বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৫ই এপ্রিল ২০১৯ রাত ১০:৪৩
৭৭৫
হাসনাইন আহমেদ মুন্না : জেলায় চলতি মৌসুমে সয়াবিনের ব্যাপক আবাদ হয়েছে। ইতোমধ্যে এখানে আবাদ কার্যক্রম লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করে ৭ হাজার ৫৭২ হেক্টর জমিতে সম্পন্ন হয়েছে। নির্ধারিত জমি থেকে ১৩ হাজার ৪৬২ মে:টন সয়াবিন উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। শেষ পর্যন্ত আবহাওয়া অনূকুলে থাকলে জেলায় সয়াবিনের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করছে কৃষি বিভাগ। আর সয়াবিন তেল ছাড়াও নানান কাজে ব্যবহার হওয়াতে কৃষকদের এর প্রতি আগ্রহ বাড়ছে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক বীনয় কৃষ্ণ দেবনাথ জানান, জেলায় এবছর সয়াবিনের মোট লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৭ হাজার ৫৬৩ হেক্টর জমিতে। বিপরীতে ৯ হেক্টর জমিতে আবাদ বেশি হয়েছে। পল্ট্রী খামার, চাইনিজ ও রেস্তেরায় সয়াবিনের ব্যবহার বৃদ্ধি পাওয়ায় কৃষকরাও ঝুঁকছেন সয়াবিনের প্রতি।
তিনি বলেন, সয়াবিনের পাতা পড়ে জমিতে সার হয়। ফলে জমির উর্বরা শক্তি বাড়ে। সয়াবিন চাষে কৃষকদের সব ধরনের পরামর্শ সেবা দেয়া হচ্ছে। যদি বড় ধরনের কোন প্রাকৃতিক বিপর্যয় না হয় তবে এখানে বাম্পার ফলন হবে বলে আশা করেন এই কৃষি কর্মকর্তা।
উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মৃত্যুজ্ঞয় তালুকদার বলেন, মাঘের শুরুর দিকে জেলায় সয়াবিনের আবাদ আরম্ভ হয়। বৈশাখের মাঝামাঝি সময়ে ফসল ঘরে তুলবে কৃষকরা। এখানকার চরাঞ্চলের বিস্তীর্ণ প্রান্তরে সয়াবিন অধিক পরিমাণ হয়। এখানে মূলত সোহাগ ও বাড়ি সয়াবিন-৪ এর আবাদ বেশি হয়।
কৃষি কর্মকর্তারা বলেন, সয়া আটা, সয়া লুচি, সয়া শষ-দুধসহ বিভিন্ন পুষ্টিকর-মজাদার খাবার তৈরি হয় সয়াবিন দিয়ে। সয়াবিন চষে রোগ-বালাই’র আক্রমন তেমন না থাকাতে ফলন ভালো হয়। তাই সাম্প্রতিক সময়ে জেলায় সয়াবিন চাষ বৃদ্ধি পেয়েছে।
জেলার সবচে বেশি সয়াবিন চাষ হয়েছে দৌলতখান উপজেলায়। এই উপজেলায় ৪ হাজার ৬৫৫ হেক্টর জমিতে সয়াবিন চাষ হয়েছে। এখানকার মেঘনা নদীর মাঝে জেগে উঠা চরে শোভা পাচ্ছে সয়াবিনের ক্ষেত। কথা হয় এই চরের সয়াবিন চাষি রহিম মিয়া, আনোয়ার হোসেন, কবির হোসেন ও ফিরোজ আলীর সাথে।
তারা জানান, গত কয়েক বছর ধরে তারা সয়াবিন চাষ করছেন। এবার প্রত্যেকে ২ একর করে জমিতে সয়াবিন আবাদ করেছেন। মাঠে ফসলের অবস্থাও বেশ ভালো রয়েছে। বর্ষা শুরুর আগেই সয়াবিন ঘরে তোলা হয়। অল্প কিছুদিন পরেই ফসল কাটা হবে। অপর চাষি মোজাম্মেল ও ফরাহাদ মাঝি বলেন, মাঠ পর্যায়ের কৃষি কর্মকর্তারা নিয়মিত আমাদের ফসলের মাঠ পরিদর্শন করে যান। এখন পর্যন্ত কোন উল্লেখযোগ্য সমস্যা নেই।
মাঠ পর্যায়ের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা বেনজীর আহাম্মদ বলেন, কৃষকদের বীজ রোপন থেকে শুরু করে ফসল কর্তন পর্যন্ত আমাদের সেবা অব্যাহত আছে। অনেক সময় কৃষকরা ফোন করলে আমরা তাদের সমস্যা সমাধানে ছুটে যাই।
বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের ব্যানার-ফেস্টুনে ছিল না প্রধানমন্ত্রীর কোন ছবি
৯ জুলাই আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে সারাদেশে, বাংলা ব্লকেড কর্মসূচি ঘোষণা
মনপুরায় টানা বর্ষণ ও জোয়ারের পানিতে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত
ভোলায় সাড়ে ৫ কোটি টাকার নিষিদ্ধ পলিথিন ও কারেন্ট জাল জব্দ
উত্তাল সাগরে যেতে পারছেনা শতশত ট্রলার কর্মহীন হয়ে পড়েছেন হাজারো জেলে
মনপুরায় প্রকল্প কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দেড় কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ
ভোলায় শিক্ষা সুরক্ষা প্রকল্পের কর্মপরিকল্পনা ও পর্যালোচনা সভা
রোহিঙ্গা সংকটের শান্তিপূর্ণ ও দ্রুততম সমাধানে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ : প্রধানমন্ত্রী
ইতিহাস চর্চাই জাতির আত্মপরিচয় ও ভবিষ্যৎ নির্মাণের ভিত্তি : ডেপুটি স্পিকার
২০৪০ সালে ৩০ শতাংশ নবায়নযোগ্য বিদ্যুতের লক্ষ্য সরকারের : জ্বালানি মন্ত্রী
ভোলায় বিষের বোতল নিয়ে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকা
ভোলায় পাঁচ সন্তানের জননীকে গলা কেটে হত্যা
উৎসবের ঋতু হেমন্ত কাল
ভোলার ৪৩ এলাকা রেড জোন চিহ্নিত: আসছে লকডাউনের ঘোষনা
ভোলায় বাবা-মেয়ে করোনায় আক্রান্ত, ৪৫ বাড়ি লকডাউন
ভোলায় এবার কলেজ ছাত্র হত্যা, মাটি খুঁড়ে লাশ উদ্ধার
ঢাকা-ভোলা নৌ-রুটের দিবা সার্ভিসে যুক্ত হলো এমভি দোয়েল পাখি-১র
কাশফুল জানান দিচ্ছ বাংলার প্রকৃতিতে এখন ভরা শরৎ
জাতীয় সংসদে জাতির পিতার ছবি টানানোর নির্দেশ
ভোলায় প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন করোনা রোগী: এলাকায় আতংক