অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, বুধবার, ২০শে মে ২০২৬ | ৬ই জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩


লালমোহনে ইউপি চেয়ারম্যান মুরাদের বিরুদ্ধে চাঁদার জন্য নির্যাতনের অভিযোগ


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৪শে জানুয়ারী ২০২১ রাত ১০:৫২

remove_red_eye

৬৫৮





বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক : ভোলার লালমোহনে সালিশের নামে এক লাখ ৬৫ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে না পেয়ে কৃষক আবুল কালামকে প্রকাশ্যে বেদম মারধর করার অভিযোগ ওঠেছে ফরাশগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান ফরাদ হোসেন মুরাদের বিরুদ্ধে । পরিবারের সদস্যরা ৯৯৯ নাম্বারে ফোন করলে পুলিশ আবুল কালামকে উদ্ধার করেন।  প্রভাবশালী ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মামলা নিতে অপরাগতা প্রকাশ করেন লালমোহন থানার ওসি।

রবিবার বিকালে এক সংবাদ সম্মেলনে আবুল কালাম, তার মেয়ে সীমা আক্তার, রাজিয়া সুলতানা মুন্নি অভিযোগ করে বলেন, তাদের পৈত্যিক ও কেনা জমির মধ্যে ১৯ শতাংশ জমি নিয়ে এলাকার মুসা নামে এক ব্যক্তির বিরোধ দেখা দিলে বিষয়টি সালিশ করার নামে আবুল কালামের কাছে প্রথমে এক লাখ টাকা দাবি করেন ইউপি চেয়ারম্যানের ভাই মামুনুর রশিদ মামুন। দুই দফা সালিশের তারিখ দিয়ে তালবাহানা করতে থাকেন মামুন। ২০ জানুয়ারি বুধবার সকাল ১১টায় দিদার মসজিদ এলাকায় অপর এক সালিশ বৈঠকে হঠাৎ করেই ইউপি চেয়ারম্যান মুরাদ চৌকিদার দিয়ে আবুল কালামকে ডেকে এনে এক লাখ ৬৫ হাজার টাকা দেয়ার জন্য বলেন। কে ও কিসের টাকা বলতেই চেয়ারম্যান প্রকাশ্যে মারধর করতে শুরু করেন এবং আবুলকালামকে চৌকিদার দিয়ে আটকে রাখেন। এ অবস্থায় জাতীয় জরুরী সেবার ৯৯৯ নাম্বারে ফোন করে সাহায্য চান আবুল কালামের মেয়েরা। এদিকে ইউপি চেয়ারম্যান ফরাদ হোসেন মুরাদ জানান, বিষয়টি সত্য নয়। আবুল কালামের সঙ্গে এক ব্যক্তির জমি বিক্রির বায়নাপত্র হয়। ওই টাকা ফেরত দিতে তাকে ডেকে আনা হয়ে ছিল। মারধর করা হয়। চেয়ারম্যান মুরাদ নির্বাচিত হওয়ার পর ২৯ নভেম্বর দায়িত্ব নেন। এর পরই একের পর এক সালিশের নামে চাঁদা নেয়ার অভিযোগ করেন সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত কয়েকজন।  লালমোহন থানার ওসি মাকসুদুর রহমান মুরাদ জানান,  পুলিশ ওই ব্যক্তিকে চেয়ারম্যানের কবল থেকে উদ্ধার করেছে। কিন্তু কোন লিখিত অভিযোগ পান নি। অভিযোগ পেলে অবশ্যই মামলা নিবেন।