অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, রবিবার, ১২ই জুলাই ২০২৬ | ২৮শে আষাঢ় ১৪৩৩


যারা ১৫ ও ২১ আগস্ট ঘটায়, মানুষ পোড়ায় তাদের বর্জন করুন : তথ্যমন্ত্রী


বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২০শে আগস্ট ২০২৩ সন্ধ্যা ০৭:৪৫

remove_red_eye

৩২২

যারা ১৫ আগস্ট, ২১ আগস্ট ঘটায়, মানুষ পোড়ায়, পবিত্র কোরআন শরিফ পোড়ায়, যারা হত্যা-ষড়যন্ত্রের রাজনীতি করে, তাদেরকে বর্জন ও প্রতিহত করতে  দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।  তিনি বলেন, ‘বিএনপি হত্যার রাজনীতি করে। হত্যার রাজনীতির মাধ্যমেই বিএনপি’র উত্থান, পথ চলা ও ষড়যন্ত্র। তারা হত্যার রাজনীতিতেই বিশ্বাস করে। আজকে তারা লম্বা লম্বা কথা বলে। এ দেশে তাদের রাজনীতি করারই অধিকার থাকা উচিত নয়।’ আজ রোববার জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় হত্যাকারী ও পরিকল্পনাকারীদের বিচারের রায় দ্রুত কার্যকর করার দাবিতে আলোচনা সভা’য় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ সব কথা বলেন। ২১ আগস্ট আহত-নিহত পরিবারের কেন্দ্রীয় সংগঠন ‘গণতন্ত্র যোদ্ধা ২১ আগস্ট বাংলাদেশ’ এ সভার আয়োজন করে। 
২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা বিএনপি সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় অর্থায়নে তারেক জিয়ার পরিচালনায় খালেদা জিয়ার জ্ঞাতসারেই পরিচালনা করা হয়েছিলো উল্লেখ করে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, ‘১৫ আগস্টের হত্যাকান্ড ঘটিয়েছিলো মুশতাক এবং জিয়া,  আর ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা ঘটিয়েছে তারেক জিয়া এবং খালেদা জিয়া। গ্রেনেড হামলায় তৎকালীন জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেত্রী দেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা আহত হয়েছেন, তার দলের ২২ জন নেতা-কর্মী নিহত, পাঁচশ’রও বেশি নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন। সমগ্র পৃথিবী নিন্দা ও ধিক্কার জানিয়েছে। কিন্তু সংসদে একটি শোক প্রস্তাব আনতে বা কোনো আলোচনাও করতে দেয়া হয়নি। বরং হাস্যরস করা হয়েছে, বলা হয়েছে যে আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনাই না কি ভ্যানিটি ব্যাগে করে গ্রেনেড নিয়ে গেছে। অর্থাৎ ওদের কথা অনুযায়ী আমরা সবাই আত্মহত্যা করতে গিয়েছিলাম।’
হাছান মাহমুদ বলেন, ‘সেদিন বিদেশি সন্ত্রাসীরাও ঢাকায় এসেছিলো, এ হামলা পরিচালনার সাথে তাদেরকেও যুক্ত করা হয়েছিলো। তারা যখন শুনেছে জননেত্রী শেখ হাসিনা মারা যাননি, তখন চলে গেছে। হামলায় ব্যবহৃত গ্রেনেড জেলখানার মধ্যে পাওয়া গেছে। রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা ছাড়া সামরিক বাহিনীর গ্রেনেড জেলখানার অপরাধীদের হাতে যাওয়া সম্ভব নয়। কয়েকজন হামলাকারীকে পাকিস্তানে পাঠিয়ে দেয়া হলো। এইভাবে সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় তারেক জিয়ার নেতৃত্বে খালেদা জিয়ার জ্ঞাতসারে ২১ আগস্টে গ্রেনেড হামলা ঘটানো হয়।’ 
২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার মামলার অন্যতম সাক্ষী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘জননেত্রী শেখ হাসিনা সেদিন ভাগ্যক্রমে ¯্রষ্টার অশেষ কৃপায় বেঁচে গেছেন। বুলেটপ্রুফ গাড়ি যদি না থাকতো, বাঁচার কোনো উপায় ছিলো না। আমার শরীরে চল্লিশ থেকে পঁয়তাল্লিশটা স্পিøন্টার আছে, অনেকের পাঁচশ’-ছয়শ’ আছে। ফেরদৌসী, কাজল আরো অনেকেই আছেন, যারা পাঁচশ’-ছয়শ’ স্পিøন্টার নিয়ে বেঁচে আছে, পঙ্গু হয়ে গেছে।  এতো বড় ভয়াবহ হামলা ও হত্যাকান্ডের বিচার তো হয়ই নি, বরং বিচারপতি জয়নুল আবেদীনকে দিয়ে একটি তদন্ত কমিশন গঠন করা হয়েছিলো, যে কমিশন এই মর্মে গাঁজাখুরি এক রিপোর্ট দিলো যে, ইসরাইলের ‘মোসাদ’ এ ঘটনা ঘটিয়েছে। বিচারের নামে ‘জজ মিয়া’ নাটক সাজিয়ে তখন জাতিকে বোকা বানানোর চেষ্টা করা হয়েছে।’ 
তথ্যমন্ত্রী বলেন, হামলার পরে আমাদের নেতাকর্মীরা আহতদের উদ্ধারে, নিহতদের সরিয়ে নেওয়ার জন্য এলে তাদের ওপর টিয়ারসেল নিক্ষেপ করা হয়। মামলার আলামত নষ্ট করার জন্য হামলার স্থান পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলা হয়। সেনাবাহিনীর একজন অফিসার মেজর শামস আলামত হিসেবে একটি গ্রেনেড রেখে দেয়ায় তাকে সেনাবাহিনী থেকে সাসপেন্ড করা হয়। সে এক সময় ছাত্রলীগ করতো, সে এখন রাজউকের বোর্ড মেম্বার। এগুলোই তো প্রমাণ যে খালেদা জিয়া এবং তারেক জিয়া মিলে এই ঘটনা ঘটিয়েছে।
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ বলেন, এই দেশের মালিক এই দেশের মানুষ। এই দেশের ক্ষমতার মালিক এই দেশের মানুষ। এখানে কে ক্ষমতায় থাকবে, কে ক্ষমতায় থাকবে না সেই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে এই দেশের মানুষ, অন্য কোনো দেশ নয়, অন্য কেউ নয়। আমরা জনগণের শক্তিতে বিশ্বাস করি। আওয়ামী লীগ এমন একটা দল যে, আঘাত পেলে সংগঠিত হয়, ঘুরে দাঁড়ায়, ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলার পর তারা ভেবেছিলো আওয়ামী লীগ আর আগের মতো দাঁড়াতে পারবে না, কিন্তু আওয়ামী লীগ ঘুরে দাঁড়িয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনার ধমনী-শিরায় বঙ্গবন্ধুর রক্ত¯্রােত প্রবাহমান, যে রক্ত আপোষ করতে জানে না, পরাভব মানে না। আমরা ভেঙ্গে পড়বো, কিন্তু কোনদিন মচকাবো না। প্রয়োজনে মৃত্যুকে বরণ করবো। জীবনকে হাতের মুঠোয় নিয়ে রাজনীতির মাঠে নেমেছি, মৃত্যুকে আলিঙ্গণ করবো, পরাজিত হবো না কোনদিন।’
‘গণতন্ত্র যোদ্ধা ২১ আগস্ট বাংলাদেশ’ সংগঠনের সভাপতি অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হাসান নাজিমের সঞ্চালনায় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সভাপতি মোল্লা আবু কাওসার, অ্যাড. কাজী শাহানারা ইয়াসমিন সভায় বক্তব্য রাখেন।

সুত্র বাসস





চরফ্যাশনে এইচএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীদের হামলা ভাংচুর

চরফ্যাশনে এইচএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীদের হামলা ভাংচুর

মনপুরায় বানভাসি মানুষের  মাঝে তীব্র খাবারের সংকট

মনপুরায় বানভাসি মানুষের মাঝে তীব্র খাবারের সংকট

লালমোহনে সাংবাদিকের ছেলের ওপর পরিকল্পিত হামলা, হত্যাচেষ্টার ‌অভিযোগ

লালমোহনে সাংবাদিকের ছেলের ওপর পরিকল্পিত হামলা, হত্যাচেষ্টার ‌অভিযোগ

দৌলতখানে ভাঙা কালভার্ট সংস্কার করে দুর্ভোগ কমালেন বিএনপি নেতা মীর গিয়াসউদ্দিন

দৌলতখানে ভাঙা কালভার্ট সংস্কার করে দুর্ভোগ কমালেন বিএনপি নেতা মীর গিয়াসউদ্দিন

মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি ও সঠিক চিকিৎসাই স্বাস্থ্যসেবার ওপর মানুষের আস্থা ফেরাতে পারে : প্রধানমন্ত্রী

মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি ও সঠিক চিকিৎসাই স্বাস্থ্যসেবার ওপর মানুষের আস্থা ফেরাতে পারে : প্রধানমন্ত্রী

শেখ মুজিব স্বাধীনতার ঘোষণা কেন দেননি, জানালেন স্পিকার

শেখ মুজিব স্বাধীনতার ঘোষণা কেন দেননি, জানালেন স্পিকার

ঢামেক হাসপাতালকে মানবিক নেতৃত্বের নতুন প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ার আহ্বান ডা. জুবাইদা রহমানের

ঢামেক হাসপাতালকে মানবিক নেতৃত্বের নতুন প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ার আহ্বান ডা. জুবাইদা রহমানের

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হলো জ্ঞানের বাতিঘর : তথ্যমন্ত্রী

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হলো জ্ঞানের বাতিঘর : তথ্যমন্ত্রী

বন্যা পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক নজরদারি করছেন প্রধানমন্ত্রী: মাহ্দী আমিন

বন্যা পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক নজরদারি করছেন প্রধানমন্ত্রী: মাহ্দী আমিন

ডা. জুবাইদাকে নিয়ে ঢাকা মেডিকেল যাওয়ার স্মৃতিচারণ প্রধানমন্ত্রীর

ডা. জুবাইদাকে নিয়ে ঢাকা মেডিকেল যাওয়ার স্মৃতিচারণ প্রধানমন্ত্রীর

আরও...