অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, বুধবার, ২০শে মে ২০২৬ | ৬ই জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩


ভোলায় দ্বিতীয় পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রীর উপহার নতুন ঘর পেলো ৩৭১ ভুমিহীন ও গৃহহীন পরিবার


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২০শে জুন ২০২১ রাত ০৮:২৪

remove_red_eye

৪৫৫

 

বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক :  শতবর্ষে ভোলায় দ্বিতীয় পর্যায়ে আরও ৩৭১ পরিবার প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে নতুন ঘর পেয়েছে। আজ রবিবার সকালে ঢাকা থেকে প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের পর সারা দেশের সাথে একযোগে ভোলার ভুমিহীন ও গৃহহীন এসব পরিবারে হাতে ঘরের কাগজপত্র ও  চাবি হস্তানান্তর করা হয়। প্রথম পর্যায়ে ৫২০টিসহ দুই দফায় জেলার ৮৯১ গৃহহীন পরিবার নিজের ঠিকানা হিসেবে ২শতাংশ জমিসহ ঘরের মালিকানা পেয়েছে।

সকালে প্রধানমন্ত্রীর ভাচ্যুাল উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর ভোলা সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে বরাদ্দ পাওয়া ৫৫ পরিবারের হাতে জমির কবুলিয়ত, নামজরী, ভুমিহীন সনদসহ কাগজপত্র হাস্তান্তর করেন জেলা প্রশাসক মো. তৌফিক ই-লাহী চৌধুরী। একই সময়ে অন্যান্য উপজেলায়ও নতুন ঘরের কাগজপত্র হস্তান্তর করা হয়। এর আগেই বরাদ্দ পাওয়া ঘর মালিকদের নামে জমির দলিল রেজিষ্ট্রেশন, নামজারীসহ সকল কাজ সম্পন্ন করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল মমিন টুলু, স্থানীয় সরকার শাখার উপ-পরিচালক মামুন আল ফারুক, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মোশারেফ হোসেন, জেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম গোলদার,  ভোলা  প্রেসক্লাবের সভাপতি হাবিবুর রহমান, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজানুর রহমান, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মো ইউনুছ, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মইনুল ইসলাম বিপ্লব প্রমুখ।


 দ্বিতীয় পর্যায়ে ১কোটি ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা ব্যয়ে সদর উপজেলায় ৫৫টি, বোরহানউদ্দিনে ৩০ লাখ ৪০ হাজার টাকা ব্যয়ে ১৬টি, দৌলতখানে ৩৮ লাখ টাকা ব্যয়ে ২০টি ঘর, লালমোহনে ৩৮ লাখ টাকা ব্যয়ে ২০টি, তজুমদ্দিনে ২কোটি ৮৫লাখ টাকা ব্যয়ে ১৫০টি, চরফ্যাসনে এক কোটি ১৪ লাখ টাকা ব্যয়ে ৬০টি, মনপুরায় ৯৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা ব্যয়ে ৫০টি ঘর নির্মাণের বরাদ্দ রয়েছে।  
এদিকে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া দুই কক্ষের আধাপাকা ঘরটিকে ঘিরে স্বপ্নে বিভোর নতুন ঠিকানা পাওয়া গৃহহীনরা।