অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, বুধবার, ২০শে মে ২০২৬ | ৬ই জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩


ভোলার রাজাপুরে তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষণ


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৩রা মার্চ ২০২১ রাত ১০:৫৫

remove_red_eye

৬৩২

রক্তাক্ত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি অভিযুক্ত পলাতক
বাংলার ক্ঠ প্রতিবেদক: ভোলা সদর উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের কন্দকপুর গ্রামে প্রতিবেশী ব্যবসায়ি দাদা সালাউদ্দিন মীরের (৫৩) ধর্ষণের শিকার হয়েছে তৃতীয় শ্রেণীতে পড়ুয়া ছাত্রী। বুধবার দুপুরে ওই ছাত্রীর বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ভোলা থানা পুলিশ রক্তাক্ত অবস্থায় ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেছেন। ধর্ষক সালাউদ্দিন জনতা বাজারের মুদি ব্যবসায়ি। ভিক্টিম স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রী।
পুলিশ জানিয়েছেন, বুধবার দুপুর একটায় ধর্ষক সালাউদ্দিন ওই ছাত্রীর ঘরে প্রবেশ করে। এসময় ঘরে কেউ না থাকার সুযোগে ধর্ষক ছাত্রীর মুখ চেপে ধর্ষণ করে। পরে ভিক্টিমের চিৎকার শুনে ভিক্টিমের চাচি পাশে থাকা ঘর থেকে বের হলে দৌঁড়ে পালিয়ে যায় ধর্ষক সালাউদ্দিন। পুলিশ আরও জানায়, ধর্ষণের শিকার ওই ছাত্রীর  অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হয়েছে। ঘটনার পরপরই ভিক্টিমকে উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।  মেডিকেল অফিসার ডা. জাহিদ উদ্দিন শোভন জানান, রোগীকে সুস্থ করার জন্য সব ধরনের চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। এদিকে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে অভিযুক্তকে গ্রেফতারের অভিযান শুরু করেছে বলে জানান সদর থানার এস আই রঞ্জিত সরকার। খবর পেয়ে তারা হাসপাতালে এসে রোগীর অবস্থা জেনেছেন। পুলিশের ২টি টিম আসামী গ্রেফতার করার জন্য অভিযান পরিচালনা করছেন।
অভিযুক্ত সালাউদ্দি মীর (৪৫) বিবাহিত ও তার ২ সন্তানের জনক। তিনি রাজাপুরের জনতা বাজারে কাঁচামাল বিক্রয় করেন। স্থানীয় ইউপি মেম্বার আবদুস সালাম জানান, স্থানীয়রা অভিযুক্ত সালাউদ্দিনকে আটকের চেস্টা করা হয়। কিন্তু স্থানীয় কিছু লোকের সহায়তায় তিনি পালিয়ে যায়। তার বিরুদ্ধে এর আগেও নানা অপকর্মের অভিযোগ রয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ভোলা সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এনায়েত হোসেন জানান, এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় কোনো লিখিত অভিযোগ বা মামলা করা হয়নি। লিখিত অভিযোগ বা মামলা হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।