বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৭শে নভেম্বর ২০২০ রাত ১০:০৫
৭৬৯
বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক : ভোলার ভেলুমিয়াসহ বেশ কয়েক স্থানে কৃত্রিম প্রজনন কর্মী দিয়ে মাঠ পর্যায়ে গরু মহিষের চিকিৎসা করতে গিয়ে ভুল চিকিৎসায় গরু ও মহিষ মারা যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। বুধবার রাতে ভেলুমিয়া শরীফখা বাজার এলাকায় ভুল চিকিৎসায় আড়াই লক্ষ টাকা মূল্যের একটি মহিষ মারা যাওয়া নিয়ে বৃহস্পতিবার এলাকায় উত্তেজনা অব্যাহত থাকে। ৪ মাসের প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত কৃত্রিম প্রজনন কর্মী হাসানের উপর চড়াও হন স্থানীয়রা। এ ঘটনায় ইউনিয়ন পরিষদে সালিশী বৈঠক ডাকা হয়। এর আগে ইলিশা ও বাপ্তাসহ বিভিন্ন এলাকায় ভুল চিকিৎসার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করে স্থানীয়রা। অভিযোগ রয়েছে ইউনিয়ন পর্যায়ে ডাক্তাররা না গিয়ে প্রজনন কর্মীদের দিয়ে চিকিৎসা পত্র দিচ্ছেন। আবার ডাক্তারি ফিও আদায় করছেন।
অভিযোগ রয়েছে, সদর উপজেলায় মাঠ পর্যায়ে মহিষের চিকিৎসার জন্য ৪ জন ডিপ্লোমা ডিগ্রিধারী অভিজ্ঞ উপসহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা রয়েছেন। যারা অসুস্থ্য প্রাণিদের চিকিৎসা দেয়ার নির্দেশ রয়েছে। এদের মাঠ পর্যায়ে তেমনটা দেখা যায় না। মহিষ মালিক পক্ষের অভিযোগ ওই দিনও অভিজ্ঞদের না পাঠিয়ে ইউনিয়ন পর্যায়ে কৃত্রিম প্রজনন কর্মীদের দিয়ে চিকিৎসা দেয়ার নির্দেশ ছিল ভুল সিদ্ধান্ত। ওই নির্দেশ দেয়ার অভিযোগ রয়েছে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ দীনেশ চন্দ্র মজুমদারের বিরুদ্ধে। তিনি অবশ্য জানান, শরীফখা বাজারের মানিক জমাদারের মহিষটির কাশি,সর্দি ও পাতলা পায়খানা হচ্ছিল বলে রাত ৯টায় ফোনে মাঠকর্মী হাসান তথ্য দেন। ডিডিনীল পাউডার ও হিস্টানল ইনজেকশন পুলিশ করতে কৃত্রিম প্রজনন কর্মী হাসানকে নির্দেশ দেয়া হয়ে ছিল। ওই ইনজেকশনের পরেই মহিষটি মারা যায় বলে মালিক পক্ষের অভিযোগ। তবে ডাঃ দীনেশ জানান, ওই ওষুধে মহিষ মারা যাওয়ার কথা নয়।
জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ইন্দ্রজীত মন্ডল জানান, প্রাণির চিকিৎসার দায়িত্ব কেবল ডিগ্রিধারী চিকিৎসকের। কোন প্রজনন কর্মীর চিকিৎসা দেয়ার কথা নয়। ভেলুমিয়া ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি আব্দুস সালাম মাস্টার জানান, কি কারনে মহিষটি মারা গেছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।এদিকে মহিষের মালিকসহ স্থানীয়রা ক্ষতিপূরণসহ দোষীদের বিচার দাবি করেন। স্থানীয়দের অভিযোগ ইউনিয়ন পর্যায়ে গরু মহিষের প্রজননের জন্য একজন করে মাঠ কর্মী নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এরাই এখন ডাক্তারের ভুমিকায় চিকিৎসা পত্র দিয়ে ফি আদায় করেন। ্এর ভাগ পান উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তারা। অপরদিকে বিভিন্ন খামারীদের অভিযোগ গরু মহিষের চিকিৎসার জন্য তারা তেমন কোন সরকারি ওষুধপত্র পান না। ব্যক্তিগত উদ্যোগেই মূলত বেশিরভাগ গরুমহিষ পালন হচ্ছে। জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা অবশ্য জানান, সরকারি বরাদ্দ উপজেলা প্রাণি সম্পদ বিভাগ থেকে বন্টনের নির্দেশ রয়েছে। অভিযোগ পেলে তারা তদন্ত করে দেখবেন।
শারীরিক শিক্ষা শিক্ষক এসোসিয়েশনের ভোলা জেলা পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন
মনপুরায় ১০ গ্রামে অধিকাংশ এলাকায় জলাবদ্ধতায় পানিবন্দি ১৫ হাজার বাসিন্দা
সারা দেশের সাথে নৌযোগাযোগ বন্ধ, বিচ্ছিন্ন মনপুরা
চরফ্যাশনে নিরাপদ প্রসব নিশ্চিতে ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রে জরুরি ওষুধ বিতরণ
আসুন ‘সবুজ বসতি’ গড়ে তুলি : প্রধানমন্ত্রী
আগামী সংসদ নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হবে: আইনমন্ত্রী
আধুনিক ও সময়োপযোগী জাতিসংঘ পুলিশ গঠনের আহ্বান বাংলাদেশের
স্থানীয় নির্বাচন: চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ ৩১ আগস্ট
জাতীয় পরিবেশ পদক পেলেন ৩ ব্যক্তি ও ৩ প্রতিষ্ঠান
বার কাউন্সিলের মতো সাংবাদিক নিবন্ধনের ব্যবস্থা হচ্ছে: তথ্যমন্ত্রী
ভোলায় বিষের বোতল নিয়ে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকা
ভোলায় পাঁচ সন্তানের জননীকে গলা কেটে হত্যা
উৎসবের ঋতু হেমন্ত কাল
ভোলার ৪৩ এলাকা রেড জোন চিহ্নিত: আসছে লকডাউনের ঘোষনা
ভোলায় বাবা-মেয়ে করোনায় আক্রান্ত, ৪৫ বাড়ি লকডাউন
ভোলায় এবার কলেজ ছাত্র হত্যা, মাটি খুঁড়ে লাশ উদ্ধার
ঢাকা-ভোলা নৌ-রুটের দিবা সার্ভিসে যুক্ত হলো এমভি দোয়েল পাখি-১র
কাশফুল জানান দিচ্ছ বাংলার প্রকৃতিতে এখন ভরা শরৎ
জাতীয় সংসদে জাতির পিতার ছবি টানানোর নির্দেশ
ভোলায় প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন করোনা রোগী: এলাকায় আতংক