অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, বুধবার, ২০শে মে ২০২৬ | ৬ই জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩


ভোলা প্রেসক্লাবে বর্তমান কমিটির উপর আদালতের নিষেধাজ্ঞা নেই


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২রা ফেব্রুয়ারি ২০২১ রাত ১১:২৮

remove_red_eye

৬২৭



বিশেষ প্রতিবেদক : ভোলা প্রেসক্লাবের  নির্বাচনের ২০ দিন পর মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়া  ৬ জনের দায়ের করা মামলার সোমবার শুনানী শেষে আদালত প্রেসক্লাবের কমিটির কার্য়ক্রমের উপর নিষেধাজ্ঞা বাতিল করে দিয়েছেন। এই আদেশে সন্তোষ প্রকাশ করেন ভোলার পেশাদার  সাংবাদিকরা।  ৩০ নভেম্বর ছিল প্রেসক্লাবের নির্বাচন । ওই নির্বাচনে  ১১টি পদে ২১  জন প্রার্থী মনোনয়ন পত্র ক্রয় করেন।  সহসভাপতি পদে দুই জন মনোনয়নপত্র জমা দেন নি। সাধারন সম্পাদক পদে একজন মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেন। ক্রীড়া ও পাঠাগার সম্পাদক পদে একজন করে মনোনয়নপত্র জমা দেন। মনোনয়নপত্রের সঙ্গে  সাংবাদিকতার নিয়োগপত্র ও প্রেসক্লাবের সদস্য চাঁদা পরিশোধ না থাকায় ৭ জনের মনোনয়নপত্র বাছাইকালে বাতিল করেন নির্বাচন কমিশন। এরা হচ্ছেন সামস উল আলম মিঠু,  নজরুল হক অনু, আল-আমিন শাহরিয়ার, ওমর ফারুক,  হারুন অর রশিদ, শিমুল চৌধুরী,  মোঃ মিজানুর রহমান । ৩০ নভেম্বর বিকালে নির্বাচন কমিশন আনুষ্ঠানিকভাবে ১১ জনের নির্বাহী পরিষদের নাম ঘোষনা করেন।  ফলাফল ঘোষনা শেষে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। ৩ জানুয়ারি কার্য নির্বাহী পরিষদের প্রথম সভায় ওই কমিটি আগামী দুই বছরের জন্য কর্ম-পরিকল্পনা ঘোষনা করেন। স্বাভাবিক নিয়মে যখন নির্বাচিত কমিটি দায়িত্ব পালন করছিলেন। ২০ জানুয়ারি হঠাৎ করে  মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়াদের মধ্যে ৬ জন পূনরায় নির্বাচন দাবি করে মামলা করেন আদালতে। একই সঙ্গে বর্তমান কমিটির কার্যক্রম বন্ধ রাখার জন্য আদালতে নিষেজ্ঞা চান। এ নিয়ে বিব্রত হন প্রকৃত পেশাদার সাংবাদিকরা। ১ জানুয়ারি সোমবার  বর্তমান কমিটির পক্ষে ভোলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি সিনিয়র আইনজীবী ছালাউদ্দিন হাওলাদার, আইনজীবী সমিতির সম্পাদক ও প্রেসক্লাব নির্বাচন পরিচালনা পরিষদের সদস্য এডভোকেট নুরুল আমিন নুরন্নবী , সিনিয়র আইনজীবী এডভোকেট রবীন্দ্র নাথ দে, আইনজীবী অরিফুর রহমানসহ ১৫জন আইনজীবী অবস্থান নিয়ে শুনানীতে অংশ নেন। এ সময় বিজ্ঞ আইনজীবীরা প্রমানপত্র তুলে ধরে জানান, ঐতিহ্যবাহী  ভোলা প্রসক্লাব পরিচালিত হবে প্রকৃত সাংবাদিকদের দ্বারা। যারা সাংবাদিকতায় নেই, যাদের নিয়োগপত্র নেই  , যারা সদস্য চাঁদা পরিশোধ করেন না , তারা প্রেসক্লাব পরিচালনায় থাকতে পারেন না। তারা পরিবেশ বিনষ্ট করতে এই মামলা দায়ের করেন। বাদী পক্ষের আইনজীবী এডভোকেট আমিরুল ইসলাম বাছেত, মো: রাসেল তাদের পক্ষে সাফাই বক্তব্য দেন। আদালত  উভয় পক্ষের আইনজীবীদের বক্তব্য শুনে পর্যালোচনা শেষে রায় প্রদান করেন। এ সময় বাদী পক্ষের এ্যাডক কমিটি গঠনের প্রস্তাবও বাতিল করে আদালত । এই আদেশে সন্তোষ প্রকাশ করেন ভোলার প্রকৃত পেশাদার সাংবাদিকরা।