অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, বুধবার, ২০শে মে ২০২৬ | ৬ই জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩


করোনাকালিন সময়ে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের মানুষের জন্য যা করেছে তা কেউ করেননি :তোফায়েল


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৪ঠা জুলাই ২০২১ রাত ০৯:৪৩

remove_red_eye

৬০০




 ভোলার ইলিশায় করোনা  মহামারী সর্তককরণে  লকডাউন ও স্বাস্থবিধি  বাস্তবায়নে সভায়

বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক : আওয়ামী লীগ উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য,সাবেক বাণিজ্য মন্ত্রী ও ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য  তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা করোনাকালিন সময়ে প্রত্যেক টা মানুষ যাতে টিকা পায় তার ব্যবস্থা তিনি নিয়েছেন। তিনি প্রত্যেককে স্বাস্থ্য সম্মতভাবে চলার নির্দেশনা দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী করোনাকালীন সময়ে যা যা করা দরকার, সেই ব্যবস্থা তিনি করেছেন।
রবিবার দুপুরে ভোলা সদর উপজেলার ২নং ইলিশ ও ও ৩নং পূর্ব ইলিশা ইউনিয়ন পরিষদের আয়োজনে করোনা মহামারী সর্তককরণে লকডাউন ও স্বাস্থবিধি বাস্তবায়নে এক সভায় ঢাকা থেকে ভার্চুয়ালী যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তোফায়েল আহমেদ এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, করোনা মহামারী আকার ধারন করেছে। এই ব্যাপারে যদি আমরা সতর্ক না হই, তাহলে আরো ক্ষতির সম্মুক্ষিণ হতে হবে। সংক্রমণ রোধে প্রত্যেকটি মানুষ যাতে মাস্ক পরে ও  স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য আহŸান জানান তিনি।
 তোফায়েল আহমেদ আরো বলেন, করোনাকালিন সময়ে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের মানুষের জন্য যা করেছে তা কেউ করেননি। তিনি গরিব-দু:খি মানুষের ঘরে ঘরে ত্রাণ পৌঁছে দিয়েছেন । মসজিদের ঈমাম ও মুয়াজ্জিনরাও বাদ যায়নি। আমি নিজেও সংসদ সদস্য হিসাবে  ৪০ হাজার মানুষকে খাদ্য সহায়তা দিয়েছি।  গ্রামের সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে বলেন, করোনার পরীক্ষা করাতে হবে। ঘরে থেকে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অক্ষরে অক্ষরে পালন করতে হবে।
২ নং ইলিশা ইউনিয়ন পরিষদ চত্তরে জেলা প্রশাসক তৌফিক-ই-লাহী চৌধুরীর সভাপতিত্বে জনসাধারণকে করনোর সতর্ককরণে স্বাস্থ্যবিধি মেনে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন,ভোলা পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: মিজানুর রহমানসহ স্থানীয় আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ।
জেলা প্রশাসক জানান, এক একটি ইউনিয়নে ৩০ / ৪০ টি ছোট বাজার থাকে। দোকানপাট থাকে। ওই ওই সব এলাকায় স্বাস্থ্যবিধি মানার বিষয়টি নিশ্চিত করবেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গন্যমান্য ব্যক্তিরা।  ইউনিয়নে ২৫ জনকে এমন দায়িত্ব পালন করার জন্য মনোনীত করা হয়।