অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, মঙ্গলবার, ৮ই সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ২৪শে ভাদ্র ১৪৩৩


দৌলতখানে ৯ ইউপি নির্বাচনে জনসমর্থন পেতে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীদের দৌড়ঝাঁপ


দৌলতখান প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ৮ই সেপ্টেম্বর ২০২৬ সকাল ০৯:৩৪

remove_red_eye

৫৪

দৌলতখান সংবাদদাতা : সারাদেশে আগামী অক্টোবর থেকে ইউপি  নির্বাচন শুরুর পরিকল্পনা  করছে সরকার। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে ভোলার দৌলতখানে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তোড়জোড় শুরু হয়েছে। গ্রাম-গঞ্জে বইছে নির্বাচনী হাওয়া। ইতোমধ্যে  উপজেলার ৯ টি ইউনিয়ন সম্ভাব্য প্রার্থীদের পোস্টার, ব্যানারে ছেয়ে গেছে।  প্রার্থীর সমর্থকরাও নিজ নিজ পছন্দের  প্রার্থীর পক্ষে সমর্থন জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে  প্রচারণা  চালাচ্ছেন। সাধারণ  ভোটার ও দলীয় কর্মীদের সমর্থন পেতে সম্ভাব্য প্রার্থীরাও আটঘাট বেঁধে মাঠে নেমেছেন। খেলাধুলা,  বিবাহের অনুষ্ঠান  ও সামাজিক  নানা আচার অনুষ্ঠানে   অংশগ্রহণ করে মানুষের কাছাকাছি  যাওয়ার চেষ্টা  করছেন।  হাট-বাজারে চায়ের আড্ডা থেকে শুরু করে সর্বত্রই চলছে ইউপি নির্বাচনের আলোচনা। উপজেলার  ইউনিয়নগুলোতে কারা পাবেন দলীয় সমর্থন -এনিয়েও যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন সম্ভাব্য  প্রার্থীর সমর্থকরা। তবে ইউনিয়নের  বেশিরভাগ  কর্মীদের দাবি, ইউপি  নির্বাচনে প্রার্থী বাছাইয়ে দলের দুর্দিনে মাঠপর্যায়ে সক্রিয় ও পরিক্ষীতদের মূল্যায়ন করতে হবে। 
কর্মীরা বলছেন, নির্বাচন সামনে এলেই ইউনিয়ন পর্যায়ে নতুন করে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহী ব্যক্তিদের তৎপরতা বেড়ে যায়। দলের দুঃসময়ে আন্দোলন সংগ্রামে মাঠে থাকা নেতাকর্মীদের বাদ দিয়ে হঠাৎ সক্রিয় হওয়া বা সুযোগসন্ধানীদের প্রাধান্য দেওয়া হলে তৃণমূলের কর্মীদের মধ্যে চরম ক্ষোভের  সৃষ্টি  হবে। এদিকে ইউপি নির্বাচনে দলের ও ভোটারদের সমর্থন পেতে বিভিন্ন ইউনিয়নে বিএনপি থেকে একাধিক  সম্ভব্য প্রার্থী  মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। এরমধ্যে  চরখলিফা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান  পদে   উপজেলা যুবদলের  যুগ্ম আহ্বায়ক জহিরুল ইসলামের নাম জোরেসোরে  শোনা যাচ্ছে। তিনি  দিনরাত দলীয় কর্মী ও সমর্থকদের নিয়ে এলাকায় কাজ করছেন। এলাকার নানা সমস্য সমাধানের চেষ্টা করছেন এবং  মাদকমুক্ত সমাজগঠন ও নানা উন্নয়নমূলক  প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন।   তরুন ও উদীয়মান এই সাবেক ছাত্রনেতার  পক্ষে তরুণ সমাজও একাট্টা  হয়ে পাশে দাঁড়িয়েছে। এছাড়াও ওই ইউনিয়নে সাবেক উপজেলা যুবদলের  সভাপতি সুমন খান ও ইউনিয়ন বিএনপি নেতা রিপন মিয়া সম্ভাব্য  চেয়ারম্যান প্রার্থী মাঠে আছেন।
  সৈয়দপুর ইউনিয়নে উপজেলা বিএনপির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ও ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সমন্বয়ক আবু বকর ছিদ্দিক জুলুসহ কয়েকজন দলীয় সমর্থন পেতে জোর লবিং করছেন। চরপাতা ইউনিয়নে বর্তমান ইউপি সদস্য সবুজসহ অনেকের নাম শোনা যাচ্ছে। উত্তরজয়নগর, দক্ষিণ জয়নগর, মেদুয়া,  মদনপুর ভবানীপুর ও হাজীপুর ইউনিয়নসহ উপজেলার  ৯ অন্তত ২২ জন  সম্ভাব্য চেয়ারম্যান  প্রার্থী প্রচারণালাচ্ছেন।

উপজেলা শ্রমিক দলের নেতা সিরাজ বলেন, “দলের দুঃসময় যারা রাজপথে ছিলেন, মামলা -হামলার শিকার হয়েছেন এবং সংগঠনের জন্য কাজ করেছেন- তাদের মূল্যায়ন করা উচিত।

চরখলিফা ইউনিয়ন বিএনপি   নেতা বাবুল হাওলাদার  বলেন, “যিনি জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য এবং দলের জন্য কাজ করেছেন তাকে দল থেকে প্রার্থী হিসেবে  মনোনীত  করতে হবে।
উপজেলা বিএনপির যুগ্ম  সম্পাদক ফখরুল আলম টপি বলেন, “যারা বছরের পর বছর দলের জন্য সময় দিয়েছেন, মামলা -হামলার শিকার হয়েছেন তাদেরকেই ইউপি নির্বাচনে  দলীয় সমর্থন দেওয়া হোক।