অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, সোমবার, ৩১শে আগস্ট ২০২৬ | ১৬ই ভাদ্র ১৪৩৩


প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ধ্বংস করেই উন্নয়ন এগিয়ে চলেছে: উপদেষ্টা


বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৩শে আগস্ট ২০২৫ সন্ধ্যা ০৭:৩০

remove_red_eye

২৪৫

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যগুলো ধ্বংস করেই আমাদের উন্নয়ন এগিয়ে চলেছে।

তিনি বলেন, আপনারা যারা তরুণ প্রজন্ম বা সংস্কৃতি মনা, যারা বিতর্ক করতে ভালোবাসেন তারা উন্নয়ন নিয়ে বিতর্ক করবেন।

তারা সংস্কৃতিতে প্রকৃতি কিভাবে প্রতিফলিত হয়েছে সেটা নিয়ে ভাববেন।

 

শনিবার (২৩ আগস্ট) বিকেলে গাজীপুরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আয়োজিত জাতীয় পর্যায়ে অন্তঃকলেজ সাংস্কৃতিক ও বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

উপদেষ্টা বলেন, যে নদীগুলো দিয়ে আমাদের নিজেদের পরিচয় ডিফাইন করি, সেই নদীগুলো চোখের সামনে দূষিত হয়ে যাবে, মরে যাবে এটা তো কোনোভাবেই মেনে নেওয়ার নয়। তাহলে আমার নিজের যে পরিচয়টা সেটাই আমরা অস্বীকার করি। প্রকৃতির সাথে আমাদের যে নিবিড় সম্পর্ক আছে, আমাদের সংস্কৃতিতে যার অনেক প্রতিফলন ঘটছে। আপনারা যারা সংস্কৃতির চর্চা করেন তেমন করে প্রকৃতির বার্তাটাও পৌঁছে দিতে পারেন সবার কাছে সেটা একটু মনে রাখবেন।

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এএসএম আমানুল্লাহ।  এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রো ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর মো. লুৎফর রহমান, প্রো ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম ও ট্রেজারার প্রফেসর ড. এটিএম জাফরুল আযম প্রমুখ।

উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, যারা বিতর্ক করেন তারা বলবেন মেগা প্রজেক্ট একমাত্র উন্নয়নের হাতিয়ার নাকি প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষা করে তার ওপর প্রজেক্ট নির্ভরতার দিকে আমরা যাবো। প্রাকৃতিক সম্পদ ধ্বংস করে কোনোভাবে কোনো মেগা প্রোজেক্ট আমরা করতে দেবো না। মেগা প্রজেক্ট করার আগে প্রকৃতির ওপর কি প্রভাব পড়বে সেটা বস্তু নিষ্ঠভাবে যাচাই করে নেবো। অপরিহার্য ও জাতীয় প্রয়োজন ছাড়া আমরা কোনোভাবেই গাছ কাটবো না, কোনোভাবেই বন ধরবো না। এই কথাগুলো বিতর্কের পর্যায়ে নিয়ে যাবেন।

তিনি বলেন, ধরে নিলাম এ দেড় বছর সব কাজ খুব সুন্দরভাবে হয়েছে। দেড় বছর পরে তাহলে কি হবে? এটা কিন্তু আমাদের এখন থেকে ভাবতে হবে যে, আমরা আসলে কি চাই। আমরা নদীর ক্ষেত্রে কি চাই পাহাড়ের ক্ষেত্রে কি চাই, বনের ক্ষেত্রে কি চাই, কৃষি জমির ক্ষেত্রে কি চাই। এই বিষয়গুলো নিয়ে যদি আমরা ভাবি তাহলে এই যে আপনারা বিতর্ক করেন বিতর্কের মাধ্যমে এই মূল্যবোধ যখন চর্চার ক্ষেত্রে হবে তখন কিন্তু যখনই যে প্রশাসক হোক না কেন সে রাষ্ট্রটা ওই ভাবেই চালাবে এটা ভেবে যে প্রকৃতি বিধ্বংসী কোনো কর্মকাণ্ড করা যাবে না।

তিনি আরও বলেন, মানুষ যখন মানুষের সাথে অন্যায় করে অবিচার করে, তার একটা বিচার দেওয়ার জায়গা আছে। আপনি ডিসি সাহেবের কাছে যেতে পারেন, আদালতে যেতে পারেন। কিন্তু মানুষ যখন নদীর বিরুদ্ধে অত্যাচার করে, পাহাড় কেটে ফেলে, বনের মধ্যে আগুন লাগিয়ে চিংড়ি চাষ করে। তখন বনটা কোথায় যাবে, পাহাড়টা কোথায় যাবে নদীটা কোথায় যাবে ও বন্যপ্রাণীটা কোথায় যাবে? 

এর আগে জাতীয় সংগীত পরিবেশন ও কোরআন তেলাওয়াত করা হয়। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন জেলা থেকে বিভিন্ন প্রতিযোগী, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী, সাংবাদিক ও প্রশাসনের বিভিন্ন লোকজন উপস্থিত ছিলেন।  

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি প্রতিযোগীদের মাঝে টেস্ট ও সনদ তুলে দেন।  





বরিশালে মাস্টার ক্রাফটস পার্সনদের নিয়ে মতবিনিময়

বরিশালে মাস্টার ক্রাফটস পার্সনদের নিয়ে মতবিনিময়

ভোলায় জিজেইউএসের পক্ষ থেকে তেতুলিয়া নদীতে পোনা মাছ অবমুক্ত

ভোলায় জিজেইউএসের পক্ষ থেকে তেতুলিয়া নদীতে পোনা মাছ অবমুক্ত

মনপুরায় চাঞ্চল্যকর ধর্ষণ মামলার পলাতক প্রধান আসামী গ্রেপ্তার

মনপুরায় চাঞ্চল্যকর ধর্ষণ মামলার পলাতক প্রধান আসামী গ্রেপ্তার

গুমের সাথে জড়িত অপরাধীদের বিচারের মুখোমুখি করা হবে: রাষ্ট্রপতি

গুমের সাথে জড়িত অপরাধীদের বিচারের মুখোমুখি করা হবে: রাষ্ট্রপতি

আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক মৃত্যু হয়েছে ঢাকায়, দাফন দিল্লিতে :  স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক মৃত্যু হয়েছে ঢাকায়, দাফন দিল্লিতে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বাধীন বাংলাদেশে আর কোনো ‘আয়নাঘর’ থাকবে না: রাষ্ট্রপতি

স্বাধীন বাংলাদেশে আর কোনো ‘আয়নাঘর’ থাকবে না: রাষ্ট্রপতি

গুমের সঙ্গে জড়িত যত ক্ষমতাশালীই হোক, বিচার হবেই: আইনমন্ত্রী

গুমের সঙ্গে জড়িত যত ক্ষমতাশালীই হোক, বিচার হবেই: আইনমন্ত্রী

হত্যা-নির্যাতনে ফ্যাসিবাদীরাও একাত্তরের হানাদারদের পথ অনুসরণ করেছে :  প্রতিমন্ত্রী ইশরাক

হত্যা-নির্যাতনে ফ্যাসিবাদীরাও একাত্তরের হানাদারদের পথ অনুসরণ করেছে : প্রতিমন্ত্রী ইশরাক

ভোলায় বিদ্যুতের চাহিদা ২৩ মেগাওয়াট, সরবরাহ ১৫; লোডশেডিং ৮ মেগাওয়াট

ভোলায় বিদ্যুতের চাহিদা ২৩ মেগাওয়াট, সরবরাহ ১৫; লোডশেডিং ৮ মেগাওয়াট

ঢাকার কারখানায় কদর বাড়ছে ভোলার গ্যাসের

ঢাকার কারখানায় কদর বাড়ছে ভোলার গ্যাসের

আরও...