অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, শনিবার, ২৯শে আগস্ট ২০২৬ | ১৪ই ভাদ্র ১৪৩৩


নিষেধাজ্ঞার এক মাস পরও সরকারি সহায়তা পাননি চরফ্যাশনের জেলেরা


বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৫ই এপ্রিল ২০২৬ সকাল ০৭:৩৮

remove_red_eye

২৪৯

বাংলার কন্ঠ ডেস্ক : ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার মেঘনা-তেঁতুলিয়া নদীতে জাটকা সংরক্ষণের ওপর নিষেধাজ্ঞার ৩৩ দিন পার হলেও সরকারি সহায়তার আওতায় আসেনি উপজেলার মাঈনউদ্দিন ঘাট এলাকার প্রায় পাঁচশ নিবন্ধিত মৎস্যজীবী। এতে পরিবার নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন তারা।
মার্চ-এপ্রিল সরকার ঘোষিত অভয়াশ্রম চলছে। সরকারের এই নিষেধাজ্ঞা জাটকা সংরক্ষণ এবং ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য চর ইলিশা হতে চরপিয়াল ৯০ কিলোমিটার, ভেদুরিয়া হতে চর রুস্তম ১০০ কিলোমিটার সব ধরনের মাছ শিকারের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। এ সীমানায় কোনো মাছ আহরণ করতে পারবেন না জেলেরা।
এই দুই মাস সরকারি ৪০ কেজি করে চাল জেলেরা পাবেন। তবে সব নিবন্ধিত জেলেরা এ চালের আওতায় এখন আসেননি। কারণ সরকার শতভাগ বরাদ্দ দিতে পারেনি। ২ মাসের বরাদ্দ থেকেই মার্চ-এপ্রিল অভায়শ্রম অভিযানের আওতায় সুবিধাসমূহ পাবে। এর বাহিরে কোনো সরকারি বরাদ্দ নেই।
জেলেদের একটি জোর দাবি হলো- অবৈধ জাল তৈরির ফ্যাক্টরি বন্ধ করা। মাঈনউদ্দিন ঘাটে প্রায় ৫ হাজারের মতো জেলে রয়েছেন। সরেজমিনে গিয়ে ওই মৎস্যঘাটের ২২ জন মৎস্যজীবীর সঙ্গে কথা হয়। তারা চরম হতাশা প্রকাশ করে বলেন, নিষেধাজ্ঞার ৩২ দিন পার হলেও জেলে কার্ড থাকা সত্ত্বেও কোনো ধরনের সরকারি সহায়তা পাইনি নিবন্ধিত জেলেরা।
জেলে মো. ইউনুস, মো. আবু খায়ের ও মো. হুমায়ূন মাঝিসহ অনেকেই বলন, পরিবার-পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছি। নিষেধাজ্ঞার এ সময়ে নৌকা ও জাল মেরামতে ব্যস্ত সময় পার করছি। তাই সরকারি সহায়তা খুব দ্রুত আশা করছি।
চরফ্যাশন উপজেলার মেঘনা নদীর সামরাজ ও মাইনুদ্দিন ঘাটে গিয়ে দেখা যায়, নদীর এক পাশে জাল ও নৌকা তুলে রাখছেন জেলেরা।
হাজারিগঞ্জ ও জাহানপুর গ্রামের জেলে আবদুল মালেক, আবদুল মন্নান বেপারী, মনির হোসেন ও ইদ্রিস আলী অভিযোগ করে বলেন, তারা দীর্ঘদিন থেকে মেঘনা নদীতে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন। সরকারি সহায়তা পাওয়ার জন্য স্থানীয় দলীয় নেতা কর্মীদের দাপটে প্রকৃত জেলেদের বাদ দিয়ে টাকার বিনিময়ে অন্য পেশার লোকদের জেলে কার্ডের চাল দেওয়ার পাঁয়তারা চলছে। তাই সরকারি সহায়তা না পেয়ে নিষিদ্ধ সময়ে পেটের দায়ে নদীতে মাছ শিকার করতে বাধ্য হচ্ছেন তার।
জেলেরা  জানান, নিষিদ্ধ সময়ের আগে মাছ ধরে কিছু টাকা সঞ্চয় করলেও এ টাকা এখন শেষ হওয়ার পথে। আমাদের কাজ মাছ ধরা আমরা অন্য কোনো কাজ করতে পারি না। তাই সরকারি সহায়তা না পেলে হয় আমাদের চুরি করতে হবে, না হয় নদীতে মাছ ধরতে হবে।
নিবন্ধিত জেলে নুর হোসেন মাঝি জানান, একজন জেলে পরিবারের সদস্য সংখ্যা ৮-১০ জন। সরকারি যে চাল দেয় তা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম।
সামরাজ মাছ ঘাটের আড়তদার মো. আজিজ পাটোয়ারি জানান, প্রকৃত জেলেদের বেশির ভাগই কার্ড পায়নি। যারা কার্ড পেয়েছে তার মধ্যে ৮০ ভাগ অন্য পেশার, ২০ ভাগ জেলে।
এ বিষয়ে চরফ্যাশন উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার অপু বলেন, চরফ্যাশন উপজেলায় মোট নিবন্ধিত জেলে রয়েছেন ৪৪ হাজার ৩১১ জন। এর মধ্যে নিবন্ধিত ২৪ হাজার ২শ জন জেলে পরিবার ভিজিএফ চাল পাবেন। এখনো ভিজিএফ চাল বিতরণের কাজ শুরু হয়নি। দুই-একদিনের মধ্যে পর্যায়ক্রমে দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।




লালমোহন উপজেলা শারীরিক শিক্ষা শিক্ষক এসোসিয়েশনের কমিটি গঠন

লালমোহন উপজেলা শারীরিক শিক্ষা শিক্ষক এসোসিয়েশনের কমিটি গঠন

এই সংসদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত: স্পিকার

এই সংসদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত: স্পিকার

রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনে সম্পূর্ণ দলনিরপেক্ষভাবে কাজ করব : রাষ্ট্রপতি

রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনে সম্পূর্ণ দলনিরপেক্ষভাবে কাজ করব : রাষ্ট্রপতি

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য ঘিরে প্রথম দিনেই উত্তপ্ত সংসদ

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য ঘিরে প্রথম দিনেই উত্তপ্ত সংসদ

সেপ্টেম্বরে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তফসিল, ডিসেম্বরে প্রথম ধাপের ভোট : সিইসি

সেপ্টেম্বরে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তফসিল, ডিসেম্বরে প্রথম ধাপের ভোট : সিইসি

এটি প্রশ্ন হলো নাকি পল্টনের বক্তব্য, হাসনাতকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

এটি প্রশ্ন হলো নাকি পল্টনের বক্তব্য, হাসনাতকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বন্যা-ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত নেপালে ত্রাণ পাঠাচ্ছে বাংলাদেশ

বন্যা-ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত নেপালে ত্রাণ পাঠাচ্ছে বাংলাদেশ

নেপালে বন্যা ও ভূমিধসে প্রাণহানিতে রাষ্ট্রপতির শোক

নেপালে বন্যা ও ভূমিধসে প্রাণহানিতে রাষ্ট্রপতির শোক

মক্কা চুক্তি বিশ্ব মুসলিম পরিবারের আত্মরক্ষার বিষয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

মক্কা চুক্তি বিশ্ব মুসলিম পরিবারের আত্মরক্ষার বিষয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

নেপালে বন্যা-ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা পাঠাবে বাংলাদেশ

নেপালে বন্যা-ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা পাঠাবে বাংলাদেশ

আরও...