লালমোহন প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ২২শে ডিসেম্বর ২০২১ রাত ১০:৪৬
৬৫৬
বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক : ভোলার লালমোহনে অবাদে চলছে খাল দখলের মহোৎসব। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় বেশ কিছু দখলদারকে উচ্ছেদ করা হলেও এখন আবারও লালমোহন খালের দুই তীর দখল হয়ে যাচ্ছে। গড়ে তোলা হচ্ছে বাড়িঘরসহ বহুতল ভবন। শুধু তাই নয় পৌর কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়াই প্রভাবশালীরা গড়ে তুলছেন অবৈধ স্থাপনা। স্থানীয়দের অভিযোগ রহস্যজনক কারণে প্রশাসন এসব ভূমিখেকোদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না।
ভোলা জেলার মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক এলাকা লালমোহন উপজেলা। এই উপজেলার প্রাণ হচ্ছে লালমোহন খাল। প্রায় ১০ কিলোমিটার দীর্ঘ খালটি লালমোহনের নাজিরপুর এলাকার তেতুলিয়া নাদী থেকে উঠে লালমোহন বাজার হয়ে ডাওরীর খালে গিয়ে মিসেছে। বেশ গভীর এবং প্রবল শ্রতোস্বিনী এই খালকে কেন্দ্র করেই গড়ে উঠেছিল লালমোহন উপজেলা শহর এবং লালমোহন বাজার। কালের বিবর্তনে আজ অস্তিত্ব হারাতে বসেছে ঐতিহ্যবাহী এই খালটি।
লালমোহন পৌর কাউন্সিলর মাসুদ পাটোয়ারি জানান, দুই দশক আগেও লালমোহন খালে লঞ্চ চলাচল করতো। বড় বড় নৌকায় ব্যবসায়ীরা মালামাল আনা নেওয়া করতেন। এখন বাজার বড় হয়েছে। বিভিন্ন কৌশলে খালটি ভরাট হয়ে দখল হয়ে যাচ্ছে। শত শত মানুষ খালটি দখল করেই চলছে। এভাবে দখল হতে থাকলে হুমকির মুখে পড়া লালমোহন খালটি অচিরেই ড্রেনে পরিণত হবে।
সরেজমিন দেখা যায়, লালমোহন বাজারের উত্তর মাথায় লালমোহন হাসপাতালের ব্রিজের দুই পাশের খাল দখল করে নিয়েছে স্থানীয়রা। পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ডের আওতাভূক্ত হাসপাতালের ব্রিজের সাথেই চলছে তিনতলা ভবন নির্মাণের কাজ। স্থানীয়রা জানায় জনৈক জিয়া উদ্দিন এই পাকা ভবন নির্মাণ করছেন। এর বেশি কিছু বলতে রাজি হননি কেউ। সাংবাদিকের উপস্থিতির খবর পেয়ে জিয়া উদ্দিন এসে জানান, এই জমি তিনি কিনেছেন। কার কাছ থেকে কিনেছেন তার কোন সদুত্তর দিতে পারেননি এবং জমির কোন রকর্ডপত্র দেখাতে পারেন নি। তবে জিয়া উদ্দিন জানান, ভবন নির্মাণের জন্য তিনি পৌরসভার অনুমোদন পাওয়ার চেষ্টা করছেন। এখনো অনুমতি পাননি।
এ বিষয়ে লালমোহন পৌরসভার মেয়র মোঃ এমদাদুল ইসলাম তুহিন বাংলাদেশ প্রতিদিনকে জানান, বৈধ কাগজপত্র না থাকায় পৌরসভা থেকে জিয়া উদ্দিনকে ভবন নির্মানের অনুমোদন দেয়া হয়নি। অনুমতি পাওয়ার জন্য সে বিভিন্নভাবে তদ্বির করছে।
লালমোহন উপজেলা ভূমী কর্মকর্তা মোঃ জাহিদুল ইসলাম জানান, খাল দখলের বিষয়টি তারা শুনেছেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে কথা বলে কাগজপত্র দেখে খালটি দখলমুক্ত কারার পদক্ষেপ নেয়া হবে।
এ বষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পল্লব কুমার হাজরা জানান, রেকর্ডীয় জমি ছাড়া খাল দখল করে কেউ ভবন নির্মাণ করতে পারেন না। যদি কেউ সরকারি জমি দখল করে থাকে তাহলে রেকর্ডপত্র দেখে শীঘ্রই তাদেরকে উচ্ছেদের উদ্যোগ নেয়া হবে।
শারীরিক শিক্ষা শিক্ষক এসোসিয়েশনের ভোলা জেলা পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন
মনপুরায় ১০ গ্রামে অধিকাংশ এলাকায় জলাবদ্ধতায় পানিবন্দি ১৫ হাজার বাসিন্দা
সারা দেশের সাথে নৌযোগাযোগ বন্ধ, বিচ্ছিন্ন মনপুরা
চরফ্যাশনে নিরাপদ প্রসব নিশ্চিতে ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রে জরুরি ওষুধ বিতরণ
আসুন ‘সবুজ বসতি’ গড়ে তুলি : প্রধানমন্ত্রী
আগামী সংসদ নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হবে: আইনমন্ত্রী
আধুনিক ও সময়োপযোগী জাতিসংঘ পুলিশ গঠনের আহ্বান বাংলাদেশের
স্থানীয় নির্বাচন: চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ ৩১ আগস্ট
জাতীয় পরিবেশ পদক পেলেন ৩ ব্যক্তি ও ৩ প্রতিষ্ঠান
বার কাউন্সিলের মতো সাংবাদিক নিবন্ধনের ব্যবস্থা হচ্ছে: তথ্যমন্ত্রী
ভোলায় বিষের বোতল নিয়ে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকা
ভোলায় পাঁচ সন্তানের জননীকে গলা কেটে হত্যা
উৎসবের ঋতু হেমন্ত কাল
ভোলার ৪৩ এলাকা রেড জোন চিহ্নিত: আসছে লকডাউনের ঘোষনা
ভোলায় বাবা-মেয়ে করোনায় আক্রান্ত, ৪৫ বাড়ি লকডাউন
ভোলায় এবার কলেজ ছাত্র হত্যা, মাটি খুঁড়ে লাশ উদ্ধার
ঢাকা-ভোলা নৌ-রুটের দিবা সার্ভিসে যুক্ত হলো এমভি দোয়েল পাখি-১র
কাশফুল জানান দিচ্ছ বাংলার প্রকৃতিতে এখন ভরা শরৎ
জাতীয় সংসদে জাতির পিতার ছবি টানানোর নির্দেশ
ভোলায় প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন করোনা রোগী: এলাকায় আতংক