অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, বুধবার, ২০শে মে ২০২৬ | ৬ই জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩


ভোলায় সরকারি চাল আত্নসাত করে নিরীহ ব্যক্তিদের ফাঁসানোর অভিযোগ


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১লা এপ্রিল ২০২১ রাত ১০:১৮

remove_red_eye

৬৩১




বিচারের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক :  ভোলা সদর উপজেলার জাংগালিয়া গ্রামে অস্তিত্বহীন একটি নুরানী মাদ্রাসার নামে ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে মোঃ ইউসুফ আলী দালাল ও সমশের আলী নামে ২ ব্যাক্তি আত্মসাত করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। শুধু তাই নয় ওই দুই ব্যক্তি মাদ্রাসার নামে উত্তোলিত চাল আত্মসাতের অভিযোগে তাদের প্রতিপক্ষ পাশের গ্রামের মজিবল হক এবং তার ভাই ইউসুফ পালোয়ানের বিরুদ্ধে চাল আতœসাতের অভিযোগে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে দেড় মাস জেল খাটিয়েছেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে ভোলা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে জেল থেকে জামিনে ছাড়া  পাওয়া মজিবল হক ও তার ভাই  এসব অভিযোগ তুলে ধরে বিচার দাবী করেন।
মজিবল হক তার লিখিত অভিযোগে বলেন, তাদের বাড়ি সদুরচর গ্রামে। আর তার প্রতিপক্ষ সমশের আলীর বাড়ি পাশ্ববর্তী জাঙ্গালিয়া গ্রামে। শমশের আলী গত বছরের নভেম্বর মাসে ‘জাঙ্গালিয়া জামে মসজিদ সংলঘœ নুরানী মাদ্রাসা’ এই নামে একটি প্রতিষ্ঠান দেখিয়ে সরকারি ১ টন চাল বরাদ্দ নিয়েছেন। অথচ সেখানে কোন মাদ্রাসার অস্তিত্ব নেই।
মজিবল হক আরও জানান, সরকারি বরাদ্দ পাওয়ার জন্য যে আবেদন করা হয়েছে তাতে মাদ্রাসা কমিটির সভাপতি পদে জাঙ্গালিয়া গ্রামের ইউসুফ দালাল এবং সম্পাদক পদে শমশের আলীর নাম দেখানো হয়েছে। অথচ ওই বরাদ্দকৃত চাল আত্মসাতের অভিযোগে মজিবল হক এবং তার ভাই ইউসুফ পালোয়ানের নামে মামলা দিয়েছেন শমশের আলী। এখানেই শেষ নয় শমশের আলী প্রভাবশালী হওয়ায় প্রশাসনের লোকজনকে ভুল বুঝিয়ে বাজার থেকে কিনে এনে ঘরে রাখা প্লাষ্টিকের বোস্তার চালকে সরকারের বরাদ্দকৃত চল বলে প্রমাণের চেষ্টা করেছে। সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই সরকারি চল আত্মসাতের প্রকৃত সত্য উদঘাটনের পাশাপাশি মিথ্যা মামলা থেকে মুক্তি পাওয়ার আবেদন জানিয়েছেন।  এ ব্যাপারে জাঙ্গালীয়া গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য সায়েব আলী জানান, জাঙ্গালীয়া গ্রামে নুরানী মাদ্রসা নামে কোন মাদ্রসা নেই।