অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, বুধবার, ২১শে অক্টোবর ২০২৬ | ৬ই কার্তিক ১৪৩৩


ভোলা থেকে বিলুপ্তির পথে দেশীয় প্রজাতির পাখি


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৬শে অক্টোবর ২০২০ রাত ০৮:৫২

remove_red_eye

২৩৩১



এম শরীফ আহমেদ : কোনো এক সময় ভোলার গ্রাম-গঞ্জের মাঠে-ঘাটে, বনে-জঙ্গলে, গাছে গাছে জাতীয় পাখি দোয়েলসহ নানা ধরনের পাখি দেখা গেলেও কালের আবর্তে এখন আর চিরচেনা সেই পাখি দেখা যায়না।পাখিদের কলরবে মুখর গ্রামের মেঠো পথ এখন পাখি শূন্য হতে চলছে।বনে জঙ্গলে গাছে পাখি দেখার সেই অপরুপ দৃশ্যপট পাল্টে যাচ্ছে। দুরবীন ব্যবহার করেও দুস্কর হয়ে পড়েছে পাখির দেখা। বনাঞ্চলের পরিবেশ দূষন, নির্বাচারে গাছ কাটা,জমিতে কীটনাশকের ব্যবহার, পাখির বিচরন ক্ষেত্র ও খাদ্য সংকট আর জলবায়ুর পরিবর্তনের প্রভাবে বিলুপ্তির পথে দোয়েলসহ দেশীয়  প্রজাতির বিভিন্ন পাখি।

 রহমত উল্লাহ নামে একজন বৃদ্ধা  বলেন, কয়েক বছর আগেও মানুষের ঘুম ভাঙ্গত পাখির ডাকে। তখন বোঝা যেতো ভোর হয়েছে। পাখির কলকাকলীই বলে দিতো এখন সকাল, শুরু হয়েছে দৈনেন্দিন কর্মব্যস্থতা। কিন্তু এখন যেন সেই পাখির ডাক হারিয়ে গেছে, এখন আরগাছ গাছালিতে পাখির ডাক নেই। কয়েকজন বয়স্কদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, দোয়েল, ময়না, কোকিল, শালিক, চড়ুই সহ বিভিন্ন দেশীয় প্রজাতির পাখি গ্রামাঞ্চলের বিলে-ঝিলে, ঝোপে-ঝাড়ে, গাছের ডালে, বাগানে কিংবা বাড়ির আঙ্গিনার ডালে বসে তার সুরের ধ্বনিতে মুগ্ধ করে। এই পাখির চি চির-মিছির শীষ দেওয়া শব্দ এখন আর কানে শোনা যায় না।

সকাল, দুপুর ও সন্ধ্যায় বাঁশ গাছে, আমের ডালে যে পাখি সব সময় দেখা যেত সেই পাখি এখন আর চোঁখে পড়ে না। তবে কম সংখ্যক টিয়া, ঘুঘু, বক, কাক, মাছরাঙ্গা, ইত্যাদি পাখি শহর, গ্রাম-গঞ্জের বিভিন্ন জায়গায় দেখা গেলেও জাতীয় পাখি দোয়েল তেমন আর মানুষের চোখে পড়েনা। তাই পাখি প্রিয় অনেক সৌখিন মানুষকে বাড়ির খাচায় বন্ধি করে পাখি পালন করতে দেখা যায়। ভোলা সদর উপজেলার পাখি পালক  মোঃ তৈয়ব পালোয়ান বলেন, দোয়েলসহ বিভিন্ন প্রজাতির পাখি বিলুপ্তির পথে। নতুন প্রজন্ম ওই পাখি দেখতে পান না, তা ছাড়া শিকারীরের দৌরাত্মের কারনে পাখি শূন্য হয়ে পড়ছে বনাঞ্চল। তাই বাধ্য হয়ে বাড়িতে বসেই বেশ কিছু প্রজাতির পাখি পালন করছি। যাতে করে নতুন প্রজন্ম পাখি সম্পর্কে জানতে পারে।

ভোলা সরকারি কলেজের প্রানিবিদ্যা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর মোঃ মোমেন মিঞা এক সাক্ষাতকারে বলেন,বনাঞ্চলে নির্বচারে পাখি শিকার হচ্ছে। বন উজার করে গাছ কাটার ফলে পরিবেশের ভারসন্য নষ্ট হচ্ছে। এতে পাখির বিচরন কমে যাচ্ছে। তাছাড়াও ফসলে মাত্রারিক্ত কীটনাশক ব্যবহারের ফলে পাখির বিচরন ক্ষেত্র কমে যাচ্ছে। এতে পাখি বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে পাখি। এখনি পরিবেশ রক্ষায় কঠোর পদক্ষেপ না নিলে পাখি রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়বে।সচেতন মহল মনে করছেন, নদী ভাঙ্গনের ফলে ফসলি জমিতে উঠছে ঘরবাড়ি, তাছাড়া জনসংখ্যা প্রভবেও কোথাও না কোথাও প্রতিদিন নতুন নতুন ঘরবাড়ি তৈরি হচ্ছে। এতে গাছ গাছ কেটে বন উজার করে পাখিদের আবাসস্থল ধ্বংশ করে দেয়া হচ্ছে। তাই আগের মতো বনে জঙ্গলে তেমন পাখির দেখা মিলছে না।

একই বিভাগের  বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোঃ কামাল হোসেন বলেন, বেশী মুনাফার আশায় বনে চোরা শিকারীরা বিভিন্ন ফাঁদ পেতে পাখি শিকার করে বাজারে বিক্রি করে দিচ্ছেন। এতে শিকারের হাত থেকে বাঁচতে জীবন রক্ষার্থে পাখি অন্যত্র চলে যাচ্ছে। অনেক সময় তাদের হাতে মারাও যাচ্ছে পাখি। তিনি আরও বলেন,কৃষি জমিতে মাত্রারিক্ত কীটনাশকের ব্যবহার নিয়ন্ত্রনসহ, উপকূলের বন ও পরিবেশ রক্ষায় দ্রæত পদক্ষেপ না নিলে জাতীয় পাখি দোয়েলসহ দেশীয় প্রজাতির বিভিন্ন পাখির দেখা মিলবে না।



।








আওয়ামী লীগের মতো লুটপাটের পুনরাবৃত্তি হতে দেওয়া হবে না: স্পিকার

আওয়ামী লীগের মতো লুটপাটের পুনরাবৃত্তি হতে দেওয়া হবে না: স্পিকার

লালমোহনে ‘স্পিকার মেজর হাফিজ ফুটবল টুর্নামেন্ট'র উদ্বোধন

লালমোহনে ‘স্পিকার মেজর হাফিজ ফুটবল টুর্নামেন্ট'র উদ্বোধন

লালমোহনে নদীতে মাছ শিকারের দায়ে ৪ জেলের জেল

লালমোহনে নদীতে মাছ শিকারের দায়ে ৪ জেলের জেল

ভোলায় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী পার্থের উদ্যোগে ফ্রি চক্ষু ক্যাম্পে চিকিৎসা সেবা ও ওষুধ বিতরণ

ভোলায় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী পার্থের উদ্যোগে ফ্রি চক্ষু ক্যাম্পে চিকিৎসা সেবা ও ওষুধ বিতরণ

হাজার বছর ধরে সব ধর্মের মানুষ শান্তি-সম্প্রীতির বন্ধনে বসবাস করুক : প্রধানমন্ত্রী

হাজার বছর ধরে সব ধর্মের মানুষ শান্তি-সম্প্রীতির বন্ধনে বসবাস করুক : প্রধানমন্ত্রী

সব ধর্মের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে দেশ গড়তে চাই: প্রধানমন্ত্রী

সব ধর্মের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে দেশ গড়তে চাই: প্রধানমন্ত্রী

অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধে ৬৪ জেলায় সচেতনতা ও স্ক্রিনিং কার্যক্রমের আহ্বান ডা. জুবাইদা রহমানের

অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধে ৬৪ জেলায় সচেতনতা ও স্ক্রিনিং কার্যক্রমের আহ্বান ডা. জুবাইদা রহমানের

এইচএসসি পরীক্ষার ফল হতে পারে ২৯ নভেম্বর

এইচএসসি পরীক্ষার ফল হতে পারে ২৯ নভেম্বর

মাদকবিরোধী অভিযানে ইশরাকের হাতে অস্ত্র না থাকলে ভালো হতো: শফিকুর রহমান

মাদকবিরোধী অভিযানে ইশরাকের হাতে অস্ত্র না থাকলে ভালো হতো: শফিকুর রহমান

একমাত্র সন্তানের স্ত্রীর অত্যাচারে লালমোহনে ঘরে থাকাই কষ্টসাধ্য বৃদ্ধ মা রোকেয়া বেগমের

একমাত্র সন্তানের স্ত্রীর অত্যাচারে লালমোহনে ঘরে থাকাই কষ্টসাধ্য বৃদ্ধ মা রোকেয়া বেগমের

আরও...