অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, বুধবার, ২রা সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ১৮ই ভাদ্র ১৪৩৩


মানুষ চলে যায়, রেখে যায় স্মৃতি আজ মরহুম আলহাজ্ব জাহাঙ্গীর আলম মিয়ার ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী


বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২রা সেপ্টেম্বর ২০২৬ সকাল ১০:০৯

remove_red_eye

৪১

বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক : মানুষ আসে, মানুষ চলে যায়—কিন্তু কিছু মানুষ তাদের কর্ম, ভালোবাসা ও মানবিকতার মাধ্যমে মানুষের হৃদয়ে চিরস্থায়ী হয়ে থাকেন। তেমনই একজন সমাজহিতৈষী ও মানবিক মানুষ ছিলেন ভোলা সদর উপজেলার জামিরালতা গ্রামের মরহুম আলহাজ্ব জাহাঙ্গীর আলম মিয়া। আজ ২ সেপ্টেম্বর তাঁর ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী।
১৯৫০ সালে ভোলা সদর উপজেলার জামিরালতা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন আলহাজ্ব জাহাঙ্গীর আলম মিয়া। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত তিনি নিজেকে মানুষের কল্যাণে নিয়োজিত রেখেছেন। লোকচক্ষুর অন্তরালে থেকে অসহায় ও সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন ও প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি।
সমাজসেবা, ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠানে নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁর ছিল দীর্ঘ ও বর্ণাঢ্য পথচলা। অর্থনৈতিক স্বচ্ছতা, সততা ও দায়িত্বশীলতার মাধ্যমে তিনি অর্জন করেছিলেন মানুষের অগাধ বিশ্বাস ও ভালোবাসা।
মরহুম আলহাজ্ব জাহাঙ্গীর আলম মিয়া ভোলা পৌরসভার নির্বাচিত কাউন্সিলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া দীর্ঘদিন তিনি ভোলা জেলা জুয়েলার্স মালিক সমিতির অপ্রতিদ্বন্দ্বী সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি জামিরালতা ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, জেলা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সভাপতি, ইটভাটা মালিক সমিতির সভাপতি, ভোলা জেলা চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি, টাউন কমিটি (বাংলাস্কুল) পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি, ঠিকাদার সমিতির সভাপতি এবং ভোলা-লক্ষ্মীপুর ফেরি সার্ভিস বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।
এছাড়াও তিনি দৈনিক বাংলার কণ্ঠ পত্রিকার উপদেষ্টা, জেলা কমিটি পুলিশের সাধারণ সম্পাদকসহ বিভিন্ন সামাজিক, ব্যবসায়িক ও প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন। তাঁর কর্মময় জীবনের পরিধি ছিল বিস্তৃত এবং সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে তাঁর অবদান ছিল স্মরণীয়।
এতসব দায়িত্ব ও ব্যস্ততার মধ্যেও জাহাঙ্গীর আলম মিয়া ছিলেন সদা হাস্যোজ্জ্বল একজন মানুষ। মানুষের উপকারে নিজেকে নিয়োজিত রাখাকে তিনি কখনো বোঝা হিসেবে দেখেননি। বরং মানুষের ভালোবাসা ও কল্যাণে কাজ করেই তিনি জীবনের পরম তৃপ্তি খুঁজে নিয়েছেন।
ভোলার মানুষের প্রতি তাঁর অবদান ও ভালোবাসার প্রতিদান হিসেবে জীবদ্দশাতেই বিভিন্ন পর্যায়ে তিনি পেয়েছেন মানুষের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা। তাঁর সততা, সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মানসিকতা তাঁকে ভোলার মানুষের কাছে একজন আস্থাভাজন ও প্রিয় ব্যক্তিত্বে পরিণত করেছিল।
২০২১ সালের ২ সেপ্টেম্বর স্ত্রী, দুই ছেলে, দুই মেয়ে ও অসংখ্য গুণগ্রাহীকে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে চলে যান এই সমাজহিতৈষী মানুষটি। তাঁর চলে যাওয়ার পাঁচ বছর পেরিয়ে গেলেও কর্ম ও স্মৃতির মাধ্যমে তিনি আজও স্বজন, শুভাকাঙ্ক্ষী ও ভোলার মানুষের হৃদয়ে বেঁচে আছেন।
৫ম মৃত্যুবার্ষিকীতে মরহুম আলহাজ্ব জাহাঙ্গীর আলম মিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করেছেন তাঁর পরিবারের সদস্য, স্বজন ও গুণগ্রাহীরা। মহান আল্লাহ তায়ালা তাঁকে জান্নাতের সর্বোচ্চ মর্যাদা দান করুন—এটাই সবার প্রত্যাশা।





ভোলায় ৩ দিনের সফরে আজ আসছেন তথ্য  ও সম্প্রচার মন্ত্রী আন্দালিব রহমান পার্থ

ভোলায় ৩ দিনের সফরে আজ আসছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আন্দালিব রহমান পার্থ

বাবার উন্নয়ন দর্শনের উত্তরসূরি ব্যারিস্টার পার্থ

বাবার উন্নয়ন দর্শনের উত্তরসূরি ব্যারিস্টার পার্থ

ভোলায় বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠা  বার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা

ভোলায় বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা

মনপুরায় ঘাস বিক্রির অভিযোগে সংবাদ প্রকাশ করায় ৩ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলায় আদালতে জামিন

মনপুরায় ঘাস বিক্রির অভিযোগে সংবাদ প্রকাশ করায় ৩ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলায় আদালতে জামিন

ভোলায় ৭ অসহায় ব্যক্তিকে চিকিৎসা সহায়তায় ৬২ হাজার টাকা অনুদান বিতরণ

ভোলায় ৭ অসহায় ব্যক্তিকে চিকিৎসা সহায়তায় ৬২ হাজার টাকা অনুদান বিতরণ

বোরহানউদ্দিনে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য র‍্যালি

বোরহানউদ্দিনে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য র‍্যালি

লালমোহনে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

লালমোহনে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

লালমোহনে একতা জেনারেল হসপিটাল অ্যান্ড ট্রমা সেন্টারের উদ্বোধন

লালমোহনে একতা জেনারেল হসপিটাল অ্যান্ড ট্রমা সেন্টারের উদ্বোধন

বরিশাল বিভাগীয় সাংবাদিক ঐক্য পরিষদের তৃতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

বরিশাল বিভাগীয় সাংবাদিক ঐক্য পরিষদের তৃতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

আরও...