অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই ২০২৬ | ১৩ই শ্রাবণ ১৪৩৩


এ অর্থবছরে ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা


বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৬শে জুলাই ২০২৬ বিকাল ০৫:৪১

remove_red_eye

৩১

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে পণ্য ও সেবা রপ্তানিতে ১৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার। এ লক্ষ্য অর্জিত হলে মোট রপ্তানি আয় দাঁড়াবে ৬৩ দশমিক ৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

এর মধ্যে পণ্য রপ্তানি থেকে ৫৫ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার এবং সেবা রপ্তানি থেকে ৮ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

 

রোববার (২৬ জুলাই) সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণবিষয়ক সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

 

 

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, গত অর্থবছরে রপ্তানি খাতে প্রত্যাশিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি। তবে নতুন সরকারের ব্যবসাবান্ধব বিভিন্ন উদ্যোগ, ব্যবসা পরিচালনার প্রক্রিয়া সহজীকরণ এবং একাধিক দেশের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) নিয়ে আলোচনা অগ্রসর হওয়ায় চলতি অর্থবছরে রপ্তানি ঊর্ধ্বমুখী হবে বলে সরকার আশাবাদী।

এর মধ্যে পণ্য রপ্তানির লক্ষ্য ছিল ৫৫ বিলিয়ন ডলার এবং সেবা রপ্তানির লক্ষ্য ছিল ৮ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার। তবে অর্থবছর শেষে মোট রপ্তানি আয় হয়েছে ৫৫ বিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে পণ্য রপ্তানি হয়েছে ৪৮ বিলিয়ন ডলার এবং সেবা রপ্তানি ৭ বিলিয়ন ডলারে সীমাবদ্ধ ছিল।

খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, আগের অর্থবছরের তুলনায় গত অর্থবছরে রপ্তানিতে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি হয়নি। কয়েক বছর ধরেই রপ্তানি খাতে এক ধরনের স্থবিরতা বিরাজ করছে। তবে চলতি অর্থবছরে সেই অচলাবস্থা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে বলে সরকার আশা করছে।

তিনি বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে চলমান দুটি যুদ্ধ এবং উন্নত দেশগুলোতে ভোগ ও চাহিদার প্রবৃদ্ধি কমে যাওয়ার মতো প্রতিকূলতা থাকা সত্ত্বেও সরকার রপ্তানিমুখী ব্যবসা উৎসাহিত করতে বাজেটে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। ব্যবসা শুরু ও পরিচালনার নানা প্রক্রিয়া সহজ করা হচ্ছে, যাতে ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরি হয় এবং এর ইতিবাচক প্রভাব দ্রুত রপ্তানি খাতে প্রতিফলিত হয়।

রপ্তানিকারকদের সহায়তায় সরকার আরও কিছু উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে উল্লেখ করে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির (এফটিএ) আলোচনা সম্পন্ন হওয়ার আশা রয়েছে। এছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) সঙ্গেও শিগগিরই এফটিএ চূড়ান্ত হতে পারে।

তিনি জানান, চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে আরও চার থেকে পাঁচটি দেশের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির আলোচনা শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রপ্তানি বাজার ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সঙ্গে এফটিএ আলোচনার প্রস্তুতিও চলছে। এ লক্ষ্যে উভয় পক্ষের আলোচক দল ইতোমধ্যে নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি, ব্যবসায়িক প্রক্রিয়া সহজীকরণ এবং সরকারি সহায়তার সমন্বয়ে আগামী দিনে রপ্তানি খাতে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি অর্জন সম্ভব হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক নিয়ে যা বললেন বাণিজ্যমন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত শুল্ক প্রসঙ্গে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশের ওপর মার্কিন শুল্ক পরিস্থিতিতে বাস্তবিক কোনো পরিবর্তন হয়নি।

তিনি বলেন, প্রথমে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশসহ কয়েকটি দেশের জন্য ৩৭ শতাংশ পারস্পরিক (রেসিপ্রোকাল) শুল্ক ঘোষণা করেছিল। পরে তা ১৯ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়। কিন্তু মার্কিন উচ্চ আদালতের এক রায়ের পর সেই সিদ্ধান্ত বাতিল হয়ে যায়।

এরপর মার্কিন প্রেসিডেন্ট সেকশন ১২২-এর আওতায় ভারসাম্যহীন পরিশোধ (ব্যালেন্স অব পেমেন্ট) পরিস্থিতির কারণ দেখিয়ে সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের ক্ষমতা পান। এ ব্যবস্থা সর্বোচ্চ পাঁচ মাস কার্যকর থাকতে পারে, এরপর কংগ্রেসের অনুমোদন প্রয়োজন হয়।

তিনি বলেন, সেই সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই সেকশন ৩০১-এর আওতায় শ্রম-সংক্রান্ত ইস্যুতে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাস্তবে শুল্কের হারে কোনো পরিবর্তন হয়নি। আগের ১০ শতাংশ শুল্কের জায়গায় নতুন আইনি কাঠামোর অধীনে একই ১০ শতাংশ শুল্ক বহাল রয়েছে। এটি শুধু বাংলাদেশের ক্ষেত্রে নয়, প্রায় ৬০টি দেশের জন্যই প্রযোজ্য হয়েছে, যার মধ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাজ্যও রয়েছে। তাই নতুন করে বাংলাদেশের রপ্তানির ওপর অতিরিক্ত কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না বলে তিনি মনে করেন।





হবিগঞ্জে এনসিপি-ছাত্রদল সংঘর্ষ, পাটওয়ারী-সারজিস ব্যাংকে অবরুদ্ধ

হবিগঞ্জে এনসিপি-ছাত্রদল সংঘর্ষ, পাটওয়ারী-সারজিস ব্যাংকে অবরুদ্ধ

চরফ্যাশনের গ্রামীণ উন্নয়ন প্রকল্পের কাঁচা রাস্তার বেহাল দশা, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ

চরফ্যাশনের গ্রামীণ উন্নয়ন প্রকল্পের কাঁচা রাস্তার বেহাল দশা, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ

জুলাইকে অস্বীকার করে রাজনীতিতে ফিরে আসা অনেক কঠিন : আন্দালিব রহমান পার্থ

জুলাইকে অস্বীকার করে রাজনীতিতে ফিরে আসা অনেক কঠিন : আন্দালিব রহমান পার্থ

বঙ্গভবনে কার্যক্রম শুরু ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির

বঙ্গভবনে কার্যক্রম শুরু ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির

শিক্ষাব্যবস্থার গুণগত পরিবর্তনে সমন্বিত উদ্যোগে জোর প্রধানমন্ত্রীর

শিক্ষাব্যবস্থার গুণগত পরিবর্তনে সমন্বিত উদ্যোগে জোর প্রধানমন্ত্রীর

স্পিকারকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের পদ্ধতি জানাল ইসি

স্পিকারকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের পদ্ধতি জানাল ইসি

মানবসম্পদ উন্নয়নসহ বিভিন্ন খাতে জাপানের সক্রিয় সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী

মানবসম্পদ উন্নয়নসহ বিভিন্ন খাতে জাপানের সক্রিয় সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী

মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে চাই : মির্জা ফখরুল

মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে চাই : মির্জা ফখরুল

বিতর্কিত নির্বাচনগুলোর তদন্ত হওয়া দরকার: তথ্য উপদেষ্টা

বিতর্কিত নির্বাচনগুলোর তদন্ত হওয়া দরকার: তথ্য উপদেষ্টা

শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশে খেলাধুলার বিকল্প নেই : তথ্যমন্ত্রী

শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশে খেলাধুলার বিকল্প নেই : তথ্যমন্ত্রী

আরও...