বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২রা সেপ্টেম্বর ২০২৬ সকাল ১০:১৩
৪৭
তথ্যমন্ত্রীকে ঘিরে গণমাধ্যমে নতুন প্রত্যাশা
জুন্নু রায়হান : প্রাকৃতিক সম্পদে সমৃদ্ধ দ্বীপজেলা ভোলার উন্নয়নের ইতিহাসে একটি নাম গভীর শ্রদ্ধা ও স্মৃতির সঙ্গে উচ্চারিত হয়—মরহুম নাজিউর রহমান মঞ্জুর। একসময় দুর্গম, নদীবেষ্টিত ও যোগাযোগ-সুবিধাবঞ্চিত এই জনপদকে আধুনিকতার পথে এগিয়ে নিতে তাঁর ভূমিকা ছিল বহুমাত্রিক। যোগাযোগ, অবকাঠামো, শিক্ষা, গ্রামীণ অর্থনীতি ও নাগরিক সুবিধা সম্প্রসারণে তাঁর উদ্যোগ ভোলার মানুষের কাছে আজও স্মরণীয়। ভোলার উন্নয়ন প্রসঙ্গে তাই নাজিউর রহমান মঞ্জুরের অবদান অনিবার্যভাবেই সামনে আসে। তাঁর সময়ের নানা উন্নয়ন-উদ্যোগকে স্মরণ করতে গিয়ে নাজিউর রহমান মঞ্জুরকে কেউ বলেন “উন্নয়নের যাদুকর” আবার কেউ বলেন “ উন্নয়নের রূপকার”।
মরহুম নাজিউর রহমান মঞ্জুর এর সেই উন্নয়ন-দর্শন ও রাজনৈতিক উত্তরাধিকা অস্থিমজ্জায় ধারণ করে জাতীয় রাজনীতিতে নিজের স্বতন্ত্র অবস্থান তৈরি করেছেন তাঁর জ্যৈষ্ঠ পুত্র ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ। পার্থ’র যুক্তি নির্ভর ক্ষুরধার বক্তব্য, আধুনিক চিন্তা চেতনা তরুণ প্রজন্মকে দারুনভাবে আকৃষ্ট করেছে। ইতোমধ্যে রাজনৈতিক অঙ্গনে এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে গেছেন ব্যারিস্টার পার্থ। এবার তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়ার মধ্য দিয়ে তাঁর রাজনৈতিক জীবনে যুক্ত হয়েছে নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ আর এক অধ্যায়।
গণমাধ্যমবান্ধব নেতৃত্ব :
বাবার হাত ধরে রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার পর থেকেই আন্দালিভ রহমান পার্থ তাঁর নিজস্ব রাজনৈতিক ভাষা ও বক্তব্যের ধরন দিয়ে আলাদা পরিচিতি তৈরি করেছেন। জাতীয় সংসদে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তাঁর যুক্তিনির্ভর বক্তব্য, তীক্ষ্ণ বিশ্লেষণ এবং সাবলীল উপস্থাপনা তাঁকে তরুণদের কাছে জনপ্রিয় করে তোলে। সংসদের বাইরেও টেলিভিশন টকশো, রাজনৈতিক আলোচনা এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমে তাঁর সরব উপস্থিতি তাঁকে বৃহত্তর জনপরিসরে পরিচিত করেছে।
এখানেই তাঁর নতুন দায়িত্বের একটি বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। যিনি দীর্ঘদিন গণমাধ্যমের আলোচনার অংশ ছিলেন, তিনিই এখন রাষ্ট্রের তথ্য ও সম্প্রচার ব্যবস্থার নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের কর্ণধার। ফলে গণমাধ্যমের সংকট, সম্ভাবনা ও পরিবর্তিত বাস্তবতা সম্পর্কে তাঁর অভিজ্ঞতা দায়িত্ব পালনে কতটা কার্যকর হয়—সেদিকে স্বাভাবিকভাবেই নজর থাকবে সাংবাদিক, সম্পাদক, মিডিয়া পেশাজীবীসহ সাধারণ মানুষের।
বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ইউটিউব, অনলাইন নিউজ পোর্টাল, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (অও) এবং ওটিটি প্ল্যাটফর্মের দ্রুত বিস্তারের যুগে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের ভূমিকা আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তথ্য এখন শুধু সংবাদপত্র, রেডিও বা টেলিভিশনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; মুহূর্তের মধ্যে একটি তথ্য কোটি মানুষের কাছে পৌঁছে যাচ্ছে। ফলে তথ্যের স্বাধীনতা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি তথ্যের বিশ্বাসযোগ্যতা, দায়িত্বশীলতা ও সত্যতা নিশ্চিত করাও রাষ্ট্রের বড় দায়িত্ব। আর এই গুরু দায়িত্বের ভার এখন ব্যারিস্ট পার্থ’র কাঁধে।
তথ্য মন্ত্রণালয়ের সামনে যে চ্যালেঞ্জ ::
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব গ্রহণের পর পার্থর সামনে বেশ কিছু কঠিন ও দীর্ঘদিনের চ্যালেঞ্জ রয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো স্বাধীন ও পেশাদার সাংবাদিকতার পরিবেশ নিশ্চিত করা। দল-মত নির্বিশেষে সাংবাদিকরা যাতে ভয়, চাপ বা অযাচিত হস্তক্ষেপ ছাড়াই দায়িত্ব পালন করতে পারেন, সেই পরিবেশ তৈরি করা হবে বড় পরীক্ষা।
একই সঙ্গে ডিজিটাল গণমাধ্যমের দ্রুত পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিদ্যমান আইন ও নীতিমালা আধুনিকায়নের প্রয়োজন রয়েছে। অনলাইন সংবাদমাধ্যমের নিবন্ধন, নীতিমালা, সাংবাদিকদের অধিকার এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের দায়িত্বশীলতা—সবকিছু নিয়েই একটি সুস্পষ্ট ও বাস্তবসম্মত কাঠামো প্রয়োজন।
গণমাধ্যমকর্মীদের আর্থিক নিরাপত্তাও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সংবাদপত্র, টেলিভিশন ও অনলাইন সংবাদমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিক ও কর্মীদের ন্যায্য বেতন, চাকরির নিরাপত্তা এবং ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়নের বিষয়গুলো দীর্ঘদিনের আলোচনায় রয়েছে। একই সঙ্গে বিজ্ঞাপন বাজারে স্বচ্ছতা এবং দেশীয় গণমাধ্যমের আর্থিক সক্ষমতা ধরে রাখার বিষয়টিও গুরুত্বের দাবি রাখে।
রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের ক্ষেত্রেও বড় ধরনের সংস্কারের সুযোগ রয়েছে। বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতার ও বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থাকে আরও আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর, প্রতিযোগিতামূলক ও জনবান্ধব প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা গেলে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের গ্রহণযোগ্যতা আরও বাড়তে পারে।
নিয়ন্ত্রণ নয়, সহযোগিতার মাধ্যমে গণমাধ্যম এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যাশা :
আন্দালিভ রহমান দায়িত্ব নেওয়ার পর গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণের পরিবর্তে সহযোগিতার মাধ্যমে এগিয়ে নেওয়ার কথা বলেছেন। তাঁর প্রথম কর্মদিবসে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা ও অধীনস্থ সংস্থার প্রধানদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি গণমাধ্যমের সঙ্গে সহযোগিতামূলক সম্পর্কের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এই অবস্থান গণমাধ্যমসংশ্লিষ্টদের কাছে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে গণমাধ্যমের দায়িত্ব শুধু সরকারের কর্মকাণ্ড প্রচার করা নয়; সরকারের ভুল-ত্রুটি তুলে ধরা, জনগণের কথা বলা এবং রাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে জবাবদিহির মধ্যে রাখাও গণমাধ্যমের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।
একজন মন্ত্রীর জন্য তাই সবচেয়ে বড় সাফল্য হবে এমন একটি পরিবেশ তৈরি করা, যেখানে সরকার ও গণমাধ্যম পরস্পরের প্রতিপক্ষ নয়—বরং জনগণের স্বার্থে দায়িত্বশীল অংশীদার হিসেবে কাজ করবে।
অপতথ্য ও নতুন গণমাধ্যমের যুগ :
আগামী দিনের তথ্যব্যবস্থার সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জগুলোর একটি হবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। অও দিয়ে যেমন দ্রুত সংবাদ তৈরি, অনুবাদ, তথ্য বিশ্লেষণ ও কনটেন্ট উৎপাদন সম্ভব হচ্ছে, তেমনি এর অপব্যবহারে ভুয়া ছবি, কৃত্রিম ভিডিও, মিথ্যা বক্তব্য ও বিভ্রান্তিকর তথ্যও তৈরি করা সম্ভব।
তাই নতুন বাস্তবতায় শুধু সংবাদ প্রকাশের স্বাধীনতা নয়, সত্যতা যাচাইয়ের সংস্কৃতিও শক্তিশালী করা প্রয়োজন। সাংবাদিকদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা বৃদ্ধি, ফ্যাক্ট-চেকিং ব্যবস্থা জোরদার এবং সাধারণ মানুষকে মিডিয়া লিটারেসিতে দক্ষ করে তোলার ক্ষেত্রে ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ’র মন্ত্রণালয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
বাবার উত্তরাধিকার, তবে নিজের পরিচয়ে :
নাজিউর রহমান মঞ্জুরের সবচেয়ে বড় উত্তরাধিকার শুধু তাঁর রাজনৈতিক পরিচয় নয়; বরং মানুষের জন্য কাজ করার একটি রাজনৈতিক দর্শন। গত শতাব্দীর আশির দশকে ভোলার মতো একটি নদীবেষ্টিত বিচ্ছিন্ন জনপদের সম্ভাবনাকে সামনে রেখে উন্নয়নের যে চিন্তা নাজিউর রহমান করেছিলেন, সেটা তাঁর সময়ের বাস্তবতায় গুরুত্বপূর্ণ ছিল। তাঁর মৃত্যুর পরও তাঁর রাজনৈতিক উত্তরাধিকার বহন করে চলেছেন আন্দালিভ রহমান পার্থ। পার্থ’র রাজনৈতিক পথচলার শুরুতে বাবার প্রভাব থাকলেও সময়ের সঙ্গে তিনি নিজের বক্তব্য, রাজনৈতিক অবস্থান ও ব্যক্তিত্বের মাধ্যমে স্বতন্ত্র পরিচয় তৈরি করেছেন। তাঁর বাবা ২০০৮ সালে মৃত্যুবরণ করেন; মৃত্যুর আগে তিনি জাতীয় রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন এবং ভোলার মানুষের সঙ্গে তাঁর নিবিড় রাজনৈতিক সম্পর্ক ছিল।
এখন পার্থর সামনে সুযোগ—বাবার উত্তরাধিকারকে শুধু স্মৃতিতে নয়, নতুন সময়ের প্রয়োজনের সঙ্গে মিলিয়ে কর্মের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠা করা। বাবার উন্নয়ন দর্শন ছিল অবকাঠামো ও মানুষের জীবনমান পরিবর্তনের সঙ্গে যুক্ত; আর তাঁর নিজের দায়িত্বের ক্ষেত্র হলো তথ্য, যোগাযোগ, মতপ্রকাশ ও গণমাধ্যমের বিশাল জগৎ। অর্থাৎ কর্মক্ষেত্র ভিন্ন হলেও মূল দর্শন হতে পারে একই—মানুষের জন্য কাজ করা এবং সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাকে এগিয়ে নেওয়া।
ভোলার মানুষের প্রত্যাশাও কম নয় :
আন্দালিভ রহমান পার্থ শুধু জাতীয় রাজনীতির একজন পরিচিত মুখ নন; তিনি ভোলা-১ আসনের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিও। ফলে তাঁর নতুন দায়িত্বকে ঘিরে ভোলার মানুষের প্রত্যাশাও স্বাভাবিকভাবেই বেশি। ভোলার সাংবাদিক সমাজ আশা করে, দেশের গণমাধ্যমের পাশাপাশি দ্বীপজেলার সংবাদকর্মীদের পেশাগত সমস্যা, প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা ও কর্মপরিবেশ উন্নয়নের বিষয়েও তিনি নজর দেবেন।
ভোলার নদীভাঙন, চরাঞ্চলের জীবন, মৎস্যজীবী মানুষের সংকট, কৃষকের সমস্যা, যোগাযোগব্যবস্থা ও উপকূলীয় বাস্তবতা জাতীয় গণমাধ্যমে আরও গুরুত্বের সঙ্গে উঠে আসুক—এ প্রত্যাশাও রয়েছে। কারণ প্রান্তিক মানুষের কণ্ঠ জাতীয় পরিসরে পৌঁছে দেওয়াও একটি শক্তিশালী গণমাধ্যমের অন্যতম দায়িত্ব।
নতুন দায়িত্বে নতুন সম্ভাবনা :
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নেওয়ার সময় আন্দালিভ রহমান নিজেও বলেছেন, দায়িত্ব বুঝে বাস্তব সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে কাজ করতে চান। এই বাস্তববাদী দৃষ্টিভঙ্গিই হতে পারে তাঁর দায়িত্ব পালনের সবচেয়ে বড় শক্তি।
দেশের গণমাধ্যম এখন একটি সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। একদিকে প্রযুক্তির অভাবনীয় সম্ভাবনা, অন্যদিকে অপতথ্য ও বিভ্রান্তির ভয়াবহ বিস্তার। একদিকে সাংবাদিকতার স্বাধীনতার দাবি, অন্যদিকে দায়িত্বশীলতার প্রশ্ন। একদিকে প্রচলিত গণমাধ্যমের আর্থিক সংকট, অন্যদিকে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের দ্রুত উত্থান। এই বহুমাত্রিক বাস্তবতার মধ্যেই আন্দালিভ রহমানকে পথ চলতে হবে।
বাবা নাজিউর রহমান মঞ্জুর ভোলার উন্নয়নের ইতিহাসে নিজের একটি অধ্যায় লিখে গেছেন। পুত্র আন্দালিভ রহমান পার্থ এখন দেশের তথ্য ও গণমাধ্যমের ইতিহাসে নিজের অধ্যায় লেখার সুযোগ পেয়েছেন। বাবার মতোই তিনি তাঁর দায়িত্বের ক্ষেত্রকে পরিবর্তনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন কি না—সময়ই তার উত্তর দেবে।
তবে প্রত্যাশা ইতোমধ্যে তৈরি হয়েছে। সাংবাদিক সমাজ চায় স্বাধীনতা, পেশাগত নিরাপত্তা ও মর্যাদা; গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান চায় নীতিগত স্থিতিশীলতা; তরুণরা চায় আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর তথ্যব্যবস্থা; আর সাধারণ মানুষ চায় সত্য, নির্ভরযোগ্য ও সহজলভ্য তথ্য।
এই চার প্রত্যাশার সমন্বয় ঘটাতে পারলে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় শুধু একটি প্রশাসনিক দপ্তর হিসেবে নয়, বরং গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের জনসম্পৃক্ততার অন্যতম প্রধান সেতু হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে।
আন্দালিভ রহমান পার্থর সামনে তাই দায়িত্ব শুধু একটি মন্ত্রণালয় পরিচালনার নয়—একটি পরিবর্তনশীল গণমাধ্যম যুগের নেতৃত্ব দেওয়ার। আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গি, তারুণ্যের শক্তি, আইনি জ্ঞান ও দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে তিনি যদি স্বাধীন, দায়িত্বশীল, প্রযুক্তিনির্ভর ও জনবান্ধব গণমাধ্যমব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারেন, তবে সেটিই হবে তাঁর সবচেয়ে বড় অর্জন।
আর তখন বাবার উন্নয়ন দর্শনের উত্তরসূরি হিসেবে তাঁর পরিচয় শুধু রাজনৈতিক উত্তরাধিকারে সীমাবদ্ধ থাকবে না; নিজ কর্মের মধ্য দিয়েই তিনি নির্মাণ করবেন তাঁর নিজের স্বতন্ত্র উত্তরাধিকার। এটাই আজকের প্রত্যাশা।
ভোলায় ৩ দিনের সফরে আজ আসছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আন্দালিব রহমান পার্থ
মানুষ চলে যায়, রেখে যায় স্মৃতি আজ মরহুম আলহাজ্ব জাহাঙ্গীর আলম মিয়ার ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী
ভোলায় বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা
মনপুরায় ঘাস বিক্রির অভিযোগে সংবাদ প্রকাশ করায় ৩ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলায় আদালতে জামিন
ভোলায় ৭ অসহায় ব্যক্তিকে চিকিৎসা সহায়তায় ৬২ হাজার টাকা অনুদান বিতরণ
বোরহানউদ্দিনে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য র্যালি
লালমোহনে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন
লালমোহনে একতা জেনারেল হসপিটাল অ্যান্ড ট্রমা সেন্টারের উদ্বোধন
বরিশাল বিভাগীয় সাংবাদিক ঐক্য পরিষদের তৃতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন
ভোলায় বিষের বোতল নিয়ে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকা
ভোলায় পাঁচ সন্তানের জননীকে গলা কেটে হত্যা
উৎসবের ঋতু হেমন্ত কাল
ভোলার ৪৩ এলাকা রেড জোন চিহ্নিত: আসছে লকডাউনের ঘোষনা
ভোলায় বাবা-মেয়ে করোনায় আক্রান্ত, ৪৫ বাড়ি লকডাউন
ভোলায় এবার কলেজ ছাত্র হত্যা, মাটি খুঁড়ে লাশ উদ্ধার
ঢাকা-ভোলা নৌ-রুটের দিবা সার্ভিসে যুক্ত হলো এমভি দোয়েল পাখি-১র
কাশফুল জানান দিচ্ছ বাংলার প্রকৃতিতে এখন ভরা শরৎ
জাতীয় সংসদে জাতির পিতার ছবি টানানোর নির্দেশ
ভোলায় আন্তর্জাতিক দুর্নীতি বিরোধী দিবস পালিত