অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, বুধবার, ২০শে মে ২০২৬ | ৬ই জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩


ভোলায় পুলিশের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করে জেলে গেলেন দুই দালালসহ এক নারী


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৫ই মে ২০২১ রাত ১১:০৯

remove_red_eye

৪৮০




বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক : ভোলায় ইলিশা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জের বিরুদ্ধে ঘুষ নেয়ার সাজানো অভিযোগ করে জেলে গেলেন দুই দালালসহ এক নারী। এদের বাড়ি রাজাপুর ইউনিয়নের শ্যামপুর এলাকায়।
বুধবার পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার সাংবাদিকদের জানান, রাজাপুর শ্যামপুর এলাকায় মারপিটের একটি ঘটনায় এজাহারভুক্ত আসামী মোঃ ইসমাইলকে ইলিশা পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ আটক করে। আটক ইসমাইলকে ছাড়ানোর জন্য ফাঁড়ি ইনচার্জ  মোঃ আনিসুর রহমান তিন হাজার টাকা চেয়েছেন। ওই টাকা দেয়ার পরও আটক ব্যক্তিকে ছাড়েনি, এমন অভিযোগ নিয়ে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আসেন ইসমাইলের স্ত্রী পপি আক্তার শাহীনাসহ দুই  দালাল মনির হোসেন ও ইসমাইল হোসেন । পপি পুলিশ সুপারকে জানান, তার স্বামীকে ছাড়াতে টাকা লাগবে বলায় তিনি তার মোবাইল ফোনটি বিক্রির জন্য দালাল মনির ও ইসমাইল হোসেনকে দেন। এ ছাড়া নিজের কাছে থাকা দুই হাজার টাকাও দেন। ফাঁড়ির ইনচার্জ টাকা নেয়ার পরও আরো টাকা দাবি করে  আটকৃতকে ছাড়েন নি। মোবাইল ফোন সেট কোথায় বিক্রি করেছেন , কে কিনেছেন, এমন নানা প্রশ্নে বিষয়টি সাজানো বলে মনে হয় পুলিশ সুপারের। পরে তল্লাশিতে ফোনসেটটি ওই নারীর কাছেই পাওয়া যায়। এ ঘটনায় দালালসহ ওই নারীকে আটক করা হয়। উল্লেখ ওই নারীও তার স্বামীর সঙ্গে একই মামলার আসামী ছিলেন। অপরদিকে ইলিশা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ জানান, তারা মামলার এজাহারভুক্তি এক আসামীকে আটকের পর আদালতে সোপর্দ করেন। আসামী ছাড়ার বিষয়ে কারো সঙ্গে তার কোন কথা হয় নি। এরা একটি চক্র বলেও তিনি উল্লেখ করেন।