অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই ২০২৬ | ১৩ই শ্রাবণ ১৪৩৩


জুলাইকে অস্বীকার করে রাজনীতিতে ফিরে আসা অনেক কঠিন : আন্দালিব রহমান পার্থ


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৮শে জুলাই ২০২৬ সন্ধ্যা ০৭:৩৩

remove_red_eye

৩৫

নদী ভাঙ্গন কবলিত এলাকা ও খাল খনন কাজ পরিদর্শন

মলয় দে : কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত দল আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা আগামী ডিসেম্বরে দেশে ফিরবেন এমন বক্তব্যের কোনো বাস্তবতা নেই বলে মন্তব্য করেছেন ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ। তার ভাষ্য, “দল টিকিয়ে রাখার জন্য এটি একটি রাজনৈতিক বক্তব্য ছাড়া আর কিছুই নয়। এ কথার কোনো বাস্তবতা নেই।”
তিনি আরও বলেছেন, “জুলাইকে অস্বীকার করে রাজনীতিতে ফিরে আসা অনেক কঠিন হয়ে যাবে। যে রক্ত, যে আত্মত্যাগ এবং মানুষের যে মানসিকতা তৈরি হয়েছে, তা অস্বীকার করে রাজনীতির কথা চিন্তা করাও কঠিন।”গত জুলাই আন্দোলনের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেছেন, “দুই বছর আগে এ সময় আমি নিজেও রিমান্ডে ছিলাম।  যেই রক্ত, যেই আত্মত্যাগ এবং এখনকার মানুষের যে মাইন্ডসেট এতে জুলাইকে অস্বীকার করে রাজনীতির কথা চিন্তা করাও কঠিন। 
সোমবার (২৭জুলাই) বিকেল ৩টার দিকে ভোলা সদর উপজেলার শিবপুর ইইনয়নের মাছঘাট এলাকার নদী ভাঙন এলাকা ও  খাল খনন কাজ পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ সব কথা বলেন। 

আন্দালিব রহমান পার্থ বলেন, বিগত ১৭বছর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় ছিলো। এখানে (ভোলায়) আওয়ামী লীগের অনেক বড় নেতা ছিলো। এতে করে বেসিক এই স্ট্রাকচারাল কাজগুলো হয়ে যাওয়া উচিত ছিলো। তারপর গত দুই বছর আরেকটা সরকার ক্ষমতায় ছিলো। ওই সরকারের সময় আমরা ভোলার ভাঙনরোধে উপদেষ্টাদের সাথে কথা বলে কাজটি করার চেষ্টা করেছি। কিন্তু এতো বড় কাজ ওনারা খুব একটা আমলে না নিয়ে গড়িমসি করছিলেন, এই জন্য আমার করতে পারেনি। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর আমরা এটিকে পূর্নতা দিতে পেরেছি। আশা করছি আগামী এক নেকের মিটিংয়ে ভোলা নদী ভাঙন প্রকল্পটি উঠাতে পারবো। আপাদত দেড় মাসের জন্য জিও ব্যাগ দিয়ে যেভাবে ভাঙনরোধ করা যায় সেটি চেষ্টা করছি। আমার বিশ্বাস এক থেকে দের মাসের মধ্যে বরাদ্ধ পেয়ে গেলে বর্ষার পর কাজ আরাম্ভ হবে।

তিনি আরো বলেন, ভোলা সদর উপজেলায় যে খালগুলো খনন করা হয়েছে এগুলো সঠিকভাবে হয়েছে কি না সেগুলো আমরা সরেজমিনে দেখছি। যদি কোনো ক্রটি দেখা যায় তাহলে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারদের দিয়ে পুনরায় সঠিক নিয়মে খনন কাজ করানো হবে। এক কথায় প্রশাসনের মাধ্যমে ঠিকাদারদের কাছ থেকে পুরোপুরি কাজ বুঝে নেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে স্থানীয়দেরও মতামত নিচ্ছি। তারা খাল খননে কি  কি অসংগতি দেখছেন, সেটি বিবেচনা করেই পুনারায় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এক কথায় কাজটি ঠিক মতো হচ্ছে কি না এ বিষয়ে প্রশাসনের পাশাপাশি সকলের সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। 

এ সময় ভোলা পানি উন্নয়ন বোর্ড-২ এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জিয়া উদ্দিন আরিফ, সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা সজল কুমার দাস, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) জেলা সভাপতি আমিরুল ইসলাম রতন, সাধারণ সম্পাদক মো. মোতাছিম বিল্লাহসহ প্রশাসনের উর্ধতন কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।