অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, বুধবার, ২১শে অক্টোবর ২০২৬ | ৬ই কার্তিক ১৪৩৩


ভুতুড়ে খতিয়ানের ফাঁসে সর্বশান্ত অবসর প্রাপ্ত শিক্ষক পরিবার


চরফ্যাসন প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১৪ই জানুয়ারী ২০২৩ রাত ০৮:৪৭

remove_red_eye

৫৬০

সোয়েব চৌধুরী,চরফ্যাশন: ভোলার চরফ্যাশনের চর মানিকা ইউনিয়নের উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা(তহশীলদার)’র ‘ভূল নামজারী’র ফাঁসে জড়িয়ে সর্বশান্ত হয়েছে অবসর প্রাপ্ত  শিক্ষক নুরুল আমিন হাওলাদারের পরিবার। খতিয়ানে মূল মালিক আবদুস সাত্তারের জমি না থাকলেও তিনি ৩১ শতাংশ জমি ফরিদ উদ্দিন মাষ্টারের কাছে বিক্রি করেন। চর মানিকা ইউনিয়নের উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা(তহশীলদার)’র মারুফ হোসেন ফরিদ উদ্দিন মাষ্টারে ভুতুড়ে দলিল দিয়ে তার নামে নামজারী করে দেন। ফলে ফরিদ উদ্দিন মাষ্টারের নামে ভুতুড়ে দলিলে নামজারী হওয়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক নুরুল আমিন হালাদারের ৪০ বছরের ভোগদখলীয় জমি জবর দখলে মরিয়া হয়ে উঠেন ফরিদ উদ্দিন মাষ্টার। দু’টি পক্ষের মধ্যে জমির মালিকানা বিরোধ নিয়ে সৃষ্ট এ সংকটের দায় কে নেবে এবং সমাধানের কি পথ আছে এই প্রশ্ন উঠেছে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে।
জানাগেছে, চর মানিকা মৌজার ৫৫০ খতিয়ানের ১ একর ৪৬ জমির মূল মালিক ছিলেন জনৈক আবদুস সাত্তার। যা থেকে আবদুস সাত্তার ১৯৯৬ সনে নুরুল আমিন মুন্সির কাছে সাড়ে ৬২ শতাংশ, ১৯৯৮ সনে শাহ আলমের কাছে ৬২ শতাংশ এবং একই বছরে জাহাঙ্গীর আলমের কাছে ২১ শতাংশসহ মোট ১ একর৪৫ দশমিক ৫০ শতাংশ জমি সাব কাবলা বিক্রি করেন। সংশ্লিষ্ট তিন ক্রেতাই তাদের জমি নিজ নিজ নামে জমাখারিজ করে নেন। ফলে আবদুস সাত্তারের খতিয়ানে অবশিষ্ট জমি ছিল দশমিক ৫০ শতাংশ মাত্র। কিন্ত খতিয়ানে দশমিক ৫০ শতাংশ জমি থাকা অবস্থায় আবদুস সাত্তার ২০২১ সনে মাদ্রাসা শিক্ষক ফরিদ উদ্দিনের কাছে ৩১ শতাংশ জমি বিক্রি করেন। প্রশ্ন উঠেছে-এটা কি করে সম্ভব? এ নিয়ে ফরিদ উদ্দিন ও নুরুল আমিন হাওলাদারের পরিবারের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

শিক্ষক নুরুল আমিন হাওলাদার জানান,বিক্রেতা আবদুস সাত্তার এবং ক্রেতা ফরিদ উদ্দিন মাষ্টার চর মানিকা ভূমি অফিসের দায়িত্বরত উপ-সহকারী কর্মকর্তা মারুফ হোসেনকে ম্যানেজ করে ২৭০-এফ/২০২১-২০২২ মিস কেইচের মাধ্যমে খতিয়ানে ভুতুড়ে জমি দেখিয়ে ৩১ শতাংশ জমি সাবকাবলা মূলে বিক্রি করেন। ভুতুড়ে জমি দলিল নিয়ে মাদ্রাসা শিক্ষক ফরিদ উদ্দিন এখন তার ৪০ বছরের ভোগদখলীয় জমি জবর দখল করে বাড়িঘর তৈরী করছেন। ইউনিয়নের উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা(তহশীলদারের কারসাজিতে ‘ভূল নামজারী’র ফাঁসে জড়িয়ে সর্বশান্ত হয়ে পরেছেন তিনি এবং তার পরিবার।
অভিযোগ প্রসঙ্গে ফরিদ উদ্দিন মাষ্টার জানান, তিনি ওই খতিয়ানে তার খরিদা জমিতে নির্মান কাজ করছেন। নুরুল ইসলাম হাওলাদারের জমি জবর দখলের বিষয় সঠিক নয়।
অভিযোগ প্রসঙ্গে চর মানিকা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা মারুফ হোসেন জানান, ভূল হয়েছে। এ বিষয়ে একটি মিস কেইচ চলমান আছে। যেখানে পূর্ববর্তী মিসকেইচ বাতিল করে ফরিদ উদ্দনের নামে সৃজিত খতিয়ানটি বাতিলের প্রস্তব দেয়া হয়েছে।
সহকারী কমিশনার (ভূমি) আবদুল মতিন খান জানান, এবিষয়য়ে একটি মিস কেইচ চলমান আছে। ভূক্তভোগিদের কাগজ পত্র যাচাই করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
ভুতুড়ে খতিয়ানের ফাঁসে সর্বশান্ত অবসর প্রাপ্ত  শিক্ষক পরিবার
সোয়েব চৌধুরী,চরফ্যাশন \ ভোলার চরফ্যাশনের চর মানিকা ইউনিয়নের উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা(তহশীলদার)’র ‘ভূল নামজারী’র ফাঁসে জড়িয়ে সর্বশান্ত হয়েছে অবসর প্রাপ্ত  শিক্ষক নুরুল আমিন হাওলাদারের পরিবার। খতিয়ানে মূল মালিক আবদুস সাত্তারের জমি না থাকলেও তিনি ৩১ শতাংশ জমি ফরিদ উদ্দিন মাষ্টারের কাছে বিক্রি করেন। চর মানিকা ইউনিয়নের উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা(তহশীলদার)’র মারুফ হোসেন ফরিদ উদ্দিন মাষ্টারে ভুতুড়ে দলিল দিয়ে তার নামে নামজারী করে দেন। ফলে ফরিদ উদ্দিন মাষ্টারের নামে ভুতুড়ে দলিলে নামজারী হওয়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক নুরুল আমিন হালাদারের ৪০ বছরের ভোগদখলীয় জমি জবর দখলে মরিয়া হয়ে উঠেন ফরিদ উদ্দিন মাষ্টার। দু’টি পক্ষের মধ্যে জমির মালিকানা বিরোধ নিয়ে সৃষ্ট এ সংকটের দায় কে নেবে এবং সমাধানের কি পথ আছে এই প্রশ্ন উঠেছে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে।
জানাগেছে, চর মানিকা মৌজার ৫৫০ খতিয়ানের ১ একর ৪৬ জমির মূল মালিক ছিলেন জনৈক আবদুস সাত্তার। যা থেকে আবদুস সাত্তার ১৯৯৬ সনে নুরুল আমিন মুন্সির কাছে সাড়ে ৬২ শতাংশ, ১৯৯৮ সনে শাহ আলমের কাছে ৬২ শতাংশ এবং একই বছরে জাহাঙ্গীর আলমের কাছে ২১ শতাংশসহ মোট ১ একর৪৫ দশমিক ৫০ শতাংশ জমি সাব কাবলা বিক্রি করেন। সংশ্লিষ্ট তিন ক্রেতাই তাদের জমি নিজ নিজ নামে জমাখারিজ করে নেন। ফলে আবদুস সাত্তারের খতিয়ানে অবশিষ্ট জমি ছিল দশমিক ৫০ শতাংশ মাত্র। কিন্ত খতিয়ানে দশমিক ৫০ শতাংশ জমি থাকা অবস্থায় আবদুস সাত্তার ২০২১ সনে মাদ্রাসা শিক্ষক ফরিদ উদ্দিনের কাছে ৩১ শতাংশ জমি বিক্রি করেন। প্রশ্ন উঠেছে-এটা কি করে সম্ভব? এ নিয়ে ফরিদ উদ্দিন ও নুরুল আমিন হাওলাদারের পরিবারের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

শিক্ষক নুরুল আমিন হাওলাদার জানান,বিক্রেতা আবদুস সাত্তার এবং ক্রেতা ফরিদ উদ্দিন মাষ্টার চর মানিকা ভূমি অফিসের দায়িত্বরত উপ-সহকারী কর্মকর্তা মারুফ হোসেনকে ম্যানেজ করে ২৭০-এফ/২০২১-২০২২ মিস কেইচের মাধ্যমে খতিয়ানে ভুতুড়ে জমি দেখিয়ে ৩১ শতাংশ জমি সাবকাবলা মূলে বিক্রি করেন। ভুতুড়ে জমি দলিল নিয়ে মাদ্রাসা শিক্ষক ফরিদ উদ্দিন এখন তার ৪০ বছরের ভোগদখলীয় জমি জবর দখল করে বাড়িঘর তৈরী করছেন। ইউনিয়নের উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা(তহশীলদারের কারসাজিতে ‘ভূল নামজারী’র ফাঁসে জড়িয়ে সর্বশান্ত হয়ে পরেছেন তিনি এবং তার পরিবার।
অভিযোগ প্রসঙ্গে ফরিদ উদ্দিন মাষ্টার জানান, তিনি ওই খতিয়ানে তার খরিদা জমিতে নির্মান কাজ করছেন। নুরুল ইসলাম হাওলাদারের জমি জবর দখলের বিষয় সঠিক নয়।
অভিযোগ প্রসঙ্গে চর মানিকা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা মারুফ হোসেন জানান, ভূল হয়েছে। এ বিষয়ে একটি মিস কেইচ চলমান আছে। যেখানে পূর্ববর্তী মিসকেইচ বাতিল করে ফরিদ উদ্দনের নামে সৃজিত খতিয়ানটি বাতিলের প্রস্তব দেয়া হয়েছে।
সহকারী কমিশনার (ভূমি) আবদুল মতিন খান জানান, এবিষয়য়ে একটি মিস কেইচ চলমান আছে। ভূক্তভোগিদের কাগজ পত্র যাচাই করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।





আওয়ামী লীগের মতো লুটপাটের পুনরাবৃত্তি হতে দেওয়া হবে না: স্পিকার

আওয়ামী লীগের মতো লুটপাটের পুনরাবৃত্তি হতে দেওয়া হবে না: স্পিকার

লালমোহনে ‘স্পিকার মেজর হাফিজ ফুটবল টুর্নামেন্ট'র উদ্বোধন

লালমোহনে ‘স্পিকার মেজর হাফিজ ফুটবল টুর্নামেন্ট'র উদ্বোধন

লালমোহনে নদীতে মাছ শিকারের দায়ে ৪ জেলের জেল

লালমোহনে নদীতে মাছ শিকারের দায়ে ৪ জেলের জেল

ভোলায় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী পার্থের উদ্যোগে ফ্রি চক্ষু ক্যাম্পে চিকিৎসা সেবা ও ওষুধ বিতরণ

ভোলায় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী পার্থের উদ্যোগে ফ্রি চক্ষু ক্যাম্পে চিকিৎসা সেবা ও ওষুধ বিতরণ

হাজার বছর ধরে সব ধর্মের মানুষ শান্তি-সম্প্রীতির বন্ধনে বসবাস করুক : প্রধানমন্ত্রী

হাজার বছর ধরে সব ধর্মের মানুষ শান্তি-সম্প্রীতির বন্ধনে বসবাস করুক : প্রধানমন্ত্রী

সব ধর্মের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে দেশ গড়তে চাই: প্রধানমন্ত্রী

সব ধর্মের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে দেশ গড়তে চাই: প্রধানমন্ত্রী

অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধে ৬৪ জেলায় সচেতনতা ও স্ক্রিনিং কার্যক্রমের আহ্বান ডা. জুবাইদা রহমানের

অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধে ৬৪ জেলায় সচেতনতা ও স্ক্রিনিং কার্যক্রমের আহ্বান ডা. জুবাইদা রহমানের

এইচএসসি পরীক্ষার ফল হতে পারে ২৯ নভেম্বর

এইচএসসি পরীক্ষার ফল হতে পারে ২৯ নভেম্বর

মাদকবিরোধী অভিযানে ইশরাকের হাতে অস্ত্র না থাকলে ভালো হতো: শফিকুর রহমান

মাদকবিরোধী অভিযানে ইশরাকের হাতে অস্ত্র না থাকলে ভালো হতো: শফিকুর রহমান

একমাত্র সন্তানের স্ত্রীর অত্যাচারে লালমোহনে ঘরে থাকাই কষ্টসাধ্য বৃদ্ধ মা রোকেয়া বেগমের

একমাত্র সন্তানের স্ত্রীর অত্যাচারে লালমোহনে ঘরে থাকাই কষ্টসাধ্য বৃদ্ধ মা রোকেয়া বেগমের

আরও...