অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, বুধবার, ২০শে মে ২০২৬ | ৬ই জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩


জনগণের খেদমতে নিজেকে উৎসর্গের ঘোষণা দিলেন ভোলা পৌর মেয়র মনিরুজ্জামান


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২রা মার্চ ২০২১ রাত ১০:৩৭

remove_red_eye

৯৭৩




অচিন্ত্য মজুমদার : ভোলা পৌরসভা নির্বাচনে টানা তৃতীয়বারের মতো বিপুল ভোটে মেয়র নির্বাচিত হওয়ায় আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মনিরকে অভিনন্দন ও ফুলের সংবর্ধনা জানিয়েছেন এলাকাবাসী এবং নেতাকর্মীরা। মঙ্গলবার শহরের উকিলপাড়া নিজ বাড়ি সংলগ্ন মাঠে এ গণসংবর্ধনার আয়োজন করেন নির্বাচনী মাঠে নৌকার পক্ষে কাজ করা কয়েক হাজার কর্মী।
মেয়র নির্বাচিত করায় ভোলাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা ও অভিনন্দন জানিয়ে এসময় মেয়র মনিরুজ্জামান জনগণের খেদমতে নিজেকে উৎসর্গ করার ঘোষণা দিয়ে বলেন, গত দশ বছরে ভোলা পৌরসভা প্রায় ৩০০ কোটি টাকার কাজ হয়েছে। যে সকল উন্নয়ন মূলক কাজ ভোলা পৌরসভায় হয়েছে তা সব কিছুই হয়েছে সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য জননেতা তোফায়েল আহমেদ কারণে। দৃষ্টিনন্দন উন্নয়নের ছোঁয়া লেগেছে ভোলা পৌরসভার প্রত্যেকটি এলাকায়। যা দেখতে বিভিন্ন জেলার মানুষ এখন ভোলা আসে। ভোলা শহরের দৃষ্টিনন্দন বক ফোয়ারা, ইলিশ ফোয়ারা, গার্লস স্কুল সংলগ্ন গেøাব ফোয়ারা, যুগীরঘোল সংলগ্ন ফোয়ারা, সরকারি স্কুলের মাঠ ও টাউন স্কুলের
মাঠ ওয়াকওয়ে এখন ভোলার মানুষের পাশাপাশি পর্যটকদের জন্য একটি বিনোদন কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। ভোলা শহরসহ বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় প্রায় ৩৮ কিলোমিটার এলাকায় ফুটপাতসহ ড্রেন নির্মাণ করা হয়েছে। এ সময় মনিরুজ্জামান আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ উন্নয়নের মহাসড়কে চলছে। সেই উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে ভোলা পৌরসভাকেও আরো নান্দনিক রূপে সাজানোর পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। এর মধ্যে ভোলা সরকারি স্কুলের মাঠকে আরও দৃষ্টিনন্দন করে গড়ে তোলা, পাশাপাশি টাউন স্কুলের মাঠে মহিলাদের জন্য এককভাবে পার্ক করা হবে। সেখানে থাকবে জিমনেশিয়াম, লাইব্রেরি, বসার জায়গা, রেস্টুরেন্ট ও এল.ই.ডি টিভি। ভোলা পৌরসভাকে সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হবে। জিয়া সুপার মার্কেট ভেঙে সেখানে ভোলা ট্রেড সেন্টার তৈরি হবে। শহরের যানজট নিরসনে বাংলা স্কুলের ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় একটি মোটরসাইকেল রাখার নির্দিষ্ট জায়গা করে দেয়া হবে। তার পাশেই করা হবে ট্রাফিকদের জন্য বিশ্রামাগার। পৌর এলাকায় শতভাগ গ্যাস সংযোগের আওতায় আনা হবে। উল্লেখ্য, গত ১৩ ফেব্রæয়ারি থেকে ভোলা পৌরসভা নির্বাচনকালীন সময় প্রায় দুই হাজার কর্মী ১৬৬টি দলে ভাগ হয়ে আওয়ামী লীগ মেয়রপ্রার্থীর নৌকা প্রতীকের পক্ষে ভোট চাওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের প্রচারণা চালায়। এছাড়া ডিজিটাল প্রচারণার অংশ হিসেবে ৩০ হাজার ভোটারের মোবাইল নাম্বার সংগ্রহ করে তাদে মোবাইলে মেসেজ ও কল করে নৌকা মার্কার প্রার্থী মনিরুজ্জামানের পক্ষে ভোট চায়।