অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, বুধবার, ২০শে মে ২০২৬ | ৬ই জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩


ভোলায় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে পুলিশ সুপারের পরিচিতি ও মতবিনিময় সভা


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৩ই নভেম্বর ২০২১ রাত ১০:৩৯

remove_red_eye

৫৬৪



ইসতিয়াক আহমেদ :  ভোলায় জাতীর শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে পুলিশ সুপারের মতবিনিময় ও পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার  সকালে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের  সম্মেলন কক্ষে এ পরিচিতি ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।  পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম (বিপিএম, পিপিএম) এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন,  অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অপরাধ) আবুল কালাম আজাদ,  ভোলা জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার দোস্ত মাহমুদ, ভোলা জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার মোঃ সফিকুল ইসলাম, ভোলা প্রেসক্লাব সভাপতি ও দৈনিক বাংলার কণ্ঠের সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা এম হাবিবুর রহমান, ভোলা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এনায়েত হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম, পিপি এডভোকেট আশরাফ হোসেন লাবু, সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার অহিদুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা আমির হোসেন, আব্দুল খালেক, গোপাল চন্দ্র দে, জুলফিকার আহমেদ, আছমত আলী সহ প্রমুখ।
সভার শুরুতে পুলিশ সুপারকে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা প্রদান করা হয়। এরপর তিনি উপস্থিত জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে পরিচিত হন এবং কুশলাদি বিনিময় করেন।
এ সময় পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, আজ স্বাধীন বাংলাদেশ স্বাধীন পুলিশ। ১৯৭১ সালে ২৫ শে মার্চ রাতে পুলিশ বাহিনী পাক হানাদারদের বিরুদ্ধে প্রথম প্রতিরোধ গড়ে তুলে ছিলো। আর তারই সাথে সাথে গ্রাম গঞ্জের মুক্তিযোদ্ধারাও হাতে অস্ত্র নিয়ে হানাদার পাক বাহিনী আলবদর, রাজারকার ও আল সামস এর সাথে যুদ্ধ করে। ৯ মাস রক্ষক্ষয়ী যুদ্ধে সমন্বিতভাবে মুক্তিযোদ্ধা, পুলিশ ও সেনাবাহিনীর, সদস্যগন তাদের বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়ে এ দেশ স্বাধীন করেছে বলেই আজ আমি পুলিশ সুপার হিসাবে সরকারি চাকরি করছি। আমি মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে জানার জন্য মুক্তি যুদ্ধের বইপত্র পড়ে সকল বিষয়ে জানার চেষ্টা করছি। মুক্তিযোদ্ধাগণ যুুদ্ধে প্রাণ দিয়েছে। বুকের তাজা রক্ত দিয়েছে বলে আজ দেশ স্বাধীন হয়েছে। মুক্তিযোদ্ধাগণ আমাদের গর্বের, জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান।