অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই ২০২৬ | ৩০শে আষাঢ় ১৪৩৩


বন্যার্তদের কাছে খাবার পৌঁছে দিতে হবে: রিজভী


বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৪ই জুলাই ২০২৬ রাত ০৮:২২

remove_red_eye

৩৮

পাহাড় ধস ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক ও শিল্প বিষয়ক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, বন্যার্ত মানুষের কাছে যাতে ত্রাণ পৌঁছায় ও কেউ যেন ক্ষুধার্ত না থাকে, সেজন্য তাদের কাছে খাবার পৌঁছে দিতে হবে।

মঙ্গলবার চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলায় বন্যাদুর্গত এলাকা পরিদর্শন ও ত্রাণ বিতরণকালে তিনি এ কথা বলেন।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, পাহাড় ধসে যে প্রবল বন্যা তৈরি হয়েছে, এখানে গ্রামের পর গ্রাম তলিয়ে গেছে। প্রাণিসম্পদ তলিয়ে গেছে। সব মিলিয়ে একটি খসড়া হিসাবে দেখলাম, প্রায় ৩০০ কোটি টাকার মতো ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। হয়তো হিসাবটা আরও বেশি হতে পারে। এ বিষয়ে সরকার সদা জাগ্রত এবং সদা সতর্ক রয়েছে। 

তিনি জানান, সরকারের পক্ষ থেকে সার্বক্ষণিক মনিটরিং করা হচ্ছে।

বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যেই স্থানীয় প্রশাসন ও সিভিল সার্জনদের সঙ্গে ভার্চুয়ালি মিটিং করেছেন। এলাকার অবস্থা ও বন্যার পানির অবস্থা সম্পর্কে তিনি জেনেছেন ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন।

চিকিৎসা সেবার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক ও শিল্প বিষয়ক উপদেষ্টা আরও জানান, পানিবাহিত যে রোগগুলো হয়, বিশেষ করে চর্মরোগ ও আমাশয় ইত্যাদি নিরাময়ের জন্য তিনি সিভিল সার্জন ও অন্যান্য চিকিৎসকদের নির্দেশ দিয়েছেন।

দ্রুত সময়ের মধ্যে বন্যাকবলিত গ্রামগুলোতে, বাড়িঘরে মানুষের কাছে যাতে ওষুধ পৌঁছায় তিনি সেই নির্দেশ দিয়েছেন।

রুহুল কবির রিজভী আরও বলেন, এদেশের মানুষ যুগ যুগ ধরে এই ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলা করেছে ও এখনও করছেন। আমরা বর্তমান প্রযুক্তির যুগে, এই বিজ্ঞানের যুগে আশা করছি, সরকার যে পদক্ষেপগুলো নিয়েছেন, সেগুলোর মাধ্যমে পরিবেশ ঠিক রেখে ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব বিবেচনায় রেখে কার্যকর সমাধান সম্ভব হবে।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী বলেন, বিগত সরকার দেশের মানুষের কথা চিন্তা না করে, অপরিকল্পিত স্থাপনা তৈরি করায় দেশে দুর্যোগ বেড়েছে। এসব স্থাপনায় ব্যাপক দুর্নীতি করে বিদেশে টাকা পাচার করা হয়েছে। 

তিনি আরও বলেন, বিগত সরকারের ব্যর্থতায় দেশের মানুষকে চরম দুর্ভোগে ভুগতে হচ্ছে। বর্তমান সরকার দেশের মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছে ও করে যাবে। 

এসময় ভূমি প্রতিমন্ত্রী ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল বলেন, জলাবদ্ধতা নিরসনের লক্ষ্যে চট্টগ্রাম শহর ও গ্রাম গঞ্জে এবং পার্বত্য চট্টগ্রামে যেসব কালভার্ট ও খালে অবৈধভাবে দখলে নিয়ে স্থাপনা করেছে সেগুলো উচ্ছেদ করা হচ্ছে। সেজন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। 
তিনি বলেন, ভবিষ্যতে জলবদ্ধতা নিরসনে চেষ্টা চালিয়ে যাবে সরকার। 

এসময় জেলা পুলিশ সুপার মাসুদ আলম, দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পা ও সদস্য সচিব লায়ন মো. হেলাল উদ্দিনসহ স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।