বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক
প্রকাশিত: ৭ই জুলাই ২০২৬ রাত ১০:১৪
১৬০
বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক : দেশের চরাঞ্চলগুলোতে দীর্ঘদিনের 'জোর যার মুল্লুক তার' নীতি আর চলতে দেওয়া হবে না এবং ভূমি অফিসের অসাধু কর্মকর্তাদের যোগসাজশে ভুয়া সনদে বিত্তশালীদের খাস জমি হাতিয়ে নেওয়ার দিন শেষ হতে চলেছে। ভোলা-৪ (চরফ্যাশন-মনপুরা) আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ নূরুল ইসলামের উত্থাপিত জনগুরুত্বপূর্ণ নোটিশের জবাবে এই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান।
একই সঙ্গে তিনি স্পিকারের নির্বাচনী এলাকার পাশেই অবস্থিত এই চরাঞ্চলের প্রকৃত চিত্র দেখতে ভূমিমন্ত্রী ও মন্ত্রণালয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের নিয়ে খুব দ্রুত সরজমিন পরিদর্শনে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। সংসদ সদস্যের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী স্পষ্ট করেন যে, বর্তমান সরকারের অগ্রাধিকার পরিকল্পনায় খাস জমি চিহ্নিতকরণ ও অবৈধ দখলমুক্ত করার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ-এর সভাপতিত্বে জরুরি এই জন-গুরুত্বসম্পন্ন বিষয়ে নোটিশ দেন মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম।
সংসদে কার্যপ্রণালি বিধির ৭১ বিধি অনুযায়ী খাস জমি বন্দোবস্তের বিষয়টি উত্থাপন করে মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম জানান, দেশে সরকারি হিসাবে প্রায় ৩৮ লাখ ৫৩ হাজার ৭৯৪ একর খাস জমি থাকলেও তার একটি বড় অংশই প্রভাবশালীদের দখলে। বিশেষ করে তার নির্বাচনী এলাকা চরফ্যাশন ও মনপুরায় গত ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদী শাসনে নদীভাঙা বাস্তুহারা মানুষ চরম বঞ্চনার শিকার হয়েছেন এবং রাজনৈতিক প্রভাবশালীরা অসৎ কর্মকর্তাদের সাথে মিলে ভূমিহীনদের জমি দখল করে নিয়েছে। প্রকৃত ভূমিহীনদের অধিকার নিশ্চিত করতে সেখানে কোনো ডিজিটাল ডাটাবেজ তৈরির পরিকল্পনা আছে কিনা, তা জানতে চান তিনি।
সংসদ সদস্য মোহাম্মদ নূরুল ইসলামকে যুবসমাজের এক প্রতিবাদী ও আইকন লিডার হিসেবে আখ্যায়িত করে ভূমিমন্ত্রী তার অভিযোগ সম্পূর্ণ সঠিক বলে মেনে নেন। তিনি বলেন, ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন ২০২৩ এবং ২০২৪ সালের বিধিমালার কঠোর প্রয়োগের মাধ্যমে সারা দেশে জেলা প্রশাসকদের সহায়তায় উচ্ছেদ অভিযান চলছে। চরফ্যাশন ও মনপুরা সফরের মাধ্যমে স্থানীয় সব অনিয়ম দূর করে একটি সম্পূর্ণ স্বচ্ছ প্রশাসনিক ব্যবস্থা জনগণকে উপহার দেওয়া হবে।
এই আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে স্পিকার খাস জমি উদ্ধারে সব সংসদ সদস্যকে নিজ নিজ এলাকায় আরও বেশি সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান।
মোহাম্মদ নূরুল ইসলামকে ধন্যবাদ জানিয়ে স্পিকার বলেন, ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপির বিগত সরকারের আমলে ভোলা-৩ আসনে ২০ হাজার ভূমিহীন কৃষককে খাস জমি দেওয়া হয়েছিল, যেখানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া নিজে তজুমুদ্দিন স্টেডিয়ামে উপস্থিত থেকে কৃষকদের হাতে দলিল তুলে দিয়েছিলেন। সংসদ সদস্যরা আন্তরিক হলে এই খাস জমি বিতরণ কর্মসূচি সরকারের একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ হবে উল্লেখ করে স্পিকার জানান, সময় সুযোগ হলে ভূমিমন্ত্রীর এই ভোলা সফরে তিনিও অংশ নেওয়ার চেষ্টা করবেন।
সুত্র : ঢাকা পোস্ট
লালমোহন উপজেলা শারীরিক শিক্ষা শিক্ষক এসোসিয়েশনের কমিটি গঠন
এই সংসদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত: স্পিকার
রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনে সম্পূর্ণ দলনিরপেক্ষভাবে কাজ করব : রাষ্ট্রপতি
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য ঘিরে প্রথম দিনেই উত্তপ্ত সংসদ
সেপ্টেম্বরে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তফসিল, ডিসেম্বরে প্রথম ধাপের ভোট : সিইসি
এটি প্রশ্ন হলো নাকি পল্টনের বক্তব্য, হাসনাতকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
বন্যা-ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত নেপালে ত্রাণ পাঠাচ্ছে বাংলাদেশ
নেপালে বন্যা ও ভূমিধসে প্রাণহানিতে রাষ্ট্রপতির শোক
মক্কা চুক্তি বিশ্ব মুসলিম পরিবারের আত্মরক্ষার বিষয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
নেপালে বন্যা-ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা পাঠাবে বাংলাদেশ
ভোলায় বিষের বোতল নিয়ে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকা
ভোলায় পাঁচ সন্তানের জননীকে গলা কেটে হত্যা
উৎসবের ঋতু হেমন্ত কাল
ভোলার ৪৩ এলাকা রেড জোন চিহ্নিত: আসছে লকডাউনের ঘোষনা
ভোলায় বাবা-মেয়ে করোনায় আক্রান্ত, ৪৫ বাড়ি লকডাউন
ভোলায় এবার কলেজ ছাত্র হত্যা, মাটি খুঁড়ে লাশ উদ্ধার
ঢাকা-ভোলা নৌ-রুটের দিবা সার্ভিসে যুক্ত হলো এমভি দোয়েল পাখি-১র
কাশফুল জানান দিচ্ছ বাংলার প্রকৃতিতে এখন ভরা শরৎ
জাতীয় সংসদে জাতির পিতার ছবি টানানোর নির্দেশ
ভোলায় আন্তর্জাতিক দুর্নীতি বিরোধী দিবস পালিত