অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, বুধবার, ২০শে মে ২০২৬ | ৬ই জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩


ভোলা-লক্ষ্মীপুর রুটে অতিজোয়ারে তলিয়ে গেছে ইলিশা ফেরিঘাট


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৯শে জুলাই ২০২১ রাত ১২:৩০

remove_red_eye

৭২৮



যাত্রী ও যানবাহন উঠা  নামায় চরম দুর্ভোগ




বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক : ভোলায় নিন্মচাপের প্রভাব ও অতিজোয়ারে বুধবার তলিয়ে গেছে ভোলা-লক্ষ্মীপুর নৌ-রুটের ইলিশা ঘাটের  হাই-ওয়াটার ফেরিঘাট। ওই সময় ফেরির এ্যাপ্রোচ সড়ক ডুবে যাওয়ায়  লোড ও আনলোড বন্ধ রাখা হয়। এমন পরিস্থিতিতে ৪ ফুট উচ্চতার পানি ডিঙ্গিয়ে ঢাকা ও চট্টগ্রামগামী যাত্রীদের ফেরিতে ওঠতে দেখা যায়। এমন দুর্ভোগ বিড়ম্বনাও যেন থামানো যায় নি যাত্রীদের । বুধবার সন্ধ্যার পর ঘাট তলিয়ে যাওয়ার সময় ফেরিতে উঠতে গিয়ে একটি মাছের পিকআপভ্যান গাড়ি র‌্যামের ভিতরে আটকে পড়ে। এতে করে আধা ঘন্টা ফেরিতে গাড়ি উঠতে পারেনি।

এদিকে বুধবার সকালেও ৪-৫ ঘন্টা জোয়ারের চাপে ফেরি বন্ধ রাখা হয়েছে বলে জানান, ফেরির ঘাট পরিদর্শক মোঃ নজরুল ইসলাম। এসময় ঢাকা-চট্টগ্রামের কয়েক শ যাত্রী ফেরি ঘাটে ভির জমায় । ফেরি কনকচাঁপার মাস্টার আব্দুল আজিজ জানান, বার্ষিক হাইড্রোগ্রাফিক্যাল চার্টে জুলাই মাসের শেষ নাগাদ সময়ে জোয়ারের উচ্চতা ৩ দশমিক ৯৩ মিটার হলেও নি¤œচাপের প্রভাবে জোয়ারের উচ্চতা আরো এক মিটার বেড়ে গেছে। এ কারনে জোয়ারের সময় ভোলা-ল²ীপুর রুটের ইলিশা পয়েন্টে  লো-ওয়াটার ঘাট প্রায় ৬ / ৭ ফুট পানিতে তলিয়ে থাকে। একই সময় হাই-ওয়াটার ঘাট ৩ থেকে ৪ ফুট পানিতে তলিয়ে যায়। ফলে ওই সময় ফেরির লোড ও আনলোড বন্ধ রাখতে হচ্ছে। এমন পরিস্থিতি ৭ থেকে ৮ দিন থাকতে পারে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের ডিভিশন-১ এর নির্বাহী প্রকৌশলী হাসানুজ্জামান জানান,  জোয়ারের পানি বিপদ সীমার ৪৪ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। ফলে মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীর চরাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। মেঘনা নদীতে পানির উচ্চতাও বেড়ে গেছে। স্থানীয় ঘাট ইজারাদার সরোয়াদ্দি মাস্টারসহ পরিবহন চালকরা  জানান, জোয়ারের সময় ব্যবহারের জন্য হাই-ওয়াটার ঘাট নির্মান করে বিআইডবিøউটিএ এর প্রকৌশল বিভাগ। কিন্তু জোয়ারে পানিতে ওই ঘাট তলিয়ে থাকে।  ঘাটের উচ্চতা আরো বাড়ানোর  দাবি জানান তারা। বিআইডবিøউটিএ’র সহকারী পরিচালক মোঃ কামরুজ্জামান জানান, নি¤œচাপ ও পূর্নীমার জোঁর কারনে জোয়ারে সর্ব উচ্চতার পানি প্রবাহিত হচ্ছে। পরিস্থিতি তারা নজরদারি করছেন। কয়েকটাদিন সামাল দিতে পারলে আবার স্বাভাবিক হয়ে আসবে। এদিকে এমন জোয়ারের পানিও উপেক্ষা করে কয়েকশ যাত্রী ভিজে গিয়ে ফেরিতে ওঠতে দেখা যায়। এদের মধ্যে নারী যাত্রীও ছিল। সকাল থেকে ওই সব যাত্রী ফেরিঘাটে ভীড় জমায়। দুপুর সাড়ে ১২টায় ছেড়ে যায়, ফেরি কুসুমকলি, বিকালে ছাড়ে কনকচাপা।