অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, বুধবার, ২০শে মে ২০২৬ | ৬ই জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩


ভোলায় বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামালের মৃত্যু বার্ষিকীতে দোয়া


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৮ই এপ্রিল ২০২১ রাত ১০:৪২

remove_red_eye

৯১১




বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক : ভোলার সন্তান মুক্তিযুদ্ধের অহংকার বীর শ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ মোস্তফা কামালের ৫০তম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে পারিবারিকভাবে দোয়া অনুষ্ঠান পালিত হয়েছে । করোনাকালীন লকডাউনের কারনে ঘরোয়া পরিবেশেই দিবসটি পালন করা হয় বলে জানান, বীর শ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ও মোস্তফা কামালের ভাইয়ের ছেলে মোঃ সেলিম । মোস্তফা কামাল ১৯৪৭ সালের ১৬ ডিসেম্বর ভোলা জেলার দৌলতখান উপজেলার পশ্চিম হাজিপুর গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন। ১৯৭১ সালের এই দিনে দুপুর ১২টায় আখাউরা দরুইন গ্রামে পাক সেনাদের সঙ্গে বীরেরমত লড়ে শহীদ হন। রক্ষা করেন শতাধিক সহযোদ্ধাদের।  
১৯৬৭ সালে তিনি পাকিস্তান চতুর্থ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে চাকুরিতে যোগ দেন। মহান স্বাধীনতার যুদ্ধে তিনি অগ্রনি ভূমিকা পালন করেন। মেজর খালেদ মোশারফের নেতৃত্বে আশুগঞ্জ  ও ব্রাক্ষ¥ণবাড়িয়ার এন্ডারসন খালের পাশ দিয়ে অবস্থান করে পাকিস্তানী বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষা ব্যুরো গড়ে তোলেন। গঙ্গাসাগর প্রতিরক্ষা অবস্থানের দরুইন গ্রামে নিয়েআজত আলফা কোম্পানীর ২ নং প্লাটুনের সেকশন কমান্ডার ছিলেন মোস্তফা কামাল।  চতুর্থ ইস্ট বেঙ্গল নিশ্চিহ্ন করতে পাক সেনা বাহিনী দরুইন গ্রামে অবস্থানরত মুক্তিবাহিনীর উপর মর্টার গুলিবর্ষণ শুরু করে ১৮ এপ্রিল ভোরে। বেলা ১১টায় থেকে গুলি বর্ষন ও যুদ্ধেও এক পর্যায়ে নিশ্চিত পরাজয় ও মৃত্যু যেনে সহযোদ্ধাদের রক্ষা করতে নিজেই গুলি বর্ষণ অব্যাহত রাখেন। এক পর্যায়ে নিজে গুলি বিদ্ধ হন। তার গোলা শেষ হয়ে যায়। পাক সেনারা পরে তাকে বেনট দিয়ে খুচিয়ে খুচিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করে। তবে মোস্তফাকামালের একক গুলি বর্ষনে ২৫ জন পাক সেনা নিহত হয়।  দরুইন গ্রামেই  মোস্তফা কামালের কবর রয়েছে।