অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, বৃহঃস্পতিবার, ৩০শে এপ্রিল ২০২৬ | ১৭ই বৈশাখ ১৪৩৩


ভোলায় বারি মুগ ডালের কৌশল শীর্ষক মাঠ দিবস পালিত


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৮শে এপ্রিল ২০২৬ রাত ০৮:১২

remove_red_eye

৪৪

বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক : ভোলায় কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট কতৃক উদ্ভাবিত বারি মুগ -৬ ও বারি মুগ-৮ এর উপর কৌশল শীর্ষক মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত পালিত হয়েছে। আজ দুপুরে ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নে অনুষ্ঠিত মাঠ দিবসে প্রধান অতিথি ছিলেন বরিশালের আঞ্চলিক ডাল গবেষণা কেন্দ্রের পরিচালক ড. মোখলেসুর রহমান। 
বাংলাদেশ আঞ্চলিক ডাল গবেষণা কেন্দ্রে  মাদারীপুরের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বৃহত্তর বরিশাল - ফরিদপুর অঞ্চলের ডাল ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি  প্রকল্প আঞ্চলিক ডাল গবেষণা কেন্দ্র (বিএআরআই) আয়োজনে, ভোলা সরজমিন গবেষণা বিভাগের সহযোগিতায় মাঠ এই  দিবসের   আয়োজন করা হয়েছে। 
 
প্রকল্প পরিচালক ড. সেলিম আহমেদ এর  সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন গাজীপুরের ডাল গবেষণা উপ-কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. একেএম মাহাবুবুল আলম, ডাল গবেষণা কেন্দ্রের সাবেক পরিচালক ড. মোঃ সালেহ উদ্দিন, ভোলা কৃষি গবেষণা  ইনিস্টিটিউটের উর্ধতন  বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা আখতার-উজ-জামান,  মামুনুর রশিদ, শাহিন মাহমুদ প্রমূখ। 
 
প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে ড. মোখলেসুর রহমান বলেন, বারি মুগ-৬ ও বারি-৮ দু'টি  উচ্চ ফলনশীল জাত, যা কৃষকদের আয় বৃদ্ধি ও পুষ্টি চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি কৃষকদের এ জাতের চাষাবাদে উদ্বুদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।
 
তিনি আরো বলেন,  দেশে  ডালের ঘাটতি রয়েছে। এর চাহিদা পূরণে বারি মুগ-৬ ও বারি মুগ-৮ অনুসরণ করা প্রয়োজন। এতে জমির উর্বরতা বজায় থাকবে। হবে পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ। বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে খাদ্য স্বয়ংসম্ভরতা অর্জনে লক্ষ্যে প্রতি ইঞ্চি জমি চাষের আওতায় এনে একসাথে কাজ করতে হবে।  
অনুষ্ঠানে বক্তারা, বারি মুগ-৬ ও বারি মুগ-৮’র চাষপদ্ধতি এবং এর উপকারিতা সম্পর্কে কৃষকদের ধারণা দেন। ডাল ফসলের গবেষণা ও উন্নয়ন প্রকল্পের আওতাধীন ৬০ জন কৃষাণ-কৃষাণী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।