অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, রবিবার, ৩০শে আগস্ট ২০২৬ | ১৪ই ভাদ্র ১৪৩৩


লালমোহনের অদম্য এক নাঈমুল


লালমোহন প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ৩০শে ডিসেম্বর ২০২২ রাত ১০:২৪

remove_red_eye

৩৬১

লালমোহন প্রতিনিধি: মো. নাঈমুল ইসলাম। ২০১৯ সালে লালমোহন কলেজিয়েট মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে এ গ্রেডে এসএসসি পাস করেন তিনি। আর ২০২১ সালে লালমোহন হা-মীম রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হন নাঈমুল। এরপরের যাত্রাটা তার অন্য রকম। এসএসসিতে জিপিএ-৫ না থাকলেও এইচএসসির জিপিএ-৫ নিয়ে স্বপ্ন দেখা শুরু করেন দেশের সুনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয় অথবা মেডিকেল কলেজে ভর্তি হওয়ার। নাঈমুলের সেই স্বপ্ন বাস্তবে রূপ দেন লালমোহন হা-মীম রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মো. রুহুল আমিন। নাঈমুল ইসলাম ভোলার লালমোহন উপজেলার কালমা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মেলকার বাড়ির মো. জালাল মেলকারের ছেলে।
মো. নাঈমুল ইসলাম বলেন, আমি গরিব পরিবারের সন্তান। বাবা একটি প্রতিষ্ঠানের বাবুর্চির কাজ করেন। তাই ভালো কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারিনি। তারপরেও নিজ চেষ্টায় এ গ্রেডে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হই। এরপর লালমোহন হা-মীম রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ রুহুল আমিন স্যারের কৃপায় সেখানে ভর্তি হই। প্রতিষ্ঠানটি প্রাইভেট। আর শিক্ষার মানের দিক থেকেও উপজেলায় সর্বোচ্চ এই প্রতিষ্ঠান। তবে প্রাইভেট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হলেও সেখানে পড়তে আমার থেকে কোনো প্রকার টাকা নেননি অধ্যক্ষ স্যার। এমনকি ফ্রিতে আবাসিকে রেখে পড়ার সুযোগ করে দেন। তিনিই আমাকে স্বপ্ন দেখিয়েছেন জীবনে বড় কিছু হওয়ার। তাঁর কথা মতো লেখাপড়ায় মনযোগী হয়ে এইচএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হই।
নাঈমুল আরো বলেন, এইচএসসি পাসের পর শুরু হয় স্বপ্ন পূরণের মূল লড়াই। যার জন্য নিজেকে আরো জ্ঞানে সমৃদ্ধ করতে ঢাকায় গিয়ে কোচিং করতে হয়। যেখানের সব খরচ বহন করেছেন লালমোহন হা-মীম রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ স্যার। এরপর মেডিকেলের জন্য ভর্তি পরীক্ষা দেই। এসএসসিতে জিপিএ-৫ না থাকায় সেখানে আর ভাগ্য সহায় হয়নি। এরপর বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য লড়াই শুরু করি। অধ্যক্ষ রুহুল আমিন স্যারের উৎসাহ আর নিজের প্রচেষ্টায় অতঃপর ২০২২ সালে কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে টিকে যাই। পরে নিজের সুবিধার্থে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি হই। এখান থেকে অনার্স-মাস্টার্স শেষ করে ইনশাআল্লাহ বিসিএস পরীক্ষায়ও অংশ নিবো। এরপর সেখানে উত্তীর্ণ হতে পারলে নিজেকে দেশের স্বার্থ রক্ষায় নিয়োজিত করবো।
লালমোহন হা-মীম রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মো. রুহুল আমিন জানান, কেবল নাঈমুল-ই না, আমার প্রতিষ্ঠানটি প্রাইভেট হলেও এখানে গরীব পরিবারের মেধাবী শিক্ষার্থীদের বিশেষ সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা হয়। এরপর তাদের লক্ষ্য জেনে সেই গন্তব্যে পৌঁছে দেয়া পর্যন্ত আমরা কাজ করি। আমাদের প্রতিষ্ঠানের একটাই লক্ষ্য, প্রকৃত মেধাবী গড়া। আর সেই লক্ষ্য পূরণেই আমাদের প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরাও অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন। আমরা বিগত দিনেও শিক্ষার্থীদের পাশে ছিলাম, ভবিষ্যতেও ইনশাআল্লাহ তাদের পাশে থাকবো।

 





গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদ ও ভুক্তভোগীদের আকাঙ্ক্ষা পূরণে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ : প্রধানমন্ত্রী

গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদ ও ভুক্তভোগীদের আকাঙ্ক্ষা পূরণে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ : প্রধানমন্ত্রী

লুট-অবৈধ অস্ত্রের তথ্য দিলেই ২ লাখ টাকা পুরস্কার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

লুট-অবৈধ অস্ত্রের তথ্য দিলেই ২ লাখ টাকা পুরস্কার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

গুম-খুন ও জুলাই শহীদ পরিবারের পাশে থাকবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

গুম-খুন ও জুলাই শহীদ পরিবারের পাশে থাকবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

মক্কা চুক্তির বিষয়ে সব বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেবে সরকার: আইনমন্ত্রী

মক্কা চুক্তির বিষয়ে সব বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেবে সরকার: আইনমন্ত্রী

মির্জা ফখরুলকে পুতিনসহ ৭ দেশের রাষ্ট্রপ্রধানের অভিনন্দন

মির্জা ফখরুলকে পুতিনসহ ৭ দেশের রাষ্ট্রপ্রধানের অভিনন্দন

গুমের দিন শেষ, বিগত ঘটনারও বিচার হবে: প্রতিমন্ত্রী ইশরাক

গুমের দিন শেষ, বিগত ঘটনারও বিচার হবে: প্রতিমন্ত্রী ইশরাক

জুলাই শহীদদের আত্মত্যাগেই ফ্যাসিবাদমুক্ত দেশের মানুষ: প্রধানমন্ত্রী

জুলাই শহীদদের আত্মত্যাগেই ফ্যাসিবাদমুক্ত দেশের মানুষ: প্রধানমন্ত্রী

অপরাধ দমনে ব্যর্থ পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

অপরাধ দমনে ব্যর্থ পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আগামীকাল আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস

আগামীকাল আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস

জুলাই শহীদ ও গুমের শিকার পরিবারের আরও ৭৪ জন চাকরি পেলেন

জুলাই শহীদ ও গুমের শিকার পরিবারের আরও ৭৪ জন চাকরি পেলেন

আরও...