ্যজনিত অসুস্থতার প্রায় তিন-চতুর্থাংশ এবং সামগ্রিক মৃত্যুর ৬০ শতাংশই ঘটে থাকে মূলত আফ্রিকা এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলে, যা বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তন, অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স বা অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধের কার্যকারিতা হ্রাস এবং খাদ্য ব্যবস্থার বৈষম্যের কারণে এই ঝুঁকি দিন দিন আরও ভয়াবহ হচ্ছে।
ডব্লিউএইচও জানিয়েছে, উন্নত পানি সরবরাহ, জনস্বাস্থ্য ও পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্য অভ্যাস এবং উন্নত স্বাস্থ্যসেবা প্রাপ্তি নিশ্চিত করার মাধ্যমে এই বিপুল সংখ্যক মানুষের অসুস্থতা ও অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু প্রতিরোধ করা সম্ভব। এক্ষেত্রে বিশ্বের সব দেশের সরকারকে নজরদারি জোরদার এবং খাদ্য নিরাপত্তা বিধি আরও কঠোর করার আহ্বান জানিয়েছে বৈশ্বিক এই সংস্থাটি।
প্রতিবেদনটির গুরুত্ব তুলে ধরে সংস্থাটির মহাপরিচালক তেদরোস আধানোম গেব্রেউসুস বলেছেন, খাদ্য নিরাপত্তা কোনো কাল্পনিক বা বিমূর্ত বিষয় নয়, এটি প্রতিটি দিনের প্রতিটি পরিবারের প্রতিটি বেলার আহারের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত।
সরকারি শূন্য পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া দ্রুত শুরু করবে সরকার : প্রধানমন্ত্রী
শান্তিরক্ষায় ভবিষ্যতে মিশনগুলো হতে হবে আরও দূরদর্শী ও প্রযুক্তিনির্ভর : প্রধানমন্ত্রী
কাল সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী
জেডআরএফ-এর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও বিজ্ঞান মেলার উদ্বোধন করলেন ডা. জুবাইদা রহমান
বিনিয়োগ প্রক্রিয়া সহজ করার পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
৪৮ হাজার টাকা পর্যন্ত কমলো হার্টের রিংয়ের দাম
বিয়ে বিতর্কে নাসির-তামিমার জয়, উচ্চ আদালতে যাবেন রাকিব
স্মারকলিপি জমা, ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকদের
মনপুরায় নিষিদ্ধ সেই ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার মামলা
মনপুরা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে একমাত্র অ্যাম্বুলেন্স বিকল
ভোলায় বিষের বোতল নিয়ে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকা
ভোলায় পাঁচ সন্তানের জননীকে গলা কেটে হত্যা
উৎসবের ঋতু হেমন্ত কাল
ভোলার ৪৩ এলাকা রেড জোন চিহ্নিত: আসছে লকডাউনের ঘোষনা
ভোলায় বাবা-মেয়ে করোনায় আক্রান্ত, ৪৫ বাড়ি লকডাউন
ভোলায় এবার কলেজ ছাত্র হত্যা, মাটি খুঁড়ে লাশ উদ্ধার
ঢাকা-ভোলা নৌ-রুটের দিবা সার্ভিসে যুক্ত হলো এমভি দোয়েল পাখি-১র
কাশফুল জানান দিচ্ছ বাংলার প্রকৃতিতে এখন ভরা শরৎ
জাতীয় সংসদে জাতির পিতার ছবি টানানোর নির্দেশ
ভোলায় প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন করোনা রোগী: এলাকায় আতংক