বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৯শে জুন ২০২৬ বিকাল ০৩:৩৩
৮৬
দেশের বেসরকারি এতিমখানাগুলোর শিশুদের খাদ্য ও মৌলিক চাহিদা পূরণে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের দ্বিতীয় কিস্তির সরকারি ভাতা হিসেবে ১৪০ কোটি ১১ লাখ ৮ হাজার টাকা বরাদ্দ দিয়েছে সরকার।
সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের পর এ অর্থ দেশের ৬৪ জেলার ৪ হাজার ২০৯টি বেসরকারি এতিমখানার ১ লাখ ১৬ হাজার ৭৫৯ জন এতিম শিশুর অনুকূলে মঞ্জুর করা হয়েছে।
সমাজসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহ মোহাম্মদ মাহবুব স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে সম্প্রতি এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
আদেশে বলা হয়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটে ‘বেসরকারি এতিমখানা’ খাতে বরাদ্দকৃত অর্থ থেকে দ্বিতীয় কিস্তির অনুদান হিসেবে এ অর্থ ছাড় করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট অর্থ সমাজসেবা অফিসার ও উপজেলা বা শহর সমাজসেবা কার্যালয়ের অনুকূলে ন্যস্ত করা হয়েছে, যাতে তারা নির্ধারিত নীতিমালা অনুসরণ করে এতিমখানাগুলোর মধ্যে অর্থ বিতরণ করতে পারেন।
সমাজসেবা অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি অর্থবছরে ‘বেসরকারি এতিমখানা’ খাতে মোট ২৮০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর মধ্যে প্রথম কিস্তিতে ১৩৯ কোটি ৮৮ লাখ ৭৬ হাজার টাকা ছাড় করা হয়েছিল।
দ্বিতীয় কিস্তিতে আরও ১৪০ কোটি ১১ লাখ ৮ হাজার টাকা মঞ্জুর করায় পুরো বরাদ্দ অর্থই কার্যত বিতরণের আওতায় চলে এসেছে।
বরাদ্দের হিসাব অনুযায়ী, নিবন্ধিত বেসরকারি এতিমখানাগুলোতে বসবাসরত ১ লাখ ১৬ হাজার ৭৫৯ জন এতিম শিশুর জন্য মাসিক ২ হাজার টাকা হারে ৬ মাসের অনুদান দেওয়া হবে।
অর্থাৎ ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত সময়ের জন্য প্রতিটি শিশুর অনুকূলে মোট ১২ হাজার টাকা বরাদ্দ নির্ধারণ করা হয়েছে।
এই অর্থ মূলত খাদ্যদ্রব্য ক্রয় এবং শিশুদের মৌলিক জীবনযাপনের প্রয়োজন মেটাতে ব্যয় করা হবে।
সমাজসেবা অধিদপ্তর জানিয়েছে, এতিম শিশুদের কল্যাণ ও সুরক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকার দীর্ঘদিন ধরে সরকারি অনুদান কর্মসূচি পরিচালনা করছে।
এ কর্মসূচির আওতায় নিবন্ধিত বেসরকারি এতিমখানাগুলোতে অবস্থানরত শিশুদের খাদ্য, পুষ্টি ও অন্যান্য মৌলিক চাহিদা পূরণে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়।
ফলে সমাজের সুবিধাবঞ্চিত ও অভিভাবকহীন শিশুদের নিরাপদ পরিবেশে বেড়ে ওঠার সুযোগ তৈরি হয়।
অফিস আদেশে আরও বলা হয়েছে, অর্থ বিতরণের ক্ষেত্রে ‘সরকারি অনুদান বরাদ্দ ও বণ্টন নীতিমালা-২০১৪’ কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে।
সংশ্লিষ্ট সমাজসেবা কর্মকর্তাদের নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী অর্থ ছাড় ও ব্যবহারের বিষয়টি তদারকির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
একই সঙ্গে বরাদ্দকৃত অর্থ যথাযথভাবে ব্যয় হচ্ছে কি না, তা নিশ্চিতে মাঠপর্যায়ে নিয়মিত মনিটরিং চালানোর কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় এতিম শিশুদের জন্য এ ধরনের সহায়তাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
তাদের মতে, দেশে অনেক এতিমখানা সীমিত আর্থিক সক্ষমতার মধ্যে পরিচালিত হয়। ফলে সরকারি অনুদানে এসব প্রতিষ্ঠানের জন্য বড় ধরনের সহায়তা হিসেবে কাজ করে।
বিশেষ করে খাদ্য ব্যয়, পুষ্টি নিশ্চিতকরণ এবং শিশুদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রার মান বজায় রাখতে এই অর্থ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ও সমাজসেবা অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা আশা প্রকাশ করেছেন, বরাদ্দকৃত অর্থ যথাসময়ে বিতরণ হলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের হাজার হাজার এতিম শিশুর জীবনমান উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
পাশাপাশি বেসরকারি এতিমখানাগুলোর পরিচালন ব্যয় নির্বাহেও এ অনুদান গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।
স্থানীয় নির্বাচন: চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ ৩১ আগস্ট
জাতীয় পরিবেশ পদক পেলেন ৩ ব্যক্তি ও ৩ প্রতিষ্ঠান
বার কাউন্সিলের মতো সাংবাদিক নিবন্ধনের ব্যবস্থা হচ্ছে: তথ্যমন্ত্রী
শিল্প ভালো না হলে অর্থনীতি শক্তিশালী হবে না: অর্থমন্ত্রী
প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য : স্বাস্থ্যমন্ত্রী
পরাজিত শক্তির বিরুদ্ধে গণতান্ত্রিক শক্তিকে সচেতন থাকতে হবে: রিজভী
তথ্যমন্ত্রীর সাথে মিশরের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাতে যৌথ মিডিয়া ফোরাম গঠনের প্রস্তাব
সরকারি হিসাবে ৭ লাখ দেখালেও গাছ লাগানো হয়েছে ২ লাখ: প্রধানমন্ত্রী
উত্তর-পূর্ব ভারতে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা, প্রভাব পড়তে পারে বাংলাদেশে
পলাতক শেখ হাসিনার বক্তব্য দেশে প্রাসঙ্গিক নয়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
ভোলায় বিষের বোতল নিয়ে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকা
ভোলায় পাঁচ সন্তানের জননীকে গলা কেটে হত্যা
উৎসবের ঋতু হেমন্ত কাল
ভোলার ৪৩ এলাকা রেড জোন চিহ্নিত: আসছে লকডাউনের ঘোষনা
ভোলায় বাবা-মেয়ে করোনায় আক্রান্ত, ৪৫ বাড়ি লকডাউন
ভোলায় এবার কলেজ ছাত্র হত্যা, মাটি খুঁড়ে লাশ উদ্ধার
ঢাকা-ভোলা নৌ-রুটের দিবা সার্ভিসে যুক্ত হলো এমভি দোয়েল পাখি-১র
কাশফুল জানান দিচ্ছ বাংলার প্রকৃতিতে এখন ভরা শরৎ
জাতীয় সংসদে জাতির পিতার ছবি টানানোর নির্দেশ
ভোলায় প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন করোনা রোগী: এলাকায় আতংক