অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, রবিবার, ২০শে সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ৫ই আশ্বিন ১৪৩৩


মশা নিয়ন্ত্রণে ভালো মানের ওষুধ পাওয়া গেছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী


বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২০শে সেপ্টেম্বর ২০২৬ বিকাল ০৫:৩০

remove_red_eye

৫০

মশা নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত ওষুধের মান পরীক্ষা করা হয়েছে এবং পরীক্ষা করে ভালো মানের ওষুধ পাওয়া গেছে বলে উল্লেখ করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে হামের বিশেষ ক্যাম্পেইন উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

 

ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে কয়েক মাস আগে থেকেই প্রস্তুতি ও কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। দেশের বিভিন্ন জেলা, সিটি করপোরেশন ও পৌরসভা এলাকায় পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর পাশাপাশি মশা নিয়ন্ত্রণে ওষুধ ছিটানো হচ্ছে।

 
মশা নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত ওষুধের মানও পরীক্ষা করা হয়েছে। পরীক্ষা করে ভালো মানের ওষুধ পাওয়া গেছে।
সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম চালিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

 

সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী পরিচ্ছন্নতা অভিযান জোরদারের নির্দেশ দিয়েছেন উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সারা দেশে প্রতি শনিবার পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

এই কর্মসূচি ১২ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে।

 

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সাধারণ মানুষের সচেতনতার ওপর গুরুত্ব দিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের বিভিন্ন জায়গায় খানা-খন্দকে পানি জমে থাকে। বাসাবাড়ির টব, ডাবের খোসা বা বিভিন্ন পাত্রেও পানি জমে থাকতে পারে। এসব জমে থাকা পানিতে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই মশার লার্ভা তৈরি হতে পারে।

হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও স্বজনদেরও এ বিষয়ে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ডাবের পানি খাওয়ার পর ডাবের খোসা যেখানে-সেখানে ফেলে রাখা উচিত নয়। কারণ, সেখানে পানি জমে মশার প্রজনন হতে পারে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সরকারের পক্ষ থেকে কাজ চলছে। কোথাও কোনো ভুল বা ঘাটতি থাকলে তা জানালে সংশোধনের জন্য সরকার প্রস্তুত রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে কাকরাইলের একটি হাসপাতালে ভুল চিকিৎসায় কয়েকজনের মৃত্যুর অভিযোগ এবং এ ঘটনায় তদন্তের পরও ব্যবস্থা না নেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সারা দেশে এ ধরনের অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত শেষ করতে কিছুটা সময় প্রয়োজন।

তিনি সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করে বলেন, প্রতিটি অভিযোগ তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্তে কারও অবহেলা বা ভুল প্রমাণিত হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।