অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, বুধবার, ২০শে মে ২০২৬ | ৬ই জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩


ভোলায় সবুজ বাংলা খামারে পেঁয়াজের বাম্পার ফলন


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৫ই ফেব্রুয়ারি ২০২১ রাত ১০:১২

remove_red_eye

৯৭৮



কৃষি অধিদপ্তরের মহা পরিচালকের ক্ষেত পরিদর্শন



অমিতাভ অপু : ভোলার সবুজ-বাংলা কৃষি খামারে পেঁয়াজের বাম্পার ফলন হচ্ছে। আগামী মাসেই পাওয়া যাবে চারশ মেট্রিক টন পেঁয়াজ। এর আগে ওই খামারে উৎপাদন হয়েছে আড়াইশ মেট্রিক টন।  দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যেভাবে পেঁয়াজ চাষ শুরু হয়েছে।
পেঁয়াজের উৎপাদন সক্ষমতা দিন দিন বাড়ছে। ভোলার সদর উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নে সবুজ বাংলা কৃষি খামারে  ২৮ একর জমিতে পেঁয়াজ চাষ করে বিস্ময়কর সফলতা পেয়েছেন  ইউপি চেয়ারম্যান ইয়ানুর রহমান বিপ্লব।  শুক্রবার ওই খাবার পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এমন তথ্য দেন কৃষি অধিদপ্তরের মহা পরিচালক ( ডিজি)  মোঃ আসাদউল্লাহ সাংবাদিকদের এমন কথা জানান। তিনি জানান, দেশে ২৫ লক্ষ মেট্রিক টন পেয়াজ উৎপান হয়। কিন্তু  চাহিদা ৩৫ লক্ষ মেট্রিক টন।  ১০ লক্ষ মেট্রিক টন ঘাটতি। সরকারি ভাবে পরিকল্পনা করা হয়েছে দেশে পেঁয়াজের সক্ষমতা অর্জন করতে আগামী ৩/৪  বছর লাগবে।  তিনি আরো বলেন, ভোলা জেলা কৃষি সমৃদ্ধ একটি জেলা। এখানে কৃষির উৎপান সক্ষমতা ২৫৬ ভাগ। ফলে এই সুবিধা কাজে লাগিয়ে পেঁয়াজসহ কৃষি উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব। ইতিমধ্যে দেশের ৫০ হাজার কৃষককে বিনামূল্যে পেঁয়াজের বীজ ও সার দেয়া হয়েছে। ৫০ হাজার কৃষক ৫০ হাজার বিঘা জমিতে চাষ শুরু করেছেন। এমন ধারাবাহিকতায়  প্রথম বারেরমত ভোলায় সবুজ বাংলা খামারে পেঁয়াজের চাষ শুরু হয়েছে। ৬ মাসে তিনি দুবার উৎপান করছেন। ভোলার রাজাপুর ইউনিয়নে প্রায় ৪০ একর জমিতে সবুজ বাংলা কৃষি খামার গড়ে তোলেন আওয়ামী লীগ নেতা ইউপি চেয়ারম্যান ইয়ানুর রহমান বিপ্লব মোল্লা। বর্তমানে ২৮ একর জমিতে লালতীর জাতের পেঁয়াজ চাষ করা হয়। আগামী মাসে ওই খামার থেকে ৪শ মেট্রিক টনের অধিক পেয়াজ উৎপাদিত হবে। এর আগে মুরিকাটা জাতের পেয়াজ উৎপাদন হয়েছে আড়াইশ টন। পেঁয়াজ চাষে কৃষকের সক্ষমতা বাড়ানোর ব্যাপারে সরকারের  সদউচ্ছা আছে বলেও জানান মহাপরিচালক। কেননা ১৬ হাজার টাকা দরে পেয়জের বীজ কেনার সক্ষমতা সব কৃষকের নেই। ওই সব বিসয়ও এখন বিবেচনা করা হচ্ছে। সক্ষম ব্যক্তিদের পেঁয়াজ চাষে আগ্রহী করার উদ্যোগও নেয়া হচ্ছে। এ দিকে কৃষি বিভাগের কর্মকর্তাদের পরিদর্শকালে উপস্থিত ছিলেন, মহাপরিচালক মোঃ আসাদউল্লাহ,  পরিচালক ( কৃষি উন্নয়ন)  জাহিদুল আলম, পরিচালক একেএম মনিরুল ইসলাম , অতিরিক্ত পরিচালক আফতাব উদ্দিন, অতিরিক্ত পরিচালক রাশেদ হাসনাত,  ভোলার উপ-পরিচালক আবু মোঃ এনায়েতউল্লাহ,  রাজাপুর ইউপি চেয়ারম্যান  মিজানুর রহমান খান , লালতীর সিড লিমিটেডের এরিয়া ম্যানেজার আফাজ উদ্দিন সুপ্রিম সিড লিমিটেডের এরিয়া ম্যানেজার মাহামুদুর রহমান ।