অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, বুধবার, ২০শে মে ২০২৬ | ৬ই জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩


ভোলা-ঢাকা রুটে লঞ্চের কেবিন ভেঙে ১০ লাখ টাকার স্বর্ণালংকার লুটের ঘটনায় থানায় মামলা


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১০ই নভেম্বর ২০২১ রাত ১০:৩১

remove_red_eye

৫৭০




বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক : ঢাকা- ভোলা নৌ রুটের এমভি গ্লোরী অব শ্রীনগর লঞ্চের ২০৮ নম্বর কেবিনের জানালা ভেঙে নগদ ৪০ হাজার টাকা, প্রায় ১০ লাখ টাকা মূল্যের ১৫ ভরি স্বর্ণালংকারসহ মুল্যবান জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে গিছে সংর্ঘবদ্ধ একটি চক্র। সোমবার রাতে ওই লঞ্চ কেবিনে সস্ত্রীক যাত্রী ছিলেন ভোলা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি নাজিউর রহমান কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ এম. ফারুকুর রহমান । এ ঘটনায় প্রথমে ঢাকা সদর ঘাটের নৌ পুলিশে জিডি করা হয়েছে। বুধবার তা কেরানীগঞ্জ থানায় মামলা হিসেবে নেয়া হয়।
 অধ্যক্ষ ফারুকুর রহমান জানান, নৌ-ধর্মঘটের পর দিন তিনি সহ তার স্ত্রী ঢাকা সদর ঘাট থেকে এমভি গেøারী অব শ্রীনগর-৭ লঞ্চ যোগে ভোলার উদ্দেশ্যে রওনা দেন। ওই লঞ্চের ২০৮ নং কেবিনের ভেতর লাগেজপত্র ও তার স্ত্রীর প্রায় ১৫ ভরি স্বর্নালংকার , নগদ ৪০ হাজার টাকাসহ ভ্যানিটি ব্যাগ রেখে কেবিন তালা বন্ধ করে পাশের  ভিআইপি-২ নম্বর কেবিনে বসে পরিচিতদের সঙ্গে গল্প করছিলেন। ফিরে এসে দেখেন তার ২০৮ নম্বর কেবিনের জানালা ভেঙে ভেতর থেকে সব মালামাল নিয়ে গেছে সংঘবদ্ধ চক্রটি। এমন পরিস্থিতিতে মানুষিক ভাবে ভেঙে পড়েন ফারুকুর রহামান ও তার স্ত্রী। বিষয়টি লঞ্চ মালিক পক্ষ ও স্টাফদের জানানোর পর তারা নাম মাত্র দেখতে এসে ৫ / ৭ মিনিট অবস্থান করে ফিরে যান।
লঞ্চের ম্যানেজার মোঃ রুহুল আমিন জানান, তাদের কী করার আছে। কে বা কারা জানালা ভেঙে ভেতর থেকে মালামাল নিয়েছে , তা তারা দেখতে পান নি। এ ঘটনায় ভোলা থানার ওসি এনায়েত হোসেন জানান, লঞ্চ স্টাফদের তদারকি না থাকায় সংঘবদ্ধ চক্রটি লঞ্চে অবস্থান করে এমন ছিনতাই , চুরি- ডাকাতির সুযোগ নেয়। তারা বিষয়টির খোজ খবর নিচ্ছেন বলে জানান।  এমন ঘটনায় ক্ষোভ জানান ভোলা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও দৈনিক বাংলার কণ্ঠের সম্পাদক এম. হাবিবুর রহমান, প্রেসক্লাব সম্পাদক অমিতাভ অপু, নাগরিক কমিটির সহসভাপতি সাবেক অধ্যক্ষ দুলাল চন্দ্র ঘোষ ।